• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ৪ আষাড় ১৪২৮ ৬ জিলকদ ১৪৪২

১২ জেলায় করোনা শনাক্ত ১১৪

| ঢাকা , রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২০

দক্ষিণাঞ্চলের ৬ জেলায় ৮৯

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলে করেনাভাইরাসে আরও ১২ জন আক্রান্ত হবার ফলে এই অঞ্চলে করোনা রোগীর সংখ্যা ৮৯ পর্যন্ত উঠেছে। মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের । ইতোমধ্যে শের এ বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ৩ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। অপরদিকে এতদিন ভোলা জেলায় করোনার কোন রোগী না থাকলেও নতুন এই জেলাতেও দু’জন আক্রান্ত হবার মধ্যে দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের ৬টি জেলায়ই এই ভাইরাসবাহী রোগের কবলে পরল। দ্বীপ জেলা ভোলার বোরহান উদ্দিন ও বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজিলা মনপুরায় দু’জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। বরিশাল শের এ বাংলা মেডিকেল কলেজে স্থাপিত পিসিআর মেশিনটি সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত হবার ফলে এখন প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১শ’ রোগীর রক্তের নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে। শুক্রবার পর্যন্ত এখানে প্রায় ৭শ’ নমুনা পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে। গত শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে নতুন ১২ জন শনাক্ত রোগীর মধ্যে পটুয়াখালী জেলারই ৬ জন। ফলে ওই জেলাটিতে এ পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১৯। গত শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত বরিশালে ১ জন ছাড়াও ভোলাতে ২ ও বরগুনাতে ৩ জন নতুন করে আক্রান্ত হবার খবর দিয়েছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর। এর ফলে বরিশাল জেলায় মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪ জনে। এরপরেই ছোট জেলা বরগুনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২৩, ঝালকাঠিতে ৬ এবং পিরোজপুরে আক্রান্ত হয়েছে ৫ জন। মৃত ৪ জনের মধ্যে বরিশালের মুলাদী ও পটুয়াখালীর দুমকিতে ১ জন করে এবং বরগুনার আমতলী ও বেতাগীতে আরও একজন করে রয়েছে। আইসোলেশনে আছে ৭২ জন। যার মধ্যে শের এ বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে ১৬ জন। অপরদিকে শুক্রবার দুপুরের পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় নতুন ২২৭ জন সহ দক্ষিণাঞ্চলের ৬টি জেলায় হোম কোয়ারেন্টিনে ছিল ৭ হাজার ৮০৩ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৪০ জন সহ কোয়ারেন্টিন মুক্ত হয়েছে ৪ হাজার ৫৯৬ জন।

কক্সবাজার একদিনে ৭

প্রতিনিধি, কক্সবাজার

কক্সবাজার শহর, মহেশখালী ও টেকনাফে একইদিনে আরও ৭ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ জনে। কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবর রহমান জানিয়েছেন, গত শুক্রবার কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থাপিত ল্যাবে সন্দেহভাজন ১০১ জনের সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে ৭ জনের পজিটিভ এবং ৯৪ জনের করোনার নেগেটিভ ফলাফল এসেছে। মাহবুবর রহমান বলেন, নতুন করে আক্রান্ত এ রোগীদের মধ্যে একজন কক্সবাজার শহরের রুমালিয়ারছড়ার বাসিন্দা। তিনি গত ২০ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ থেকে এসে বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এছাড়া করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত আরেকজন টেকনাফ উপজিলার সদর ইউনিয়নের মিঠাপানির ছড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি গত এক সপ্তাহ আগে ঢাকা থেকে টেকনাফের বাড়িতে এসে অবস্থান করছিলেন। অন্যদিকে মহেশখালী উপজিলার কালারমারছড়া এলাকার ৪ জন হোয়ানক ইউনিয়নের ১ জসসহ মোট ৫ জন নমুনা পরীক্ষায় পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছে।

হবিগঞ্জে চিকিৎসকসহ আরও ৫

প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ

হবিগঞ্জে একজন চিকিৎসক ও শিশুসহ আরও ৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় তাদের আক্রান্ত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত হয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। আক্রান্তদের মাঝে চুনারুঘাটে একজন চিকিৎসকসহ ৪ জন এবং লাখাইয়ে ১ জন রয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ১ জন মহিলা এবং অপর ৪ জন পুরুষ। চুনারুঘাটে ৪ জনের মধ্যে উপজিলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও ১ জন চিকিৎসক, ১ জন স্বাস্থ্য সহকারী, চা শ্রমিক ও তার শিশু পুত্র। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২৬ জন। হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জ্বল আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন- তাদের আজ শনিবার আইসোলেশনে আনা হবে। তাদের মধ্যে একজন চুনারুঘাট উপজিলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক রয়েছেন। এর আগে জেলায় আরও ২১ জন করোনা আক্রান্ত ছিলেন। এ নিয়ে মোট ২৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

কিশোরগঞ্জে নতুন ১

জেলা বার্তা পরিবেশক, কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জে শুক্রবার ঢাকা থেকে পাঠানো রিপোর্টে মাত্র একজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, ৯৪টি নমুনা পরীক্ষার পর ভৈরবে একজনের আক্রান্ত হওয়ার খবর জানা গেছে। এতদিন কিশোরগঞ্জে প্রতিদিন গড়ে ১০ জনের মতো রোগী শনাক্ত হলেও শুক্রবার মাত্র একজনের শনাক্ত হওয়ার খবর এলো।

কুড়িগ্রামে ১ যুবক

প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রামে শুক্রবার কোভিড-১৯ এর ৩১টি নমুনার ফলাফল এসেছে কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে। এরমধ্যে নতুন চিলমারী উপজিলায় এক যুবক আক্রান্ত হয়েছে এবং বাকি ৩০টি নমুনা নেগেটিভ। আক্রান্ত যুবকের বাড়ি উপজিলার থানাহাট ইউনিয়নের মাঁচাবান্দা গ্রামে। এই নিয়ে জেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৬ জনে। সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমান জানান, নারায়ণগঞ্জ ফেরত ৩০ বছরের এক যুবকের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। গত ১৯ এপ্রিল আক্রান্ত যুবকের নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। আজ ২৪ এপ্রিল ওই যুবকের নমুনার পজিটিভ ফলাফল আসে।

সদরপুরে নারায়নয়গঞ্জ ফেরত ১

প্রতিনিধি, সদরপুর (ফরিদপুর)

ফরিদপুরের সদরপুরে একজনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। জানা যায় সদরপুরের হাপানিয়া গ্রামের তৈয়ব নামের এক ব্যক্তি ঢাকার নারায়ণগঞ্জে চাকরি করে, গতকাল সে তার গ্রামের বাড়িতে আসে এতে তার প্রতিবেশীরা তাকে সন্দেহ করায় খবর প্রশাসনের কাছে চলে আসে। পরে পরীক্ষা করলে তার শরীরে ভাইরাস শনাক্ত হলে, প্রশাসন তার পরিবারসহ সারা পারা লকডাউন করে দেয়। ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. সিদ্দিকুর রহমান এ খবর নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ভাংগায় ২ জন চরভদ্রাসনের ১ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ লুৎফর রহমান জানান, খবর পেয়ে ওই বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সদরপুর উপজিলার নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের মাধ্যমে খবর পেয়ে উপজিলার প্রশাসন, পুলিশ ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি দল ওই বাড়ি পরিদর্শন করে বাড়ির অন্য সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা হয়েছে।

ঘিওরে আরোও ১

প্রতিনিধি, মানিকগঞ্জ

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজিলার বানিয়াজুরি ইউনিয়নের শোলধারা গ্রামে গত শুক্রবার একজন কোরানাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। তার নাম মো. জাহিদ হাসান (৩৫)। সে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করতেন। তাকে বাড়িতেই আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এলাকা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ এপ্রিল সে নারায়ণগঞ্জ থেকে শোলধারা গ্রামের বাড়িতে আসে। তার ভেতরে করোনাভাইরাসের কোন উপসর্গ না থাকার পরেও আশপাশের লোকের সন্দেহ নিরাশার জন্য সে গত বৃহস্পতিবার নিজে বাইসাইকেল চালিয়ে এসে ঘিওর উপজিলা ৫০ শয্যার হাসপাতালে নমুনা দিয়ে যায়। গত শুক্রবার পরীক্ষার ফল এলে জানা যায় সে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। পরে ঘিওর উপজিলা নির্বাহী অফিসার আইরিন আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিবালয় সার্কেল) তানিয়া সুলতানা, ঘিওর থানা অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আশরাফুল আলমসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে বাড়িটি লকডাউন ঘোষণা করেন।

ভাণ্ডারিয়ায় আরও দুই তরুণ

প্রতিনিধি, ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর)

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজিলার মাটিভাংগা ও চড়াইল গ্রামে আরও দুই রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে এ উপজিলায় মোট ৪ জন কোভিট-১৯ এ আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হল। উপজিলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা. এইচ এম জহিরুল ইসলাম গত শুক্রবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আক্রান্ত দু’জনই তরুণ। একজনের বয়স ১৮ বছর এবং অন্যজনের ২৫ বছর এর মধ্যে একজন ঢাকার গাজীপুর থেকে এসেছেন। উপজিলা প্রশাসন, থানা পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগের একটি যৌথ টিম শুক্রবার গভীররাতে ওই বাড়ি দুটোকে লকডাউন ঘোষণা করেছে। উপজিলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. এইচ এম জহিরুল ইসলাম জানান, আক্রান্ত দুই তরুণ বর্তমানে নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টিনে আছে। তবে তার শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিলে তাদের হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হবে এবং ওই বাড়ি দুটিকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

পাথরঘাটায় ২

প্রতিনিধি, পাথরঘাটা (বরগুনা)

বরগুনার পাথরঘাটায় দুইজনের শরীরে করোনাভাইরাস পজিটিভ এসেছে। এর মধ্যে একজন পাথরঘাটা আইসোলেশনে, অপরজন বরগুনায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের দুইজনই বরগুনার পাথরঘাটা উপজিলার কালমেঘা ইউনিয়নের মধ্যকালমেঘা ও ঘুটাবাছা গ্রামের বাসিন্দা। পাথরঘাটা উপজিলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, ঘুটাবাছা গ্রামের বাসিন্দা নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা একজনকে পাথরঘাটা কে.এম. মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখার পর গত শুক্রবার সকালে পাথরঘাটা উপজিলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে নিয়ে আসা হয়েছে। অপরজন, মধ্যকালমেঘা গ্রামের বাসিন্দা। সে বরগুনা থাকায় তার নমুনা পজিটিভ হওয়ায় সেখানেই রয়েছে। জানা যায়, দু’জনের মধ্যে ঘুটাবাছা গ্রামের বাসিন্দা নারায়ণগঞ্জ থেকে ১৭ এপ্রিল গ্রামে আসে। খবর পেয়ে উপজিলা প্রশাসনের নির্দেশে পুলিশ তাকে বাড়ি থেকে এনে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখার পরে গত মঙ্গলবার নমুনা পাঠানো হলে গত বৃহস্পতিবার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

ছাতকে ২

প্রতিনিধি, ছাতক (সুনামগঞ্জ)

ছাতকে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আরও ১ জনসহ মোট ২ জন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এ পর্যন্ত এখানে ৩৪ জনের মধ্যে ২ জনের রিপোর্ট পজিটিভ পাওয়া গেছে। তারা শহরের ভাড়াটে বাসিন্দা। গত শুক্রবার প্রাপ্ত রিপোর্টে আক্রান্ত ব্যক্তি মণ্ডলীভোগ-ছোরাবনগর এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। প্রায় দু’সপ্তাহ আগে সে কোম্পানীগঞ্জের একটি ক্রাসার মিলে কাজ করে বাসায় ফিরে। আক্রান্ত ব্যক্তির আশপাশ এলাকা লকডাউন করে দেয়া হয়েছে। এর আগে শহরের আকিজ প্লাস্টিক কারখানার এক নিরাপত্তা কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়। গত বৃহস্পতিবার সকালে তাকে সিলেটের শহীদ সামছুদ্দিন হাসপাতালের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। উপজিলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. রাজীব চক্রবর্ত্তী জানান, এ পর্যন্ত প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী ২ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে।

সিরাজগঞ্জে বাবা-ছেলে

জেলা বার্তা পরিবেশক, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে পিতা-পুত্রের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তবে শনাক্ত হওয়ার পর ‘তারা বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন’ বলে খবর পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় তাদের নমুনার পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে বলেছেন ইউএনও। কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান সিদ্দিকী জানান, ২২ এপ্রিল সর্দি-জ্বর নিয়ে ওই পিতা-পুত্র জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। চিকিৎসকদের সন্দেহ হলে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় চিকিৎসকরা। আক্রান্তদের বাড়ি কাজিপুর উপজেলার মনসুর নগর ইউনিয়নের মাজনাবাড়ি গ্রামে। পেশায় মুদি দোকানি বাবার বয়স ৬৪ এবং ফার্মেসি ব্যবসায়ী ছেলে বয়স ৩৫ বছর।

চৌগাছায় অন্তঃসত্ত্বা নারী

প্রতিনিধি, চৌগাছা (যশোর)

যশোরেরর চৌগাছায় নতুন করে এক গর্ভবতী নারী (২৮) করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। তিনি উপজেলার পাশাপোল ইউনিয়নের বানুড়হুদা গ্রামের বাসিন্দা। এদিকে করোনা সন্দেহে নমুনা পাঠানোর পরই ওই নারী হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গেছেন। শনিবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত বুধবার চৌগাছা উপজিলায় দু’জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার বলেন গত বৃহস্পতিবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে করোনা সন্দেহে তিনজনের নমুনা পাঠানো হয়। ওই নমুনা যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে শুক্রবার পরীক্ষা করা হয়।

সেখান থেকে উপজেলার পাশাপোল ইউনিয়নের বানুড়হুদা গ্রামের ওই নারী করোনা রোগী হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। তিনি বলেন ২২ এপ্রিল ওই নারী হাসপাতালের প্রসূতী বিভাগে ভর্তি হয়। গর্ভবতী ওই নারীর সর্দি-কাশি, গলাব্যথা থাকায় তার নমুনা সংগ্রহ করে ২৩ এপ্রিল পাঠানো হয়। তিনি আরও বলেন করোনা ভাইরাসের নমুনা পাঠানোর পরপরই ওই রোগী হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গেছে।

হাসপাতাল থেকে পালিয়ে সিরাজগঞ্জে পুলিশ সদস্য

জেলা বার্তা পরিবেশক, সিরাজগঞ্জ

করোনাভাইরাস পজিটিভ হওয়ার পর রাকিবুল ইসলাম নামে এক পুলিশ সদস্য ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স হাসপাতাল থেকে পালিয়ে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় নিজবাড়িতে আসেন। পরে পুলিশের সহযোগিতায় স্বজনরা তাকে উপজেলা হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করেছেন।

পুলিশ সদস্য রাকিবুল সলঙ্গা থানার সলঙ্গা ইউনিয়নের জগজীবনপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ঢাকার এপিবিএন-১২ তে কর্মরত ছিলেন। উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আনোয়ার হোসেন বলেন, গত ২১ এপ্রিল পুলিশ সদস্য রাকিবুলের শরীরে করোনা পজিটিভ হওয়ায় তাকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে মামার বাড়ি উল্লাপাড়ার রামকৃষ্ণপুর এলাকায় যান। সেখানে তার পরিবারের লোকজন পুলিশের সহযোগিতার রাতেই তাকে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। বর্তমানে তাকে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।