• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ৪ আষাড় ১৪২৮ ৬ জিলকদ ১৪৪২

দুই জেলায় করোনা উপসর্গে মৃত্যু ৩

| ঢাকা , রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২০

সাতক্ষীরা

প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ঢাকা ফেরত হোম কোয়ারেন্টিনে করোনা উপসর্গ নিয়ে থাকা এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গত শনিবার ভোরে তিনি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে মারা যান। এ ঘটনায় স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী তাকে জানাজা দেয়া ও ৬ বাড়ি লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে উপজিলা প্রশাসন। সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজিলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য এস এম আব্দুর রব জানান, ঢাকায় একটি কোম্পানিতে চাকরি করতেন ওই যুবক। গত এক সপ্তাহ আগে তিনি তার স্ত্রী ও বন্ধুসহ ৫ সদস্য নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সযোগে গ্রামে ফেরেন। পরে স্থানীয় ও প্রশাসনের চাপাচাপিতে তারা ছোট মিয়া সাহেবের মাজার শরীফের কয়েকটি কক্ষে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে বাধ্য হন। কয়েকদিন ধরে তার জ¦র ও শ^াসকষ্ট বাড়তে থাকলে স্থানীয় চিকিৎসকদের নিকট থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করতে থাকেন। তবে শুক্রবার তার অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকলে তাকে শ্যামনগর উপজিলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফা?য়েত জানান, মিথ্যা তথ্য দিয়ে ওই যুবক গতরাতে সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। প্রকৃত তথ্য পেলে তাকে আমরা করোনা ডেডিকেটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করতে পারতাম। ওই যুবকের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে বলে জানান সিভিল সার্জন। কালিগঞ্জ উপজিলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. তরিবুর রহমান জানান, মৃত্যুবরণকারী ওই যুবককে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাইডলাইন অনুযায়ী জানাজা ও দাফন করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কালিগঞ্জ উপজিলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক রাসেল জানান, ওই যুবকের সাম্প্রতিক আবাসস্থল অর্থাৎ মাজার শরীফসহ আশপাশের ৬ বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। যুবক কামারগাতি গ্রামের সবেদ সরদারের ছেলে হারুন-অর-রশিদ।

যশোর

যশোর অফিস

যশোরে আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে একজন ৬০ বছরের বৃদ্ধ ও অপর একজন ২৪ বছর বয়সী গর্ভবতী নারী। গত বৃহস্পতিবার রাতে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে তাদের মৃত্যু হয়। গর্ভবতী ওই নারী ঝিকরগাছা উপজিলার ও বৃদ্ধ চৌগাছা উপজিলার বাসিন্দা। মৃতদের নমুনা সংগ্রহ করে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। সংস্পর্শে আসা আরও ৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তাদের হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে রাখা হয়েছে। যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফ আহমেদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, গর্ভবতী ওই নারী বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে আসলে তাকে আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। মৃত অপর বৃদ্ধ শ্বাসকষ্ট সমস্যা নিয়ে বৃহস্পতিবার গভীররাতে হাসপাতালের ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। তিনি আরও জানান, ওই দু’জনের সংস্পর্শে আসা ৫ জনকে হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। করোনার সন্দেহভাজন রোগী হিসেবে তাদের দু’জনকে বিশেষ ব্যবস্থায় দাফন করা হবে।