• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১৪ শ্রাবন ১৪২৮ ১৮ জিলহজ ১৪৪২

রংপুরে আইনজীবীকে জবাই করে হত্যা

খুনি আটক

সংবাদ :
  • লিয়াকত আলী বাদল, রংপুর

| ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২০

image

রংপুরে নিহত আইনজীবীর স্বজনদের আহাজারী -সংবাদ

রংপুর নগরীর তাজহাট ধর্মদাস বার আউলিয়া এলাকায় দিনের বেলায় সিনিয়র আইনজীবী আসাদুল হককে জবাই করে হত্যা করেছে দুবৃর্ত্তরা। এ ঘটনায় এলাকাবাসী রতন নামে এক যুবককে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল দুপুর দেড়টার দিকে। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের তাজহাট থানার ওসি রোকনুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, আসাদুল হক ওযু করছিলেন। এ সময় তার বাড়ির দেয়াল টপকে রতনের নেতৃত্বে কয়েকজন খুনি বাড়িতে প্রবেশ করে। তাকে প্রথমে ছোরা দিয়ে পেটে আঘাত করে। মাটিতে পড়ে গেলে জবাই করে। পালিয়ে যাবার সময় আশপাশের লোকজন রক্তাক্ত ছোরাসহ খুনি রতনকে আটক করে। অন্যরা এ সময় পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে তাজহাট থানার ওসি রোকনুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশ আসাদুল হকের লাশ উদ্ধার করে। খুনি রতনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। রতনের বাবার নাম জাফর মিয়া ড্রাইভার, বাড়ি একই এলাকায়। তবে এলাকাবাসী জানায়, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

তাজহাট থানার ওসি রোকনুজ্জামান জানান, খুনি রতনের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কি কারণে এ হত্যাকাণ্ড তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহত আইনজীবীর স্ত্রী সাহেদা বেগম ও কন্যা অন্তরা গ্রামের বাড়িতে যাওয়ায় তিনি একাকী বাসায় ছিলেন। এই সুযোগটাই নিয়েছে খুনিরা। খবর পেয়ে নিহত আইনজীবীর স্ত্রী, কন্যাসহ স্বজনরা বাসায় আসে। তারা খুনে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।

এলাকাবাসী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রকাশ্য দিনের বেলায় নৃশংসভাবে একজন আইনজীবীকে হত্যা করা হলো, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?

আইনজীবী আসাদুল হকের হত্যার খবর পেয়ে রংপুর আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবদুল মালেকসহ আইনজীবীরা তার বাসায় ছুটে যান। তারা বলেন, তিনি অত্যান্ত সৎ মানুষ ছিলেন। রোববার জরুরি সভা করে বৃহত্তর কর্মসূচি দেয়া হবে বলে জানান তারা।

তাজহাট থানার ওসি রোকনুজ্জামান জানান, থানা থেকে ঘটনাস্থলের দূরত্ব আধা কিলোমিটার। খুনিদের একজনকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কারা ছিল চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আসাদুল হককে ছোরা দিয়ে পেটে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপানো হয়েছে। তার পর জবাই করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন আছে।