• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ৪ আষাড় ১৪২৮ ৬ জিলকদ ১৪৪২

চট্টগ্রামে

আমদানিকৃত পণ্য ছাড় ও ব্যবসায়ীদের সুযোগ বাড়ানোর দাবি

সংবাদ :
  • চট্টগ্রাম ব্যুরো

| ঢাকা , বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২০

দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলম করোনা পরিস্থিতিতে আমদানিকৃত পণ্য ছাড়করণ ও ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদান করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। গতকাল এক পত্রের মাধ্যমে তিনি বলেন- করোনা পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানসমূহ আর্থিক সংকটে পড়ে অস্তিত্ব বিলীন হওয়ার সম্মুখীন।এ পরিস্থিতিতে আমদানিকারকসহ ব্যবসায়ীদের সুযোগ-সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে অস্তিত্ব রক্ষায় সহায়তা করা এবং আমদানিকৃত পণ্যসামগ্রী বন্দর থেকে দ্রুত ছাড়করণ, ওষুধ ও ভোগ্যপণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন রাখা জরুরি।এক্ষেত্রে বিদ্যমান কিছু সমস্যা সমাধানে-সদয় বিবেচনার চিটাগাং চেম্বারের পক্ষ থেকে নিম্নলিখিত প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হয়, কাস্টমস ক্লিয়ারিং চালু থাকলেও আমদানিকৃত ভোগ্যপণ্য, বিভিন্ন ফলমূল ইত্যাদি বন্দর থেকে ছাড় করতে হলে এসব পণ্যের মধ্যে কোন প্রকার জীবাণু আছে কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য কোয়ারেন্টিন এবং রেডিয়েশন পরীক্ষা করতে হয়। কিন্তু বর্তমানে এসব পরীক্ষা চালু না থাকায় চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানিকৃত বিপুল পরিমাণ পণ্য আটকে আছে। এসব পণ্য ছাড় করণের লক্ষ্যে কোয়ারেন্টিন ও রেডিয়েশন পরীক্ষা করার জন্য অতি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি। বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তার লক্ষ্যে উল্লেখিত পরীক্ষা সম্পন্ন করে বন্দর থেকে ছাড়করণে সহায়তা করা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক অফিস যাতে কার্যক্রম চালু রাখে তা নিশ্চিত করতে হবে।এছাড়া আমদানিকারকদের সহায়তা করার লক্ষ্যে মার্চ-মে ২০২০ বন্দরের সমুদয় চার্জ মওকুফ করতে হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন অফডক ও শিপিং এজেন্টের ওয়্যার ফেয়ার চার্জ মওকুফ করতে হবে। কেননা, বর্তমান পরিস্থিতির কারণে অনেক আমদানিকারক তাদের আমদানিকৃত পণ্য বন্দর থেকে ছাড় করতে পারছেন না। বিভিন্ন গ্রাহকের কাছ থেকে পাওনা অর্থ আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না। সারাদেশে পণ্য পরিবহন অনেকাংশে বন্ধ থাকায় পণ্য সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না। এসব বিষয় বিবেচনাপূর্বক আমদানিকারকদের জন্য বর্ণিত সময়ে সমুদয় পোর্ট চার্জ, অফডক ও শিপিং এজেন্টের ওয়্যার ফেয়ার চার্জ মওকুফ করার জন্য বিশেষভাবে আবেদন জানাচ্ছি। অন্যদিকে এ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ইত্যাদি ইউটিলিটি বিল সারচার্জবিহীনভাবে পরিশোধের জন্য জুন-২০২০ ইং পর্যন্ত সুযোগদানের অনুরোধ জানাচ্ছি।

তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে। তাই এসব প্রতিষ্ঠানের দায়ভার কিছুটা লাঘবে মার্চ থেকে মে ২০২০ পর্যন্ত আমদানি পর্যায়ে সব ধরনের ভ্যাট অব্যাহতি প্রদানের জন্য অনুরোধ জানান তিনি। স্বল্পমেয়াদি মূলধনের সুদ ৯০ দিনের জন্য মওকুফ করার আহ্বান জানাচ্ছি। ১ মাসের গ্যাস, বিদ্যুৎ বিল মওকুফ করার এবং সরকার নির্দেশিত বন্ধের সমপরিমাণ শ্রমিক মজুরি প্রদান করার বিষয় বিবেচনা করার সুপারিশ করছি। জরুরি ওষুধ, চিকিৎসা সামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং কেউ যাতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করতে না পারে তার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।