• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ১০ মে ২০২১, ২৭ বৈশাখ ১৪২৮ ২৭ রমজান ১৪৪২

হজে যাওয়া যাবে তিনটি প্যাকেজে

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

সরকারি ব্যবস্থাপনায় একটি বাড়িয়ে তিনটি প্যাকেজের মাধ্যমে হজে যাওয়ার সুযোগ রেখে ২০২০ সালের হজ প্যাকেজ অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। প্যাকেজ-১ এর মাধ্যমে হজে যেতে চার লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং প্যাকেজ-২ এ তিন লাখ ৬০ হাজার টাকা খরচ হবে। আর নতুন প্যাকেজ-৩ এর মাধ্যমে হজে যেতে খরচ হবে তিন লাখ ১৫ হাজার টাকা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গতকাল তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে হজ প্যাকেজের খসড়ার অনুমোদন দেয়া হয়। সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারু ইসলাম সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

আগে দুটি প্যাকেজের মাধ্যমে হজে যাওয়া যেত উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, গতবারের চেয়ে এবার প্যাকেজ-১ এ খরচ বেড়েছে সাড়ে ছয় হাজার টাকা। আর প্যাকেজ-২ এ খরচ বেড়েছে ১৬ হাজার টাকা। তিনটি প্যাকেজ অনুসরণ করে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়ও হজ এজেন্সিগুলোকে যাত্রী পরিবহন করতে হবে। দূরত্বের ওপর ভিত্তি করে এসব প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৯ জিলহজ বা ৩০ জুলাই হজ হতে পারে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ৩৭ হাজার ১৯৮ জন হজে যেতে পারবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৭ হাজার ১৯৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার জন হজে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। হজযাত্রীদের থাকা, খাওয়া, বিমানভাড়াসহ আনুষঙ্গিক সব খরচ ধরেই হজ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

তিনি বলেন, প্যাকেজ-১ এর যাত্রীরা মসজিদুল হারাম চত্বরের সীমানা থেকে সর্বোচ্চ ৭০০ মিটারের মধ্যে, প্যাকেজ-২ এর যাত্রীরা দেড় হাজার মিটারের মধ্যে এবং প্যাকেজ-৩ এর যাত্রীরা মসজিদুল হারাম চত্বরের সীমানা থেকে দেড় হাজার মিটারের বেশি দূরত্বে অবস্থান করবেন। বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজ যাত্রীদের জন্য তিন লাখ ৫৭ হাজার টাকার প্যাকেজ রাখা হয়েছে।

সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ তিনটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হজ এজেন্সিগুলো একাধিক প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘বিমানের টিকেট বাবদ নেয়া অর্থ হজ এজেন্সি ব্যাংক থেকে ওঠাতে পারবে না। হজযাত্রীর সংখ্যা অনুযায়ী সরাসরি পে-অর্ডারের মাধ্যমে এয়ারলাইনসকে পরিশোধ করতে হবে এবং সৌদি আরবের বিভিন্ন সার্ভিস চার্জ ও পরিবহন বাবদ নেয়া অর্থ আইবিএএন (ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর) এর মাধ্যমে সৌদি আরবে পাঠানো ছাড়া এজেন্সি তা উত্তোলন করতে পারবে না।’

খন্দকার আনোয়ারু ইসলাম জানান, এবার শতভাগ হজযাত্রীর সৌদির আরবের প্রি-অ্যারাইভাল ইমিগ্রেশন ঢাকায় সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। প্রত্যেক হজ এজেন্সি কমপক্ষে ১০০ জন এবং সর্বোচ্চ ৩০০ জন হজযাত্রী পাঠাতে পারবে। প্রতি ৪৪ জন হজযাত্রীর জন্য একজন করে গাইড রাখতে হবে। কোরবানির অর্থ ইসলামী ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করতে সৌদি সরকার পরামর্শ দিয়েছে। এজন্য প্যাকেজ মূল্যের অতিরিক্ত ৫২৫ সৌদি রিয়ালের সমপরিমাণ অর্থাৎ ১২ হাজার ৭৫ টাকা সঙ্গে নিতে হবে।

বিমান বাংলাদেশ এবং সৌদিয়ার পাশাপাশি নাস এয়ালাইনসের মাধ্যমে এবার হজযাত্রী পরিবহন করা নিয়ে আলোচনা চলছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘বিমান ভাড়া এক লাখ ৩৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। গতবার একটা বিশেষ ছাড়ে দশ হাজার টাকা কমানো হয়েছিল। এবার সবগুলো হজ ফ্লাইট ডেডিকেটেড করতে আলোচনা চলছে।’