• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ০২ আগস্ট ২০২১, ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮ ২২ জিলহজ ১৪৪২

মঠবাড়িয়ায় রায় না মেনে জমি দখল শিক্ষকের

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর)

| ঢাকা , রোববার, ০৭ জুলাই ২০১৯

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় স্কুল শিক্ষকের বিরোধীয় জমিতে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে রাতের আঁধারে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ঘর উওোলন করে জমি জবর দখলের অভিযোগ উঠেছে । অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের বড় শিঙ্গা গ্রামের অবসর প্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক শাহা আলম গংদের টিকিকাটা মৌজার এস.এ ৩১৮ নং খতিয়ানের ৪৯০ দাগে ভোগ দখলে থাকা ২ একর ৭৩ শতাংশ কৃষি জমি নিয়ে একই এলাকার মৃত হাকিম বয়াতির ছেলে শহিদুল বয়াতির দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল । এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে শালিস বৈঠক হলেও কোন নিষ্পত্তি না হওয়ায় ভুক্তভোগী স্কুল শিক্ষক মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনে একটি সিভিল দেওয়ানি আপীল মামলা করেন। ওই মামলায় হাইকোর্ট ডিভিশনের মহামান্য বিপারপতি এ.কে.এম জহিরুল হক গত ৬ মার্চ ২০১৯ তারিখে নিম্ন আদালতের সকল কার্যক্রম স্থগিত করে পক্ষদ্বয়কে বিরোধীয় জমিতে কোন শ্রেণী পরিবর্তন না করে ছয় মাসের স্থিতিবস্থার আদেশ দেন ।

কিন্তু প্রতিপক্ষ শহিদুল বয়াতি আদালতের আদেশ অমান্য করে বিরোধী জমিতে নালা পুকুর খনন করে ঘর উত্তোলন করেন। এ বিষয়ে স্কুল শিক্ষক শাহা আলম জানান, মঠবাড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসান মোস্তফা স্বপন এর কাছে তিনি লিখিত অভিযোগ দেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কোন আইনগত ব্যবস্থা না নেয়ায় পিরোজপুর-৩ মঠবাড়িয়া আসনের সংসদ সদস্য ডা. রুস্তুম আলী ফরাজী নিকট অভিযোগ দিলে সাংসদ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিপক্ষের কাজ বন্ধ করে দিলেও গত সোমবার রাতের আঁধারে ঘর উত্তোলন করে। শহিদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান,ওই জমি আমি ক্রয়সূত্রে মালিক। জমি নিয়ে আদালতে দেওয়ানি মামলায় আমি রায় পেয়েছি। পরে শাহা আলম মাস্টার রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপীল করলে জমিতে স্থিতিবস্থার আদেশ হয়। আমি আমার জমিতে ঘর উত্তোলন ও পুকুর কেটেছি জবর দখল করিনি। এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আব্দুল্লাহ জানান, দুই পক্ষের বিরোধীয় জমিতে হাইকোর্ট স্থিতিবস্থা জারি করার পর একপক্ষ সেখানে দখলের চেষ্টা করে। স্কুল শিক্ষক অভিযোগ দিলে পুলিশ পাঠিয়ে দখলের চেষ্টায় বন্ধ করে দেয়া হয়। হাইকোর্টের আদেশ মানতে হবে। কেউ না মানলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।