• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৮ ২০ জিলহজ ১৪৪২

হরিরামপুর-কাণ্ডাপাড়া সড়ক সংস্কার নেই দীর্ঘদিন : দুর্ভোগ

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, মানিকগঞ্জ

| ঢাকা , সোমবার, ০৭ জুন ২০২১

image

মানিকগঞ্জ : এভাবেই ধসে পড়েছে হরিরামপুর-কাণ্ডাপাড়া সেতুর সংযোগ সড়ক -সংবাদ

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার গালা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বেড়ি গ্রামে কান্তাবতী নদীর ওপর নির্মিত ব্রিজের সংযোগ সড়ক ধসে গেছে দীর্ঘদিন আগে। তাছাড়া মাত্র ২০০ ফিট রাস্তা দীর্ঘ নয় বছর যাবত সংস্কার নেই। বিভিন্নস্থানে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দের। এতে এলাকার হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, হরিরামপুর উপজেলার শেষ সীমানা গালা ইউনিয়নের বেড়ি গ্রামে কান্তাবতী নদীর ওপর প্রায় ১৮ বছর আগে হরিরামপুর ও শিবালয় সংযোগ সেতু নির্মিত হয়। সেতুর দ’ুপাশের প্রায় ২০০ ফিট ইট সলিন সরে গিয়ে গর্তে ভরে গেছে। হরিরামপুর উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী শিবালয় উপজেলার শিমুলিয়া ইউনিয়নের ফেচুয়াধারা, পাড়াগ্রাম, কাছিধারা, ঈশাখাঁবাদ, কোঠাধারা ও পাড়াগ্রামসহ সাত-আটটি গ্রামের কয়েক হাজার লোকজনসহ রিক্সা-ভ্যান, মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল চলাচল করে। এছাড়াও এই এলাকা থেকে ঝিটকা খাজা রহমত আলী ডিগ্রী কলেজ, ঝিটকা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ঝিটকা আনন্দ মোহন উচ্চ বিদ্যালয় ও কৌড়ি এম এ রউফ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে প্রায় সহস্রাধিক ছাত্রছাত্রী যাতায়াত করে। হরিরামপুর উপজেলার সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক কেন্দ্র ঝিটকা বাজারে কৃষিপণ্য পরিবহনের একমাত্র রাস্তা এটি।

মৌসুমের সময় এ রাস্তা দিয়ে পার্শ্ববর্তী শিবালয় উপজেলা থেকেই প্রতিদিন ১০০-২০০ মন কাঁচা মরিচ ও ১০০ মনেরও বেশি পেঁয়াজ ঝিটকা বাজারে নিয়ে আসে কৃষকেরা। এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, যাতায়াত ও কৃষিপণ্য পরিবহনে জনগুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তাটি সংস্কারের ব্যাপারে একাধিকবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও প্রশাসনকে অবগত করা হলেও অদ্যবধি কোন সুফল মেলেনি।

বর্তমানে রাস্তাটির প্রায় ২০০ ফিট অংশের এক পাশে গাইডওয়াল নির্মাণ, মাটি ভরাট এবং হেরিং বোন বন্ড (এইচবিবি) করা প্রয়োজন বলে এলাকাবাসী জোর দাবি জানান। গালা ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আব্দুল আজিজ খান বলেন, রাস্তাটিতে আমরা এলাকাবাসী বাঁশের বেড়া দিয়ে মাটি ফেলে কোনরকম চলাচল করছি। এ রাস্তা দিয়ে কৃষিপণ্য পরিবহনে লোকজনকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এখন অন্তত রাস্তার একপাশে গাইড ওয়াল নির্মাণ করে মাটি ভরাট এবং রাস্তায় এইচবিবি করা হলে মানুষের ভোগান্তি লাঘব হবে। গালা ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিক বিশ্বাস বলেন, ওই রাস্তা মেরামতের যে পরিমাণ বাজেট দরকার তা পরিষদ থেকে করার সুযোগ নেই। তবে, এই রাস্তার অনেকটাই ভাঙা ছিল, পরিষদ থেকে কয়েকবারে সংস্কার করা হয়েছে। আশা করি বাকি কাজটুকুও হয়ে যাবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মানিকুজ্জামান বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ওই রাস্তার ব্যাপারে আমাকে কখনও জানানো হয়নি বা মেরামতের জন্য কোন আবেদনও করা হয়নি। আপনাদের মাধ্যমেই জানলাম।

যত দ্রুত সম্ভব রাস্তাটি পরিদর্শন করে সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।