• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১১ শ্রাবন ১৪২৮ ১৫ জিলহজ ১৪৪২

আইডিয়াল স্কুলের বেতন কাঠামো জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০

ঢাকার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বেতন কাঠামো (প্রথম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী) এবং ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমপিও ও ননএমপিও শিক্ষক, স্টাফ কতজন, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। গতকাল বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের ভার্চুয়াল কোর্ট এ তথ্য জানতে চেয়েছে। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আবেদনকারী আইনজীবী মো. সাইফুর রহমান। যিনি ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবক। আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এএম আমিন উদ্দিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

সাইফুর রহমান বলেন, শুনানিতে ওই প্রতিষ্ঠানের পক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, অনেক ননএমপিও শিক্ষক আছেন। তাই বেতন না দিলে তাদের সমস্যা হয়। আমি বলেছি প্রতিষ্ঠানের অনেক ধরনের ফান্ড আছে। সেখান থেকে শিক্ষকদের বেতন দেয়া যায়। এরপর আদালত ১৪ জুনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বেতন কাঠামো জানতে চেয়েছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বেতন আদায় স্থগিত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবকের পক্ষে গত ১৯ মে বিবাদীদের (রেসপনডেন্ট) প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্টরা কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় এ রিট পিটিশন করা হয়।

আমিন উদ্দিন বলেন, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বেতন কাঠামো ও মোট কতজন শিক্ষক, কর্মচারী, স্টাফ আছে, তাদের মধ্যে কতজন এমপিওভুক্ত তা জানতে চেয়েছেন আদালত। আমি বলেছি ১৪ জুনের মধ্যেই তা জানাব।

গত ১২ মে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে বেতন পরিশোধের নোটিশ পাওয়ার পর তা স্থগিত রাখতে দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবকের পক্ষে ১৯ গত মে উকিল নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় দেশের এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন আদায় কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে গত সোমবার হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়। শিক্ষা সচিব, শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি), দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান (মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক) ও আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষকে বিবাদী করা হয় রিটে। রিটে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা নেমে এসেছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছে অনেক পেশাজীবী ও চাকরিজীবী। বিদ্যুৎ বিলসহ বিভিন্ন বিলে বিলম্ব ফি মওকুফ করা হয়েছে। ব্যাংক ঋণের বিষয়ে বলা হয়েছে, একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বেনিফিট গ্রহণ করা যাবে না। সরকার বিভিন্ন সেক্টরে প্রণোদনা দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে নিম্নবিত্ত, নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষদের জীবিকা নির্বাহ করাটা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সন্তানদের মাসিক বেতন পরিশোধে নোটিশ দেয়া হচ্ছে। এসব কারণেই এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে আদায়যোগ্য মাসিক বেতন স্থগিত রাখতে নির্দেশনা প্রয়োজন বলে রিটে আর্জি পেশ করা হয়েছে।