• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ২৬ বৈশাখ ১৪২৮ ২৬ রমজান ১৪৪২

কিছুতেই স্থিতিশীল হচ্ছে না শেয়ারবাজার

লেনদেন ও দর উভয়ই কমেছে ডিএসই ও সিএসই’তে

    সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২০

image

শেয়ারবাজার স্থিতিশীল করতে নানা পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে সরকার। কিন্তু এতো পদক্ষেপ নেয়ার পরও শেয়ারবাজার কিছুতেই স্থিতিশীল হচ্ছে না। এক কার্যদিবস কিছুটা উত্থান হলে, পরের কার্যদিবসই ধস নামছে। শুধু তাই নয়, এক কার্যদিবস যে পরিমাণ উত্থান হচ্ছে, পরের কার্যদিবস তার চেয়ে বহুগুণে পতন হচ্ছে। গত বুধবার শেয়ারবাজারে কিছুটা উত্থান হয়েছিল। তারপর গতকাল আবার পতন হয়েছে। এদিন উভয় শেয়ারবাজারের প্রধান সূচক কমেছে। একইসঙ্গে কমেছে টাকার পরিমাণে লেনদেন এবং বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই ও সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গতকাল ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছ ৪ হাজার ৭৩৩ পয়েন্টে। অপর সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক ৭ এবং সিডিএসইটি সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৫৯৩ ও ৯৫২ পয়েন্টে। ডিএসইর অপর সূচক শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়েছে। ডিএসইতে গতকাল টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ৭৭০ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট যা আগের দিন থেকে ৬৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা কম। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৮৩৭ কোটি ১৫ লাখ টাকার। ডিএসইতে গতকাল ৩৫৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮৩টির বা ২৩ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে। দর কমেছে ২৪৩টির বা ৬৯ শতাংশের এবং ২৯টি বা ৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ৩০ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৫২৫ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৬৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৭৫টির, কমেছে ১৬৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টির দর। গতকাল সিএসইতে ২৮ কোটি ৭৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

ব্লক মার্কেট : গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে ১৭টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির ১৬ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। কোম্পানিগুলোর ২২ লাখ ৬২ হাজার ৩৮২টি শেয়ার ৩২ বার হাত বদল হয়েছে। এর মাধ্যমে কোম্পানিগুলোর ১৬ কোটি ৩৪ লাখ ৭৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ৫ কোটি ৮৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে অলিম্পিকের। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩ কোটি ১১ লাখ ৭৭ হাজার টাকার স্কয়ার ফার্মার এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ২ কোটি ৭৪ লাখ ৭৩ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ব্যাংক এশিয়ার। এছাড়া আমরা টেকনোলজিসের ৫ লাখ ৭৮ হাজার টাকার, এডিএন টেলিকমের ৮ লাখ ৪৬ হাজার টাকার, আমান ফিডের ৪৩ লাখ ৬৬ হাজার টাকার, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ৭ লাখ ৫৩ হাজার টাকার, জিকিউ বলপেনের ৭ লাখ ৩২ হাজার টাকার, খুলনা পাওয়ারের ৭ লাখ ৮৬ হাজার টাকার, লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের ১০ লাখ ৬৫ হাজার টাকার, লিন্ডেবিডির ৭৮ লাখ ২৭ হাজার টাকার, এমএল ডাইংয়ের ৬৫ লাখ ৭০ হাজার টাকার, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪২ লাখ ৪১ হাজার টাকার, সমতা লেদারের ১৬ লাখ ২৬ হাজার টাকার, সিলকো ফার্মার ৮ লাখ ২২ হাজার টাকার, এসকে ট্রিমসের ৬ লাখ ৯০ হাজার টাকার এবং স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের ১ কোটি ৫২ লাখ ৪৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।