• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ০৫ আগস্ট ২০২১, ২১ শ্রাবণ ১৪২৮ ২৫ জিলহজ ১৪৪২

সিরিয়াল ধর্ষক শিক্ষক : আতঙ্কে ছাত্রীরা

সংবাদ :
  • জেলা বার্তা পরিবেশক, নীলফামারী

| ঢাকা , রোববার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খগাখড়িবাড়ী দ্বিমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুস সোবহানের যৌন লালসার শিকার একাধিক ছাত্রী। এ শিক্ষকের কাছে সম্ভ্রম হারানোর আশঙ্কায় আতঙ্কিত সাধারণ ছাত্রীরা। তারা শিক্ষকের শাস্তির দাবি জানিয়ে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে।

জানা গেছে, সহকারী শিক্ষক আব্দুস সোবহান প্রথম স্ত্রী সন্তান রেখে গৃহপরিচারিকাসহ নিজ বিদ্যালয়ের গরিব ছাত্রীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেয়ার নামে গড়ে তুলেন দৈহিক সম্পর্ক। এভাবে বিদ্যালয়ের তিনজন ছাত্রীর সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী অনৈতিক সম্পর্কের জেরে তারা হয়ে পড়ে অন্তঃসত্ত্বা। এ অভিযোগ থেকে বাঁচতে লোক দেখানো বিয়ে করে শাক দিয়ে মাছ ঢাকানোর চেষ্টা করেন।

এভাবে বিদ্যালয়ের সপ্তম, নবম শ্রেণির ২ ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলেন। দীর্ঘদিনের দৈহিক সম্পর্কের কারণে তারা সকলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুস সোবহান মঠোফোনে বলেন, মিথ্যা ও ভুয়া তথ্য দিয়ে কে বা কারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।

খগাখড়িবাড়ী দ্বিমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমীর আলী কাছে জানতে চাইলে তিনি ব্যস্ততার কথা বলে ফোন কেটে দেন।

এ ব্যাপারে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়শ্রী রানী রায় বলেন, ছাত্রীদের অভিযোগটি তদন্তের জন্য পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, একজন শিক্ষক হবে আদর্শবান। শিক্ষক এবং ছাত্রীর সম্পর্ক হবে পিতা ও মেয়ে মতো। বিদ্যালয় নিরাপদ না হলে ছাত্রীদের পড়ালেখা বাধাগ্রস্ত হবে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।