• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১১ শ্রাবন ১৪২৮ ১৫ জিলহজ ১৪৪২

ফ্লোরিডায় ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল

করোনা চিকিৎসায় কার্যকর ফল দিচ্ছে ‘আইভারমেক্টিন’

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০

image

করোনাভাইরাস নির্মূলে কার্যকর ফল দিচ্ছে ‘আইভারমেক্টিন’। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কয়েকটি হাসপাতালে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত গুরুতর রোগীদের মধ্যে ‘আইভারমেক্টিন’র ক্লিনিক্যাল ট্র্যায়ালে (পরীক্ষামূলক প্রয়োগ) দেখা গেছে, মৃত্যুর হার ৪০ শতাংশ কমেছে। এই ওষুধ প্রয়োগের তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই কিছু রোগী পুরোপুরি সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরছেন।

গত মার্চে বড় ধরনের একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে মোট ২৮০ জন করোনা রোগীর মধ্যে ১৭৩ জনকে ওই ড্রাগ (ওষধ) দিয়ে ফ্লোরিডার চারটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। ওই চিকিৎসা দলের নেতৃত্বে ছিলেন ব্রাউয়ার্ড হেলথ মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক ডা. জিন-জেক্স রাসথার ও তার স্ত্রী জুলিয়ান চেপেলুইজিক রাসথার।

মেডরিক্সসিভ.অর্গা নামক একটি ওয়েবসাইটে সম্প্রতি ‘দ্য আইভারমেক্টিন স্টাডি’ প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়েছে, ‘আইকন’ (আইভারমেক্টিন ইন কোভিড-১৯) স্টাডি অনুযায়ী কিছু রোগী এক ডোজ এবং কিছু রোগীকে এক সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হয়েছিল। এই ওষুধ প্রয়োগে রোগীদের মৃত্যুর হার ৪০ ভাগ কমেছে।

ওই মেডিকেল বোর্ডের জরুরি চিকিৎসক পিটার হিবার্ড বলেছেন, ‘এই ওষুধ খুবই বিস্ময়কর এবং এটি কোভিড-১৯ এর অসুস্থতা থেকে রোগীকে ফিরিয়ে আনছে। এটাই হতে একমাত্র কার্যকর ওষুধ যা গুরুতর কোডিভ-১৯ রোগীদের মৃত্যুর ঝুঁকি কমিয়ে আনছে।’

মেডরিক্সসিভ.অর্গা’র তথ্যানুযায়ী, চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, আইভারমেক্টিন রোগীর দেহে একটি প্রোটিনকে ব্লক করে দেয়, যেটি ভাইরাসের উৎপাদন থামিয়ে দেয়।

বিশ্বব্যাপী সাধারণত ‘আইভারমেক্টিন’ ওষুধ প্রয়োগ হচ্ছে স্কেবিজ (খোস-পাঁচড়া), লাইস (উকুন) ও প্যারাসিটিক ডিজিস (জীবাণুঘটিত রোগ) এর ক্ষেত্রে।

ডা. পিটার হিবার্ড বলেছেন, ‘রোগীর চিকিৎসায় আইভারমেক্টিন এর একটি দীর্ঘ নিরাপদ রেকর্ড রয়েছে। বিশ্বব্যাপী ৩০ বছর ধরে লাখ লাখ মানুষের মধ্যে এই ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মেডিকেল সেন্টার ইতোমধ্যে কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় আইভারমেক্টিন তালিকাভুক্ত করেছে।’

এছাড়াও বলিভিয়া, পেরু, ভারতসহ আরও কয়েকটি দেশে এই ওষুধ করোনা রোগীদের প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে মেডরিক্সসিভ.অর্গা’র ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে। এক ডজনের বেশি পরীক্ষামূলক প্রয়োগের পর এখন মিশর, ইরাক, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, মেক্সিকো এবং অস্ট্রেলিয়ায় এই ওষুধের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চলছে।

অস্ট্রেলিয়ার রয়্যাল মেলবোর্ন ইউনিভার্সিটি এবং মোনাশ ইউনিভার্সিটি ইন ভিক্টোরিয়ায় গবেষণায় দেখা গেছে, ‘আইভারমেক্টিন প্রয়োগে টেস্ট টিউব থেকে ভাইরাস নির্মূল হচ্ছে।