• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১১ শ্রাবন ১৪২৮ ১৫ জিলহজ ১৪৪২

এমপি পাপুলের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি টিআইবির

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২০

কুয়েতে মানবপাচার অভিযোগে আটক লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম পাপুলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া দাবি জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলছে, মানবপাচার ও অর্থপাচারের মতো আন্তর্জাতিক অপরাধ ও দুর্নীতির ঘটনায় সংসদ সদস্যের অভিযুক্ত হওয়াকে বাংলাদেশের রাজনীতি ও জনপ্রতিনিধিত্বে দুর্বৃত্তায়নের একটি অসম্মানজনক দৃষ্টান্ত। গতকাল এক বিবৃতিতে সংস্থাটি এ দাবি জানিয়েছে।

বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলছেন, মানবপাচারের মতো গুরুতর অভিযোগ নিয়ে কুয়েতের সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তথাকথিত তদন্তের পর অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে লিখিত প্রতিবেদন দিয়েছেন, যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। আর আমাদের দেশের সরকার ও দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাতেই আশ্বস্ত থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেছেন। জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকেও কোন উদ্যোগের কথা জানা যায়নি। এমনকি সম্প্রতি ওই সংসদ সদস্যকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গ্রেফতার ও তার সম্পদ বাজেয়াপ্তের পদক্ষেপের সংবাদ প্রকাশের পরও সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রী একাধিকবার জানিয়েছেন, কুয়েত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না জানালে তাদের কিছু করার নেই। দেশের সুনাম আর হাজার হাজার প্রবাসী শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ভবিষ্যৎ যেখানে জড়িয়ে আছে, সেখানে সরকারের এ ধরনের উদাসীনতা একই সঙ্গে লজ্জার ও আশঙ্কার।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, অতীতে কোন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত না থেকেই ক্ষমতাসীন দলের প্রত্যক্ষ সমর্থন নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হন অভিযুক্ত সংসদ সদস্য। এরপর একরকম অভূতপূর্বভাবে তার স্ত্রীও সংরক্ষিত মহিলা আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আসেন। কোন প্রক্রিয়ায় বা বিনিময়ে এই দম্পতি দলীয় সমর্থন বা মনোনয়ন পেলেন তা দায়িত্বশীলরা খতিয়ে দেখবেন বলে আমরা আশা করি।

দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে প্রবাসী শ্রমিকদের রক্ত পানি করে অর্জিত রেমিট্যান্সের গুরুত্বের কথা সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করে তিনি বলেন, এই প্রবাসী শ্রমিকদের অবদানকে বিবেচনায় নিয়ে, দেশ ও জাতির প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে সরকার কঠোর অবস্থান নেবেন, স্পিকারের উদ্যোগে অন্তত খতিয়ে দেখা হবে এই ঘটনা সংসদের জন্য কতটুকু অবমাননাকর, আর এর প্রতিকারই বা কী এমনটাই আশা করে টিআইবি।