• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবন ১৪২৮ ১৩ জিলহজ ১৪৪২

প্রণোদনার ঋণ বিতরণে ধীর গতিতে হতাশ বাংলাদেশ ব্যাংক

    সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২০

image

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত প্রণোদনার ঋণ বিতরণে হতাশ বাংলাদেশ ব্যাংক। তাই প্রতি ১৫ দিন পর পর সিএমএসএমই প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা (সিএমএসএমই) খাতে ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর আলসেমি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ কারণে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করা হলো। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ নির্দিষ্ট সার্কুলারের আওতায় ঋণ বিতরণ কার্যক্রমে আশানুরূপ গতি আনতে সক্ষম হয়নি। তাই সার্বক্ষণিক তদারকির লক্ষ্যে সিএমএসএমই খাতে ঋণ/বিনিয়োগ বিতরণ তদারকী আরও জোরদার করার আবশ্যকতা দেখা দিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত হলো সিএমএসএমই (কটেজ, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি) খাতে সরকার ঘোষিত প্যাকেজের আওতায় বিতরণকৃত সিএমএসএমই ঋণ/বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিবরণী প্রতি মাসের পরিবর্তে পাক্ষিক ভিত্তিতে দিতে হবে। প্রতি পাক্ষিকের বিবরণী পরবর্তী পাঁচ দিনের মধ্যে, অর্থাৎ প্রথম পাক্ষিকের বিবরণী সংশ্লিষ্ট মাসের ২০ তারিখের মধ্যে এবং দ্বিতীয় পাক্ষিকের বিবরণী পরবর্তী মাসের ৫ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টে দাখিল করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ এপ্রিল করোনাভাইরাস মহামারীতে অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবিলায় ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন। এরমধ্যে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প এবং মাঝারি শিল্পে (সিএমএসএমই) ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল দিতে ২০ হাজার কোটি টাকা রাখা হয়। এই ২০ হাজার কোটি টাকার অর্ধেক অর্থের জোগান দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেজন্য ১০ হাজার কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করার পাশাপাশি এই তহবিল থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে প্রণোদনার ঋণ বিতরণ হবে, তার নীতিমালা ১৩ এপ্রিল প্রকাশ করা হয়। ব্যাংকগুলো এই তহবিল থেকে ৪ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে ছোট-মাঝারি ও কুটির শিল্প খাতের শিল্পোদ্যোক্তাদের ৯ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে। এরমধ্যে অর্ধেক, অর্থাৎ ৪ দশমিক ৫ শতাংশ পরিশোধ করবে ঋণ গ্রহীতা প্রতিষ্ঠান। বাকি ৪ দশমিক ৫ শতাংশ সরকার ভর্তুকি হিসেবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে দেবে।