• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ৪ আষাড় ১৪২৮ ৬ জিলকদ ১৪৪২

৭০ নাবিক করোনায় আক্রান্ত

শাস্তির মুখে রণতরী থিওডোর রুজভেল্টের ক্যাপ্টেন

    সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
  • | ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২০

image

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ বাহিনীর দিকে অভিযোগ তুলে একটি চিঠি লিখেছেন ওই রণতরী ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টের ক্যাপ্টেন। চিঠিটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ায় মার্কিন নৌ বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে এ রণতরীর কমপক্ষে ৭০ জন নাবিক নভেল করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সিএনএন।

ইতোমধ্যে রণতরীটির ১ হাজার ক্রুকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। শীঘ্রই আরও ২ হাজার ৭শ’ জনকে সরিয়ে নেয়া হবে বলে জানা গেছে। এখন পর্যন্ত ৯৩ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এদিকে রণতরীর ক্যাপ্টেনের পক্ষ থেকে লেখা চার পাতার ওই চিঠিতে পরমাণুশক্তি চালিত রণতরীর নাবিকরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হতে থাকায় যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে, ক্যাপ্টেন ব্রেট ক্রোজিয়ার তা তুলে ধরেন। ওই চিঠি পড়ে উদ্বেগ ও হতাশায় ভুগছেন ক্রুদের পরিবারের সদস্যরা। একই সঙ্গে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দফতর পেন্টাগন তাদের সদস্যদের যথেষ্ট সুরক্ষার ব্যবস্থা করেছে কিনা, তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। রণতরীটির স্থায়ী বন্দর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো হলেও সেটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপাঞ্চল গুয়ামে নোঙর করে রাখা হয়েছে।

ওই চিঠির কারণে ক্যাপ্টেনকে কোন ধরনের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে কিনা জানতে চাইলে মার্কিন নৌবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি থমাস মডলি বলেন, ‘আমি জানি না কে এই চিঠি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করেছে। তিনি এ কাজ করে থাকলে, এটি নিয়ম ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী। কিন্তু আমি এ বিষয়ে জানি না।’

থমাস মডলি বলেন, ‘চেইন অব কমান্ড ভেঙে তিনি নিজের উদ্বেগ প্রকাশ করে এ চিঠি লিখলেও কোন ধরনের প্রতিহিংসার শিকার হতে হবে না তাকে।’

ওই চিঠিতে জরুরি ভিত্তিতে রণতরীর চার হাজারেরও বেশি নাবিককে সরিয়ে আইসোলেশনে রাখার ব্যবস্থা করার ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নেয়ার আহ্বান জানান ক্যাপ্টেন। এখনই পদক্ষেপ না নেয়া হলে, ‘আমাদের সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য সম্পদ এ নাবিকদের’ নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হবে নৌবাহিনী, এমন মন্তব্যও করেন তিনি।

মডলি বলেন, ‘তার এ মন্তব্য হতাশাজনক। সেই সঙ্গে আমি জানি এটি সত্য নয়। তাছাড়া রণতরীর ৯০ শতাংশ ক্রু সরিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। এতে অস্ত্র ও যুদ্ধোপকরণ রয়েছে। এর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক লোক দরকার বলেও জানান তিনি।’ যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী থিওডোর রুজভেল্টের ক্রুদের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়লেও তাদের সুরক্ষায় কোন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না- এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।