• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ২৮ বৈশাখ ১৪২৮ ২৮ রমজান ১৪৪২

বকেয়া বেতনের দাবিতে

বাড্ডায় পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২০

বকেয়া বেতন দাবিতে গতকাল রাজধানীর বাড্ডায় সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন ৩টি গার্মেন্টসের শ্রমিকরা। মধ্যবাড্ডা ইউলুপের সামনে দুই পাশের সড়ক অবরোধ করেন সহস্রাধিক শ্রমিক।

বিক্ষোভরত শ্রমিকরা জানান, মালিকদের কাছে বার বার বেতন চাওয়া হলেও তা পরিশোধ করছে না। অর্থকষ্টে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে। খাদ্য সংকটে রয়েছে তাদের পরিবারগুলোও। বাধ্য হয়েই রাস্তায় নামতে হয়েছে। বকেয়া বেতন পরিশোধ না করলে শ্রমিকরা আবারও আন্দোলনে নামবে।

পুলিশ জানায়, মধ্যবাড্ডা এলাকার ৩টি গার্মেন্টসের শ্রমিকদের ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। কারখানাও বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকরা বকেয়া বেতন চেয়েছিল মালিকপক্ষের কাছে। তারা খাদ্য ও বাসা বাড়া দেয়া নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে। এ অবস্থায় ৩ কারখানার শ্রমিকরা একজোট হয়ে আকস্মিক রাস্তা অবরোধ ও বিক্ষোভ করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। পরে মালিকপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ ও শ্রমিকদের রাস্তা থেকে অবরোধ তুলে নেয়ার অনুরোধ জানানো হয়। মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করার আশ্বাসের প্রেক্ষিতে শ্রমিকরা রাস্তা থেকে উঠে যায়। পরে তাদের সামাজিক দূরত্ব মেনে যার যার বাসায় ফেরার জন্য বলা হলে তারা চলে যায়।

পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, সামাজিক দূরত্ব ভঙ্গ করে তারা একত্রিত হলেও তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি। কারণ তারা বকেয়া বেতনের দাবিতে একত্রিত হয়েছিল। এ জন্য মালিকদেরও দায় রয়েছে। শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করে শ্রমিকদের সংকটে পড়তে হতো না। এছাড়া রমজান শুরু হয়ে গেছে। ১ মাস পরেই ঈদ। এ অবস্থায় শ্রমিকদের পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ আনন্দ রয়েছে। বিষয়গুলো মালিকদের বুঝতে হবে। এমন পরিস্থিতি আর যেনো তৈরি না হয় এজন্য পুলিশ সতর্ক রয়েছে।

শ্রমিকরা আরও জানান, ৩টি পোশাক কারখানায় কয়েক হাজার শ্রমিক রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি থেকে তাদের বেতন বকেয়া রয়েছে। ফেব্রুয়ারি ও মার্চের বেতন বকেয়া রেখেই কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। মালিকদের কাছে বার বার বেতন চাওয়া হলেও তা পরিশোধ করছে না। এ বিষয়ে শ্রমিক সংগঠন ও মালিকদের সংগঠনেও জানানো হয়েছে। আশ্বাস দিয়ে বেতন দেয়া হচ্ছে না। অর্থকষ্টে শ্রমিকরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেক শ্রমিক বাসা বাড়া দিতে পারছে না। খাদ্য সংকটে রয়েছে তাদের পরিবারগুলোও।