• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ২৮ বৈশাখ ১৪২৮ ২৮ রমজান ১৪৪২

করোনা লক্ষণ ও বিস্তার রোধে করণীয় ডা. আয়শা আক্তার

    সংবাদ :
  • বাকিবিল্লাহ
  • | ঢাকা , বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২০

image

করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ মানুষের একটি সংক্রামক ব্যাধি। যা শ্বাসতন্ত্রীয় রোগ লক্ষণ সমষ্টি সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস-২ (সার্স কোভ-২) নামক এক ধরনের ভাইরাসের আক্রমণে হয়ে থাকে। গত ডিসেম্বর মাসে (২০১৯ সালে) প্রথমে চীনে এ রোগ শনাক্ত করা হয়। ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ব্যাধিটিকে একটি বৈশ্বিক মহামারী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টারের সহকারী পরিচালক ডা. আয়শা আক্তার এসব তথ্য জানিয়েছেন। যেভাবে করোনাভাইরাস ছড়ায়, এ রোগের লক্ষণ, বিস্তার রোধে গৃহীত পদক্ষেপ ও করণীয় নিয়ে নানা তথ্য দেন। তার দেয়া তথ্যগুলো তুলে ধরা হয়েছে।

লক্ষণ : এ ভাইরাস শরীরে ঢোকার পর সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিতে প্রায় ২ থেকে ১৪ দিন সময় লাগে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রথম লক্ষণ জ্বর হয়। এরপর শুকনো কাশি, গলায় ব্যথা হতে পারে। শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া দেখা দিতে পারে। অন্য অসুস্থতার মধ্যে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ, কিডনি সমস্যা, ক্যানসার রোগ থাকলে অরগ্যান ফেইলিওর বা দেহের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিকল হতে পারে।

যেভাবে করোনাভাইরাস ছড়ায় : আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি-হাঁচি দেয়ার ফলে বাতাসে নিক্ষিপ্ত বহু লক্ষ অতিক্ষুদ্র শ্লেষ্মাকণা বাতাসে ভাসতে শুরু করলে নিকটবর্তী অপর কোন ব্যক্তি সেই ভাইরাসে যুক্ত বাতাস শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করলে তার দেহেও ভাইরাসটি সংক্রমিত হতে পারে।

এ ছাড়াও ভাইরাস কণা অন্য কোন পৃষ্ঠে হাঁচি-কাশির মাধ্যমে কিংবা ভাইরাসযুক্ত হাত দিয়ে স্পর্শের মাধ্যমে পৃষ্ঠের উপাদান ভেদে কয়েক ঘণ্টা বা কয়েক দিন লেগে থাকতে পারে। সেই পৃষ্ঠ আরেকজন ব্যক্তি স্পর্শ করলে তারপর নাকে-মুখে বা চোখে হাত দিলে ওই ব্যক্তির শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির মধ্য দিয়ে ভাইরাস দেহে প্রবেশ করতে পারে।

করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে পদক্ষেপ : পরীক্ষণ, অন্তরণ (আইসোলেশন) সঙ্গনিরোধ (কোয়ারেন্টিন), অবরুদ্ধকরণ (লকডাউন), উপসর্গহীন নিরব সংক্রমণ বাহক অনুসন্ধান।

প্রতিরোধে করনীয় : ঘন ঘন সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়া অন্তত ২০ সেকেন্ড। অপরিষ্কার হাতে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করবেন না। ইতো মধ্যে আক্রান্ত এমন ব্যক্তিদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।

কাশি চিষ্টাচার মেনে চলুন। হাঁচি-কাশির সময় বাহু বা টিস্যু বা কাপড় দিয়ে নাক মুখ ঢেকে রাখুন। অসুস্থ্য পশু পাখির সংস্পর্শ পরিহার করুন। মাছ মাংস ভালোভাবে রান্না করে খাবেন। অসুস্থ্য হলে ঘরে থাকুন, বাইরে যাওয়া অত্যাবশ্যক হলে নাক, মুখ ঢাকার জন্য মাস্ক ব্যবহার করুন।