• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ১২ মে ২০২১, ২৯ বৈশাখ ১৪২৮ ২৯ রমজান ১৪৪২

যশোর-৬ উপনির্বাচন

আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশায় ১ ডজন প্রার্থী মাঠে নেই বিএনপি

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, কেশবপুর (যশোর)

| ঢাকা , রোববার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০

যশোর-৬ (কেশবপুর) জাতীয় সংসদ উপ-নির্বাচনে সর্বত্রই নির্বাচনী হওয়া বইছে। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশায় এক ডজন প্রার্থী দলীয় টিকিট সংগ্রহ করেছেন। এরমধ্যে যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের মনোনয়ন দাবিতে উপজেলার সর্বত্রই কর্মী সমর্থকরা মিছিল ও পথসভা করে চলেছেন। কিন্তু এ নির্বাচনে বিএনপির কোন প্রার্থী মাঠে নেই। সর্বত্রই আলোচনা চলছে কে কোন দলের মনোনয়ন পাচ্ছে তা নিয়ে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কে পাচ্ছে তা নিয়ে সর্বত্র আলোচনা চলছে। এ নির্বাচনকে ঘিরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নানা ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। গত ২১ জানুয়ারি যশোর-৬ আসনের এমপি ইসমাত আরা সাদেক মৃত্যুবরণ করায় আসনটি শূন্য হয়।

জাতীয় সংসদীয় আসন ৯০ যশোর-৬ কেশবপুর আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশায় মাঠে নেমেছেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার, কেশবপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এইচ এম আমির হোসেন, ইসমাত আরা সাদেক কন্যা নওরীণ সাদেক, আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব শেখ আব্দুর রফিক, চলচ্চিত্র নায়িকা শাবানার স্বামী চলচ্চিত্র প্রযোজক এএসকে ওয়াহিদ সাদিকসহ এক ডজন দলীয় নেতা কর্মী।

অপরদিকে, বিএনপি নির্বাচনে গেলে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদ, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ বিশ্বাস ও অমলেন্দু দাস অপু। কিন্তু মাঠে নেই তারা।

এবারের নির্বাচনে নতুন চমক কিংবদন্তী চিত্রনায়িকা শাবানার সরাসরি গণসংযোগ। সম্প্রতি সাগরদাঁড়ির মধুমঞ্চে এক জনসভায় তিনি বলেন, দলীয় হাই কমান্ডের গ্রীণ সিগন্যাল পেয়ে তিনি স্বামী ওয়াহিদ সাদিকের নৌকার টিকিট প্রত্যাশায় গণসংযোগ করছেন।

যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার বলেন, আওয়ামীলীগ একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক দল। এ দল থেকে একাধিক নেতা দলীয় মনোনয়ন চাইতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাকে মনোনয়ন দেবেন তিনিই নির্বাচন করবেন। দল চাইলে তিনি নির্বাচন করার জন্য প্রস্তুত আছেন। কেশবপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এইচ এম আমির হোসেন জানান, তিনি বিগত ৬টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন চেয়েছেন। এবারও মনোনয়ন চাইবেন। তিনি মনে করেন এবার দল তাকে বঞ্চিত করবে না। কেশবপুরের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কাউকে এমপি হিসেবে দেখতে চান। অপরিচিত লোকের দ্বারা কেশবপুরের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই মনোনয়নের ব্যাপারে তিনি শতভাগ আশাবাদী। উপজেলা নির্বাচন অফিস জানায়, এ আসনের মোট ভোটার ১ লাখ ৯৩ হাজার ৫শ’ ৩৪ জন। এ আসন থেকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত এমপি হন ৮ বার। অন্য দলের এমপি হন ৪ বার।