• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ১২ মে ২০২১, ২৯ বৈশাখ ১৪২৮ ২৯ রমজান ১৪৪২

করোনাভাইরাস

প্রথম সতর্ক করে বিপদে পড়েন যে চিকিৎসক

    সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
  • | ঢাকা , বুধবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

image

চীনের উহান কর্তৃপক্ষ নতুন করোনাভাইরাসের খবর পেয়েছিল জানুয়ারির শুরুর দিকেই। কিন্তু ওই খবর আমলে না নিয়ে উল্টো যে চিকিৎসক ভাইরাসটি নিয়ে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন তার মুখ বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছিল স্থানীয় প্রশাসন। এরপর এক মাসের ব্যবধানে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখনো পর্যন্ত চার শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। পরে এ সংক্রমণ দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে যাওয়ার পর বিষয়টি জানাজানি হলে এখন সেই চক্ষু চিকিৎসক প্রশংসিত হচ্ছেন একজন ‘বীর’ হিসেবে। বিবিসি।

সংবাদমাধ্যমটির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, উহান কেন্দ্রীয় হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ লি ওয়েনল্যাং যখন ভাইরাসটি নিয়ে সহকর্মীদের সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন, ওই সময় পুলিশ এসে তাকে চুপ করিয়ে দিয়েছিল। এর এক মাস পর হাসপাতালের বিছানা থেকে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে পোস্ট করে ব্যাপক বাহবা কুড়াচ্ছেন তিনি। ঘটনার বিবরণ দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ লি’র পোস্ট- ‘আমরা আপনাকে কঠোরভাবে সতর্ক করে দিচ্ছি: আপনি যদি অধৈর্য হয়ে জেদ ধরে এমন অবৈধ কার্যকলাপ চালিয়ে যান, তাহলে আপনাকে বিচারের আওতায় আনা হবে-বুঝেছেন?’ এর নিচে ডা. লির হাতে লেখা- ‘হ্যাঁ, আমি বুঝেছি।’ শুধু তিনিই নন, ‘গুজব ছড়ানোর’ অভিযোগে আরও সাতজনের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হয়।

নতুন করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রে কাজ করার সময় গত ডিসেম্বরে এ ভাইরাস সংক্রমণের সাতটি ঘটনা তার কাছে ধরা পড়ে। তার কাছে এ ভাইরাসটিকে দেখতে সার্সের মতোই মনে হয়েছে, যেটা ২০০৩ সালে বিশ্বজুড়ে মহামারী রূপ নিয়েছিল। উহানের হুনান সিফুড মার্কেট থেকে সংক্রমিত ধরে নিয়ে এসব রোগীকে তার হাসপাতালের কোয়ারেন্টিন করে রাখা হয়। ৩০ ডিসেম্বর ভাইরাসটি নিয়ে সতর্ক করে একটি চ্যাট গ্রুপে সহকর্মী চিকিৎসকদের কাছে বার্তা দিয়ে সংক্রমণ এড়াতে ‘প্রতিরক্ষামূলক পোশাক’ পরার পরামর্শ দিয়েছিলেন ডা. লি।