• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ২৬ বৈশাখ ১৪২৮ ২৬ রমজান ১৪৪২

শেরপুরে ৩ মাসে লক্ষ্যের অর্ধেক ধান-চাল সংগ্রাহ

সংবাদ :
  • সাইফুল বারী ডাবলু, শেরপুর (বগুড়া)

| ঢাকা , শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২০

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় ২টি সরকারি খাদ্যগুদামে ধান চাউল ক্রয়ে ধীরগতির কারণে সময়মতো লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। গত ২৮ নবেম্বর ২০১৯ শেরপুরে ধান চাল ক্রয়ের উদ্বোধন করা হয়। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধান চাল ক্রয় করা হবে। এদিকে ধান চাল ক্রয়ের সময় বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে।

শেরপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিস সূত্রে জানা যায় ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে প্রতিকেজি ৩৬ টাকা মূল্যে আমন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৪ হাজার ৯৯৩ মে.টন। সেখানে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বুধবার পর্যন্ত ২ হাজার ৯১৭ মে.টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। আতপ চাল ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৩১৫ মে.টন সেখানে ১৯ ফেব্রুয়ারি বুধবার পর্যন্ত অর্জিত হয়েছে মাত্র ১১ মে.টন। অপরদিকে কৃষকদের নিকট থেকে প্রতিকেজি ২৬ টাকা মূল্যে সরাসরি আমন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ২ হাজার ৬২৭ মে.টন, সেখানে ১৯ ফেব্রুয়ারি বুধবার পর্যন্ত অর্জিত হয়েছে ২ হাজার ৩১৩ মে.টন। চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হতে আরও ২ হাজার ৩৮৪ মে.টন চাল সংগ্রহ বাকি রয়েছে অথচ সময় আছে মাত্র ৯ দিন।

চাল সংগ্রহের ধীরগতির কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে শেরপুর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আতিকুল ইসলাম জানান, বাজারে ধানের দাম বেড়ে যাওয়ায় চুক্তিবদ্ধ মিলাররা সরকারি খাদ্যগুদামে চাল দিতে কিছুটা গরিমসি করায় চাল সংগ্রহে বিলম্ব হয়েছে। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেকেন্দার রবিউল ইসলাম জানান ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মৌখিক নির্দেশে সপ্তাহ খানেক চাল ক্রয় বন্ধ রেখে কৃষকদের নিকট থেকে সরাসরি আমন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। যে কারণে চাল সংগ্রহে কিছুটা বিলম্ব হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। এদিকে শেরপুর উপজেলা সেমি অটো রাইস মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম চাল সংগ্রহের নির্ধারিত সময় কিছুটা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।