• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবন ১৪২৮ ১৩ জিলহজ ১৪৪২

গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষুব্ধ মেয়র

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , মঙ্গলবার, ২০ জুলাই ২০২১

image

গাবতলীর সড়কপথে গতকাল গরু আর গাড়ি ছিল একাকার -সংবাদ

করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কোরবানির পশুর হাট পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছিল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। গতকাল সার্বিক পরিস্থিতি দেখতে রাজধানীর গাবতলী পশুর হাটে যান ডিএনসিসির মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। কিন্তু হাটের সার্বিক চিত্র দেখে ক্ষুব্ধ তিনি। হাট পরির্দশনকালে তিনি বলেন, ‘গাবতলী হাটে এসে সার্বিক চিত্র আমার কাছে মোটেও ভালো লাগেনি। এটিই হচ্ছে সত্য কথা। এই চিত্র আপনারাও দেখছেন, আমিও দেখছি এবং জনগণও দেখছে।’ পরে তিনি প্রয়োজনে হাট বন্ধ করারও হুঁশিয়ারি দেন।

এ সময় স্বাস্থ্যবিধি না মেনে হাট পরিচালনার দায়ে মেয়র আতিকের উপস্থিতিতে কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেট গাবতলী পশুর হাটের ইজারাদারকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করে। পাশাপাশি এক ঘণ্টা হাসিল কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়।

গাবতলীতে স্থায়ী পশুর হাট পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, এ বছরই প্রথম উত্তর সিটি করপোরেশনের ৯টি হাটে ৯টি এন্টিজেন টেস্ট বুথ বসানো হয়েছে। তাতে তিনজনের শরীরে করোনা ধরাও পড়েছে। এরপরও তারা উদাসীন। এটা সিটি করপোরেশনের হাটে হতে পারে না।

যেসব চুক্তি ও শর্ত অনুযায়ী হাট ইজারা দেয়া হয়েছে সেই শর্তগুলো যথাযথ পরিপালন হচ্ছে কিনা তা পরিদর্শন করেন মেয়র। এ সময় যারা মাস্ক ছাড়া হাটে প্রবেশ করেছেন তাদের মাঝে মাস্কও বিতরণ করেন তিনি। মাস্কবিহীন অনেক পশু ব্যবসায়ীকে তিনি মাস্ক পরিয়ে দেন।

হাটের বাইরেও বিভিন্ন পাশে বাঁশ পোঁতা হয়েছিল। সেগুলো সিটি করপোরেশন থেকে ভেঙে দেয়া হলেও সেখানে এখনও গরু রাখা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, যেসব জায়গার বাঁশ ভেঙে দিয়েছি সেখানেও গরু বাঁধা হয়েছে। তাতেও সমস্যা মনে করি না। সমস্যা হচ্ছে কোন স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। তোমরা (ইজারাদার) স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাট পরিচালনা করো।

নিয়ম অমান্যকারীদের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের বলা হয়েছে জানিয়ে মেয়র বলেন, আমরা অব্যবস্থাপনার বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি। আরও কঠোর ব্যবস্থা নেব। রোজার ঈদের আগে আমরা স্বাস্থ্যবিধি না মানায় উত্তরার একটি শপিংমল বন্ধ করে দিয়েছিলাম। এখনও সেই ব্যবস্থা নিতে পারি।

হাটের এই অব্যবস্থাপনার জন্য কী ব্যবস্থা নেয়া হবে গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটরা রয়েছেন তারাই বলতে পারবেন। তারা কী ব্যবস্থা নেবেন। আইন অনুযায়ী যা ব্যবস্থা নেয়ার দরকার তারা তাই নেবে। এ সময় তিনি একটি হাসিল আদায়ের বুথের চিত্র খারাপ দেখে তাকে জরিমানা করার নির্দেশ দেন।

এ বছর কোরবানি পরবর্তী সময়ে শহর পরিষ্কার করার জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১১ হাজার কর্মী কাজ করবে বলেও এ সময় জানান মেয়র। তিনি বলেন, আমিও কিন্তু মাঠে থাকব। আমাদের কাউন্সিলররাও মাঠে থাকবেন। সব কর্মকর্তা-কার্মচারীরাও মাঠে থাকবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমরা শহর পরিষ্কার করবো।