• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ২৮ বৈশাখ ১৪২৮ ২৮ রমজান ১৪৪২

যে কারণে দলীয় সমর্থন পাননি চসিকের ১৯ কাউন্সিলর

সংবাদ :
  • চট্টগ্রাম ব্যুরো

| ঢাকা , রোববার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০

আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এবার আওয়ামী লীগের সমর্থন দেয়া কাউন্সিলরদের তালিকায় নতুনদের জয়জয়কার। বর্তমান কাউন্সিলরদের মধ্যে এবার ১৯ জন দলের সমর্থন হারিয়েছেন। কেউ কেউ রাজনৈতিক নানা সমীকরণে বাদ পড়েছেন বলে জানা গেছে। আবার কেউ কেউ বিতর্কে জড়িয়ে ছিটকে পড়েছেন। শুধু বর্তমান কাউন্সিলর নন, সমর্থনপ্রত্যাশী বিতর্কিতদেরও তালিকায় রাখেনি আওয়ামী লীগ।

বাদপড়া কাউন্সিলররা হলেন ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডে গাজী মো. তৌফিক আজিজ, ২নং জালালাবাদে শাহেদ ইকবাল বাবু, ৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে জহুরুল আলম, ১১নং দক্ষিণ কাট্টলীতে মোরশেদ আক্তার চৌধুরী, ১২নং সরাইপাড়ায় সাবের আহম্মদ, ১৩নং পাহাড়তলীতে মোহাম্মদ হোসেন হিরণ, ১৪ নম্বর লালখানবাজারে এ এফ কবির মানিক, ২৫নং রামপুরে এস এম এরশাদ উল্লাহ, ২৭নং দক্ষিণ আগ্রাবাদে এইচ এম সোহেল, ২৮নং পাঠানটুলীতে আব্দুল কাদের, ৩০নং পূর্ব মাদারবাড়ি ওয়ার্ডে মাজহারুল ইসলাম, ৩১নং আলকরণে তারেক সোলায়মান সেলিম, ৩৩নং ফিরিঙ্গিবাজারে হাসান মুরাদ ও ৪০নং উত্তর পতেঙ্গায় জয়নাল আবেদিন।সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলদের মধ্যে যারা বাদ পড়েছেন, তারা হলেন জেসমিন পারভিন, আবিদা আজাদ, আনজুমান আরা বেগম, ফারহানা জাবেদ ও ফেরদৌসি আকবর।

এদিকে নগর আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে আলোচনা আছে, নতুনদের সুযোগ দিতেই বিতর্কিত না হলেও কয়েকজন কাউন্সিলর বাদ পড়েছেন। বিশেষত সংরক্ষিত ওয়ার্ডের প্রার্থীদের মধ্যে যারা বাদ পড়েছেন, তাদের বিরুদ্ধেও তেমন কোন অভিযোগ নেই। তবে মনোনয়ন বঞ্চিত মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারীদের অধিকাংশকে বাদ দিয়ে প্রয়াত মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী অধিকাংশকে টেনে আনা হয়েছে এমন আলোচনাও আছে নগর আওয়ামী লীগে। এর আগে ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত কপোরেশনের সর্বশেষ নির্বাচনে ৪১টি সাধারণ ওয়ার্ডের মধ্যে ৩৫টিতে এবং সংরক্ষিত ১৪টির মধ্যে ১১টিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হন। গত ২০ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগ তাদের সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে।

চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, নগরীর ৪১ ওয়ার্ডে এবং ১৪টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের অধিকাংশে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির প্রার্থী দিতে পেরেছে দল। এতে সাংগঠনিকভাবে আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তিও মানুষের কাছে বাড়বে। তবে কয়েকটি ওয়ার্ডে আবার কয়েকজন সমালোচিত কাউন্সিলর বাদ না পড়ায় কিছুটা সমালোচনাও আছে নেতাদের মধ্যে।

নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন বলেন, কাউন্সিলর হিসেবে আমাদের দল যাদের সমর্থন দিয়েছে, তাদের ৯৫ ভাগই স্বচ্ছ ভাবমূর্তির ও বিতর্কমুক্ত। যারা বাদ পড়েছেন, তাদের সবাই বিতর্কিত এমন নয়। কোথাও কোথাও হয়তো দল মনে করেছে, বিদ্যমান কাউন্সিলরকে বাদ দিয়ে নতুন কাউকে সুযোগ দেয়া প্রয়োজন। সেই বিবেচনায়ও দিয়েছেন হয়ত। এখন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব হচ্ছে ভেদাভেদ ভুলে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের জিতিয়ে আনা।