• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ১২ মে ২০২১, ২৯ বৈশাখ ১৪২৮ ২৯ রমজান ১৪৪২

কেশবপুরে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, কেশবপুর (যশোর)

| ঢাকা , রোববার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০

যশোরের কেশবপুরে এক সাব ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যক্তি মালিকাধীন জমি জবরদখল করে রাস্তা নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গছে। এ ঘটনায় জমির মালিক আব্দুর রহমান গত ২৯ জানুয়ারি নকশায় অঙ্কিত সীমানা দিয়ে রাস্তা নির্মাণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযোগটি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে উপজেলা প্রকৌশলীকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২ মাস ধরে উপজেলার সাতবাড়িয়া গ্রামের ঘোষপাড়ার ভেতর দিয়ে একটি রাস্তা পাকাকরার জন্যে খোঁড়াখুঁড়ির কাজ চলছে। রাস্তাটি বুড়িভদ্রা নদীর তীর ঘেষে যাওয়ার কারণে ধসে নদী অববাহিকায় বিলীন হয়ে গেছে। যার কারণে বাগেরমাঠ এলাকায় রাস্তাটির কোন চিহ্ন নেই। গত ২২ জানুয়ারি রাস্তার সাব ঠিকাদার আরমান গাজী এস্কেভেটরে রাস্তাটি খোঁড়াখুঁড়ির সময় এলাকার আনার আলী, আব্দুর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, মিজানুর রহমান, মহসিন আলী ও অশিত ঘোষের পৈত্রিক সম্পত্তি দাবি করে বাধা প্রদান করেন। এ ঘটনায় ১৫ ডিসেম্বর জমির মালিকরা ৬২ ও হাল ম্যাপ অনুযায়ী রাস্তা নির্মাণের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দাবি করেন। কিন্তু এ অভিযোগের কোন নিষ্পত্তি না করেই ওই ঠিকাদার জোরপূর্বক ব্যক্তি মালিকাধীন জমির ওপর দিয়েই খোঁড়াখুঁড়ির কাজ অব্যাহত রাখেন। যে কারণে জমির মালিকগণ সরেজমিনে তদন্ত করে সার্ভেয়ার দিয়ে মেপে রাস্তা নির্মাণের দাবিতে পুনরায় আবেদনটি করেছেন। এ ব্যাপারে সাব ঠিকাদার আরমান গাজী বলেন, উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর যেভাবে দিক নির্দেশনা দিয়েছে সেভাবেই রাস্তা খোঁড়া হয়েছে। রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার চেয়ারম্যান সামছুদ্দীন দফাদার বলেন, ৪০ বছর ধরে ওই রাস্তা দিয়ে লোকজন চলাচল করছে। নতুন করে পাইলিং দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করা সম্ভব নয়।

উপজেলা প্রকৌশলী মুনছুর রহমান বলেন, জনস্বার্থে রাস্তাটি করা হচ্ছে। বাঁধা প্রদান করলে নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। তাতে ওই এলাকার জনগণের ভোগান্তি আরও বাড়বে।