• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ২৮ বৈশাখ ১৪২৮ ২৮ রমজান ১৪৪২

নারায়ণগঞ্জে

কোপানো হয় ৫ জনকে : পুলিশ মামলা নেয়নি

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, নারায়ণগঞ্জ

| ঢাকা , রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২০

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার জালকুড়ির একই পরিবারের নারীসহ ৫ জনকে পিটিয়ে এবং কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও মামলা নেয়নি পুলিশ। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, করোনার অজুহাত নিয়ে মামলা গ্রহণে গড়িমসি করছে পুলিশ। এদিকে বিবাদীপক্ষ প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে তাদের।

ভুক্তভোগী পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জালকুড়ি চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকার ঈদগাহের পাশেই আবদুল জব্বার তার স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস করেন। আপন ভাই দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে তাদের জমি সংক্রান্ত বিষয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্ব রয়েছে। দ্বন্দ্বের জের ধরেই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ১৯ এপ্রিল দুপুর ১টার দিকে তাদের তর্কবিতর্ক হয়। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, এ সময় লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আবদুল জব্বারসহ তার পরিবারের পাঁচ সদস্যকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে দেলোয়ার হোসেন ও তার স্ত্রী-ছেলে। আহতরা নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

আবদুল জব্বারের ছেলে মোহাম্মদ ইয়াসিন জানান, চাচা ও চাচাতো ভাইদের হামলায় আহত হয়েছেন তার বাবা আবদুল জব্বার, মা নাজমা বেগম, বড় বোন নাদিরা আক্তার সুইটি, বড় ফুফু নূরজাহান এবং তিনি নিজে। ঘটনার দিন বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় চাচা দেলোয়ার হোসেন, চাচি শাহনাজ, দুই চাচাতো ভাই ইব্রাহিম ও ইমনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও তা মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি বলে জানান তিনি।

ইয়াসিন বলেন, বাড়ির সামনের সিঁড়ি ভেঙে যাওয়ায় সেখানে কাঠ দেয়ার কারণে তারা আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। বাড়িও আমাদের, সিঁড়ির জায়গাও আমাদের। অযথাই তারা হামলা চালায়। করোনাভাইরাসের অজুহাত দিয়ে পুলিশ মামলা নিচ্ছে না। এদিকে চাচা ও চাচাতো ভাইরা প্রতিনিয়ত তাদের হুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ইমন বলেন, জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের দ্বন্দ্ব। ওইদিন তারা পরিকল্পনা করে এই ঘটনা ঘটাচ্ছে। আমরাই তাদের ওপর হামলা চালিয়েছি বিষয়টি এমন না। তারাও আমাদের ওপর হামলা করেছে, আমরাও আহত হইছি। পরবর্তীতে হুমকি দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।

জানতে চাইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বলেন, ছোট ভাই আর বড় ভাইয়ের মধ্যে ঝামেলা। বড় ভাইয়ের পরিবারের কয়েকজন আহত হইছে। আবার দুই পক্ষই পৃথক দুটি অভিযোগ লিখিত আকারে থানায় দিয়েছে। করোনার কারণে সবকিছু লকডাউন, আদলত বন্ধ। তাই মামলা নেয়া হয়নি। ভাই-ভাইয়ের ঝগড়া তাদের মধ্যেই মিটিয়ে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম। হুমকি যদি দিয়ে থাকে তাহলে বিষয়টির তদন্তে যাব আমি।