• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ২৮ বৈশাখ ১৪২৮ ২৮ রমজান ১৪৪২

ডাটাবেজ প্রণয়ন করা হলে ত্রাণ বিতরণ সুষ্ঠু ও সহজ হবে পলক

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২০

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ডাটাবেজে দরিদ্র ও কর্মহীন মানুষের তালিকা প্রণয়ন করা হলে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম আরো সুষ্ঠু ও সহজ হবে। এই কার্যক্রমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। গতকাল শনিবার নাটোরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ কার্যক্রম এবং আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে এক মতবিনিময় সভায় একথা বলেন।

সভায় বক্তব্য রাখেন করেনাভাইরাস প্রতিরোধ ও ত্রাণসামগ্রী সমন্বয় নাটোর জেলা কমিটির সমন্বয়কারী পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্র কুমার চক্রবর্ত্তী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুস. জেলায় সেনাবাহিনীর দায়িত্বে নিয়োজিত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তফা আরিফুর রহমান, নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা, সিভিল সার্জন ডা. কাজী মিজানুর রহমান, নাটোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সাজেদুর রহমান খান, নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরী জলি প্রমুখ।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, সীমিত সম্পদ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি উত্তরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিগত সহায়তা সমন্বিত করে আমরা যেকোন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সক্ষম হবো। সমালোচনা নয়, সুষ্ঠু সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। তিনি বলেন, দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ৪০ দিন অতিক্রান্ত হয়েছে, আগামী ৪০ দিন অতিক্রান্ত হলে আমরা নিরাপদ জায়গাতে যেতে পারবো বলে আশা করি। আগামী তিন মাস ২২ ভাগ দরিদ্র জনগোষ্ঠি এবং ৩০ ভাগ কর্মহীন মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিতে হবে। এই জনগোষ্ঠীর ডাটাবেজ তৈরি করে কিউআর কোড ব্যবহার করা হলে ত্রাণ কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সফল হবে এবং এই কার্যক্রমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে- উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিত নীতিমালার আলোকে সক স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত একটি পাবলিক প্রেসক্রিপশন থাকলে সাধারণ স্বাস্থ্য সেবাপ্রত্যাশীরা বর্তমান পরিস্থিতিতে উপকৃত হবেন। তিনি আরও বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ উত্তর পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, স্বাস্থ্যসহ অত্যাবশ্যকীয় বিষয়গুলোর চাহিদা নিরূপণ ও করণীয় কার্যক্রমের সমন্বয়ে একটি কৌশলপত্র প্রণয়ন করা যেতে পারে।

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্র কুমার চক্রবর্ত্তী বলেন, জেলার চাহিদা অনুযায়ী দরিদ্র ও কর্মহীন মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর।