• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ৪ আষাড় ১৪২৮ ৬ জিলকদ ১৪৪২

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ভিড় করে ফেরি পারাপার!

করোনা ঝুঁকির আশঙ্কা, নীরব প্রশাসন

সংবাদ :
  • শেখ রাজীব, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)

| ঢাকা , রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২০

image

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) : নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে এভাবেই ভিড় করে চলছে ফেরিতে পারাপার -সংবাদ

করোনার ভয়াবহতা ধীরে ধীরে যেন অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে, এ দেশেও মৃত্যুর মিছিলে রুপ নিচ্ছে। সারাবিশে^ মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বার বার নির্দেশনা দেয়ার পরও এ বিষয়ে নূন্যতম সচেতনতা নেই দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথ দিয়ে চলাচলকারী যাত্রীদের। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে প্রতিটি মানুষকে অন্তত তিন ফুট দূরত্বে থাকতে বলা হলেও দৌলতদিয়া নৌ-পথে পারাপার হওয়া যাত্রীরা তিন ইঞ্চিও মানছে না। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-পথে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে ঠাসাঠাসি-গাদাগাদি করে ফেরি পারাপার হাজারও মানুষ। অভিযোগ রয়েছে দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশের সামনে ফেরিতে পারাপার হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। ঘাট সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সারাদেশে লকডাউন চলছে। এতে করে অ্যাম্বুলেন্স ও পণ্যবাহী ট্রাকসহ জরুরী যানবাহন পারাপারের জন্য দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-পথে ১৬টি ফেরির মধ্যে ৫টি ফেরি চালু রেখে সীমিত আকারে সচল রাখা হয়। কিন্তু ফেরি চলাচল চালু থাকার সুযোগে বিভিন্ন সময় জরুরী যানবাহনের চেয়ে সাধারণ মানুষ সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি না মেনে গাদাগাদি করে নদী পারাপার হচ্ছে। এতে সরকারের বর্তমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় সারাদেশে যে লকডাউন চলছে তা ব্যাহত হয়। ঘাটে গিয়ে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা সাতক্ষীরাগামী যাত্রী কমল বিশ^াস জানান, আমি নারায়ণগঞ্জের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করি করোনা আতঙ্ক মাথায় নিয়ে মায়ের মৃত্যুর কারণে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে পরিবারের সকলকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে যেতে হচ্ছে। গন-পরিবহন বন্ধ থাকায় নারায়ণগঞ্জ থেকে এ্যাম্বুলেন্স করে পাটুরিয়া ফেরি ঘাটে আসি সেখান থেকে ফেরিতে দৌলতদিয়া ঘাটে এসে পৌঁছাই। ঢাকা-মিরপুর থেকে আসা যশোরগামী যাত্রী আরিফুল ইসলাম জানান, আমি ঢাকার একটি সিএনজি গ্যারেজে কাজ করি প্রায় ৬ মাস হলো বাড়ি থেকে ঢাকায় এসেছি করোনা সংক্রমণের আতঙ্কে এতদিন ঢাকায় অবস্থান করেছি।