• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ৪ আষাড় ১৪২৮ ৬ জিলকদ ১৪৪২

যশোরে

আইসোলেশন ওয়ার্ডের জানালা ভেঙে পালিয়েছে হাজতি

যশোর অফিস

| ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২০

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডের পিছনের জানালা ভেঙে পালিয়েছে এক হাজতি। রোববার রাতে কর্তব্যরত নার্স ওষুধ খাওয়াতে গিয়ে রোগী পালানোর বিষয়টি টের পান। পলাতক হাজতি মো. সুজন ওরফে শাকিল রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার বাহাদুরপুর কাজীপাড়া গ্রামের মল্লিকের ছেলে। তিনি কোতোয়ালী থানার একটি নারী নির্যাতন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তিনি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন। সর্দি জ্বর, কাশি ও গলায় ব্যথায় আক্রান্ত হওয়ায় তাকে শুক্রবার যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে কারা কর্তৃপক্ষ। যশোর পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পলাতক হাজতির গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১০ এপ্রিল যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ কোতয়ালী থানায় নারী নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা একটি মামলার আসামি মো. সুজন ওরফে শাকিলকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। তার সর্দি, কাশি, জ্বর ও গলায় ব্যথা ছিল। এজন্য হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করে। এরপর তার শরীরের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর-এ প্রেরণ করে।

চিকিৎসাধীন হাজতির নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন পুলিশের নায়েক নাজমুল, কনস্টেবল আসাদ, কেন্দ্রীয় কারাগারের সহকারী প্রধান কারারক্ষী শাহজাহান হোসেন, কারারক্ষী সাজ্জাদ হোসেন, মনির হোসেন, সাইদুল ইসলাম।

রোববার রাত ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে আইসোলেশন ওয়ার্ডের কর্তব্যরত নার্স তুলি খাতুন হাজতি মো. সুজন ওরফে শাকিলের ওষুধ খাওয়ানোর জন্য কেবিনে নক করেন। কিন্তু কোন সাড়া না পেয়ে দায়িত্বরত ফোর্সদের ডাক দেন। এরপর ফোর্সের সদস্যরা ওয়ার্ডের দরজা ভেঙে প্রবেশ করে রুমে হাজতিকে খোঁজাখুঁজি করে পাননি। তখন দেখতে পান রুমের পিছনের জানালা ভাঙা। হাজতি আইসোলেশন ওয়ার্ডের জানালা ভেঙে পালিয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় কারাগারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।