• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শনিবার, ০৬ জুন ২০২০, ২৩ জৈষ্ঠ ১৪২৭, ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

স্বাধীনতা দিবস কবিতা

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২০

এইতো বাংলাদেশ, এইতো স্বাধীনতা

সোহরাব পাশা

সেদিন আপনার হাত ছুঁয়ে প্রথম ছুঁয়েছি বাংলাদেশ

তুমুল ভিড়ের মধ্যে অজস্র হাতের ছায়া ভেঙে- কী যে বিপুল উচ্ছ্বাসের

সমুদ্র স্পর্শের কোলাহল- প্রবল ঝরে পড়ছিলো আনন্দধারা

দিগন্ত বিস্তৃত আপনার নক্ষত্রউজ্জ্বল চোখ খুঁজে ফিরছিলো শুধু

নুয়ে পড়া মানুষের ভালোবাসার প্রগাঢ় বিনয়ী অশ্রুমুখ

আপনার আকাশ ঢেকে দিয়েছিলো লাল গোলাপের গুচ্ছ গুচ্ছ পাপড়ি

রঙিন প্রজাপতির মতোন উড়ছিলো উৎফুল্ল হাওয়ায় মুখরিত

আপনার তীব্র মানবিক বিখ্যাত হাসিঝরা আলোর ভেতর

আপনার দৃষ্টির ভেতর ছিলো ক্ষিপ্র হাতে লাঙ্গল ফেলে, কলম ফেলে

ছুটে আসা উন্মুখ-বিষণ্ন সব মানুষের- বিক্ষত স্বপ্নের

সুনিবিড় অনুবাদ;

সে অনুবাদ ছিলো আপনার স্বপ্নকাব্যের দুর্বিনীত বোধের

নিজস্ব আকাশের ছায়াবৃক্ষের নিচে প্রিয় ঘরে নিরিবিলি

জুঁইফুল শোভিত ঘ্রাণের-

যা হবে অনন্ত সুন্দরের ঐশ্বর্যের ইতিহাস

অনাগত মহাকালের বারান্দায় দাঁড়িয়ে মেঘমুক্ত বাংলাদেশ দেখার

আত্মপরিচয়ের সোনালি রোদ্দুরে মোড়ানো গল্প

আগামী পৃথিবী আপনার দিকে প্রফুল্ল আঙুল তুলে বলবে-

এই তো নতুন সেই দেশ, এই তো স্বাধীনতা

প্রিয় বঙ্গবন্ধু জাতির পিতা

এই যে-বিশ্বমানচিত্রে সবুজ জানালা খোলা সোনার দেশ

বাংলাদেশ

জন্মদিনের উপহার

দুলাল সরকার

কৃষকের পক্ষ থেকে তোমার জন্মদিনে

একখানি মাঠ দেব, শস্যের খিলখিল-

দিগন্ত বিস্তৃত ছায়াপথে যে নক্ষত্রের

আলো এসে পৌঁছেনি এখনো- বস্তিঘর;

একখানি দেহ দেব, দাহ দেব- দীর্ঘশ্বাস

তুমি বাতিঘর- ছেঁড়া দলিলের কিছু

পংক্তিগুচ্ছ, হারানো আকাশ- কোনো কোনো

শব্দের হারানো শৈশব- অসহায় চোখ

হারানো সুন্দর, বিষণ্ন উত্তাপ- একা একা

উদাসীন পথের নির্জন- কিছু মুখোশ মানুষ;

শ্রেণিহীন সমাজের লক্ষ্যটা দেব- যেখানে

মানুষ, সকল প্রাণি উদ্ভিদ, আকাশ মিলে

চৈতি বকুল আর অসুস্থ বুড়িগঙ্গার কথা

তোমাকে জানাতে পারি, বলতে পারি

পৃথিবীর কেউ যদি ক্ষুধার্ত থাকে, গৃহহীন

ক্লিষ্ট মানুষ সে তোমার প্রেম, তোমার বোধের মৃদঙ্গ।

পাখি ও অরণ্য

ইকবাল হোসেন বুলবুল

পাখি যায়, আরো পাখি আসে

পাখি আছে, আরো পাখি আসে

পাখিকে তাডিয়ে দিয়ে পাখি আসে আরো

পাখিকে পাশেই রেখে পাখি আসে আরো

এই গহীন অরণ্য পাখি রাজ্য, তা না হয় জানি;

কিন্তু কে রাজা

কে বা তার রাণী?

পাখি পাখি থাকে পাশাপাশি

পাখি পাখি করে মারামারি

করে গলাগলি

করে দলাদলি;

অবাধ অবাধ্য

পাখি আসে, পাখি যায়, পাখি থাকে তাদের মতোন

কোনো পাখি দূরে গিয়ে আবার সে ফেরে

কোনো পাখি ফিরে না যে কভু

যে আসেনা ফিরে

সে কি অন্য কোনো অরন্যের হয়ে যায়?

বদলায় কি গানের ভাষা, কথার ধরণ?

তারা কি ওখানে থাকে এখানে যেমন?

যে আবার ফিরে আসে, সে কি ফিরে আসে?

নাকি সে কোথাও যায়নি কখনো; এখানেই ছিলো

ভিন্ন এক সময়ের অপেক্ষায় ভিন্ন রূপ ধরে?

পাখিরা কি মারা যায় অরণ্য বিহীন

নাকি অরণ্যই মারা যায় পাখিদের ছাড়া

অরণ্য কি পাখিদের জন্য

নাকি পাখি অরণ্যের জন্য

দারুণ দৃশ্যত তুমি

জামিরুল ইসলাম শরীফ

হঠাৎ যেন বিনা-ছাতায় বৃষ্টির মধ্যে পড়েছি,

আত্মরক্ষার উৎসাহে, কাঁধ উঁচিয়ে, মাথা বাড়িয়ে,

কেবল হন্হনিয়ে হাঁটি–গন্তব্য তুমি।

প্রতিবেশিদের বাড়ি চেনার মতো অনেক পথ ঘুরে

যখন বত্রিশ নম্বর রাস্তায় এসে পড়েছি, তখন

শোকস্তব্ধ মৌনমুখে একটা নিরানন্দ হাসির বিদ্যুৎ

খেলে গেলো;

চোখের সামনে ফুটে উঠলো অমলিন নক্ষত্রের শাশ্বত নৃত্য...

সেই মৌনের মর্মে শুধু শোনা যাচ্ছে বিস্মৃত দিনের

নিরাশ্রয় হৃদয়ের অন্তিমে স্নায়ুচ্ছেদী মর্মভেদী সুর।

আত্মধিক্কারের জপমন্ত্র, পরাভবের অনুভূতি, বিদীর্ণ

পৃথিবীর গর্ভে অনুতাপের নির্বাক গর্জন, অকল্পনীয়

ভোরের আজানের সুরসঙ্গতি ছারখার; আর

অকৃতজ্ঞ, বিশ্বাসঘাতক এই আমি- আত্মধিক্কারে কণ্ঠনালিতে

অগোচর অশ্রুর নোনা স্বাদে শূন্য পাঁজরে আঁকি

শোকাবহ অপঘাতের ব্যর্থ ইতিহাস।

এই শ্বাসরোধ করা অমঙ্গল ও অশুভের গ্রাস

আমাদের মুক্তি মেলেনি। যন্ত্রণায় মিশে যায় নাভিশ্বাসের ভার।

অতিথিবৎসল ঋতুরা আসে হেমন্তের কুয়াশায়, বসন্তের হলুদে,

বর্ষার ধূপছায়া রেশমে, গাছে ফোটে কোন ফুল, অচেনা গন্ধ,

শিশিরের মতো নিঃশব্দ চোখের জল ফেলে করুণা ঝরায়।

আমার বুকে তোমার তর্জনীর ছোঁয়া, ঝরে পড়ি অনুতাপে,

সহসা পুনর্বিস্ময়ে উঠে দাঁড়াই-

চোয়াল শক্ত করি, দৃঢ়তায় হাত ধরি,

দু’হাতে চূর্ণ করি মসৃণ নির্বোধ ওই দাম্ভিক চাঁদ।

ন্যাকড়ার মতো ছিঁড়ে ফেলি মুমূর্ষু আকাশটারে

উপড়ে ফেলি অন্ধকারের দাঁতাল চোখ,

প্রলয়ের কলরোলে ফিরিয়ে আনি আদিম প্রভাত–

ফিরিয়ে আনি ভয়হীন মৃত্যুরে-

তবু সর্বজ্ঞার সমকক্ষতার মতো ব্যক্তিত্বের মর্যাদা ও মাহাত্ম্য

সম্পর্কে সংবেদনশীল হতে পারিনি আমরা।

অথচ, ‘তোমার কাছে ঋণের ভারে

নিখিল ডোবে অন্ধকারে’

তারি মধ্যে বৃষ্টি ভেজা সদ্য-ফোটা সবুজপাতা

মাঝখানে তার মূর্ছিত এক রক্তাক্ত-রঙিন সবাক চিত্র।

মহামরণের নিশ্চল ছায়ায় বিভীষিকাময় স্মৃতির ফ্রেমে

বাঁধাই হয়ে দাঁড়িয়ে আছো চিরায়ুষ্মান প্রতিভাময়

মহাকালের-দীপ্ত এক কী দারুণ উচ্ছ্বাসে!

এখন দারুণ দৃশ্যত তুমি শতাব্দিকালের সূর্যকিরণের মুকুটিত উদ্ভাসে।

সপ্রাণ পৃথিবী অবগুণ্ঠনে ঢাকা

জাহিদ মুস্তাফা

কাছের মানুষ কাঁচের ঘরে বাস

নীরব তিতিক্ষায়

পোষমানাদের পোশাক পরে আছে

দুরস্ত প্রবাস!

ছুঁয়ে দিলেই ছড়াবে শংকায়

ওই তো কাছে- ছ’ফুট দূরত্বে

অপেক্ষাটার মোমবাতিতে ফুঁ

অগ্নিশিখা নিভে যাচ্ছে প্রায়!

এ কেমন ঘোরেল নির্বাসন

স্বেচ্ছা অন্ধকারে

অবিশ্বাস্য আক্রান্তের হার

সংক্রামকে পৃথিবী জেরবার!

কোটি মানুষ কাঁপছে আশংকায়

নির্বাণে কার উথলে ওঠে ছায়া

অসহায়ের অতন্দ্র ওংকারে

জাগো আশা-ভরসার সান্ত্বনা

ঘরে ঘরে দুর্গ তোল!

মিডিয়াঘন পর্দার প্রান্তরে

টকশো-খবর-স্ক্রলের কী হাঁসফাঁস

জনারণ্যে ভয় ছড়ানো ক্ষত

ভীতিকর ভাইরাস

সপ্রাণ পৃথিবী অবগুণ্ঠনে ঢাকা

আতংকিত প্রিয়ংবদার মতো

সচকিতের সতর্কতায় হায়

বিশ্ববাসী- হঠাৎ চন্দ্রাহত!

আঙুল

আশিক সালাম

একটি আঙুল ক্ষিপ্র ছিঁড়ে আনে সূর্যের প্রতিভা

দিকে-দিকে ছুটে আসে মিছিলের ঢেউ

সব নদী মিশে যায় এক মোহনায়

একটি আঙুল ছুঁয়ে জনতার সমুদ্র উত্তাল

একটি আঙুল অন্ধকারে উন্মোচিত রোডম্যাপ

অস্থির জাহাজে নীল মাস্তুলের তুমুল উত্থান

গহিন সমুদ্রে রেডিয়মজ্বলা কম্পাসের কাঁটা

রাত্রিপথে উত্তর-আকাশে নক্ষত্রের লাল চোখ

উত্তোলিত উলঙ্গ আঙুল

ধ্রুপদী মুদ্রায় নাচে ভোরের শালিক

মধ্যমাঠে গর্জমান রক্তিম পলাশ

জংধরা জানালা খোলে নিবিড় টঙ্কারে

কাঁটাতার কার্ফ্যু ব্যারিকেড নুয়ে পড়ে

বজ্রভর্তি অনার্য আঙুলে

কুয়াশাকুটিল গূঢ় অন্ধকার চিরে

বিদ্রোহী অনলভরা শৈল্পিক আঙুল

এঁকে দেয় মানচিত্র সোনালি সবুজ

প্রাগৈতিহাসিক অন্ধকার ফুঁড়ে জেগে ওঠা চর

রোদেলা হলুদ সর্ষেক্ষেত- স্বপ্নময়

বিশ্বস্ত ঠিকানা

একটি আঙুল তিমিরবিনাশে লাল সিগন্যাল

একটি আঙুল অনিদ্র সত্তার বাক্সময় অক্ষর

একটি আঙুল তুখোড় তারুণ্যে সুতীব্র সুন্দর

অদম্য স্পর্ধায় বেড়েওঠা ঋজু হিমালয়চুড়ো

মুক্তির লড়াইয়ে গেরিলার হাতে উদ্ধত সঙিন

মেঘের জংশনে জ্বলেওঠা হিরণ¥য় বিদ্যুল্লতা

জ্যোতির্ময় দ্যোতনায় দৃপ্ত সেই তুরীয় আঙুল

মিছিলের মুখ

মতিন রায়হান

পাতার সবুজে ঢেকে দাও ক্ষতচিহ্ন, পৃথিবী হাসুক

মিহি রোদে ওড়াও পতাকা, এসেছে মার্চের দিন!

পলাশের বনে আর্ত কোকিলেরা কুহু কুহু গায়

জানবাজি রেখে কারা যায় রণাঙ্গনে? মুছে ফেলো

অশ্রুরেখা, শাণিত বোধের পায়ে ঢালো জল!

চেতনারা ফিরে পাক পূর্ণপ্রাণ আলো! সাহসের

গল্প তবে লেখা হোক প্রেমের কাজলে। বছরের

প্রথম বৃষ্টির জল ধুয়ে নিক যতসব গ্লানি! কারা

যায় গগনবিদারী ধ্বনি তুলে গোধূলির পথে?

ওরা সব মিছিলের মুখ! বুকে লেখা মৃত্যুনাম!

প্রিয়তমা, যদিও রয়েছে পড়ে দূর জনপদে। আবার

এসেছে ফিরে শিমুলের দিন, যেন রক্তলেখা

গেয়ে ওঠে গণজীবনের গান! ডানায় ডানায়

বাজে রোদের সিম্ফনি... কেটে গেলে অন্ধকার

আলোর রেখার মতো মন খুলে ভালো তো বাসুক!

পাতার সবুজে ঢেকে দাও ক্ষতচিহ্ন, পৃথিবী হাসুক!

মৃত্যু

শাহিন চাষী

যেখানেই যাই

তোমার ধূপগন্ধেই বিমোহিত দেহ-মন।

ফুল ঝরে যায়,

বীজের অঙ্কুরে আবার সবুজ;

আকাশে মাছ, পাখির ডুব সাঁতার...

জীবনে-জীবনে অদৃশ্য প্রতিস্থাপন।

তোমার স্পর্শ মানেই

হাতে এক অলিখিত ছাড়পত্র ,

নতুন দরোজায় বিমূর্ত দর্শক

পুরাতন দৃশ্যের নতুন অবলোকন।

প্রতি নিঃশ্বাসে

আমার একান্ত সত্তায় তোমার স্পন্দন,

দৃষ্টিতে ভাসে নতুন এক অপেরা।

পরান জুড়ে

শুক্লা গাঙ্গুলি

জননীর নাভীমূল ছিন্ন করে

যে শিশু ভূমিষ্ঠ হলো-

তার মুখেই শুনি ভাষার কথা

যন্ত্রণায় নীল হয়ে-আসা

বেদনা থাকে মায়ের-মুখ নিঃসৃত

কান্না থাকে শিশুর আগমনে-

ভাষা যে-মায়ের ভাষা।

বিরাণ জমিতে কৃষক নিড়ানি চালায়

টুকরো টুকরো মেঘ সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে

শুখা জমিতে নেমে আসে-বাংলার

হাওড় বাওড় উপচিয়ে জল গড়ায়-সাগরে।

সালটা ছিল বাহান্ন মাসটা

শিমুল পলাশের ফাগুন-

রাজতন্ত্র সিঁধ কেটে ঘরে-ভাষা চায়

আমার মুখের ভাষা-

অযুত কোটি বছরের বাংলা ভাষা

মা রাজপথ ধুয়ে রক্ত মোছেন

আঁচলে রাখেন সন্তান

স্বরবর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণ দাঁড়ায়

ভাষা সৈনিক হয়ে-ওমে বাঁচে

মাতৃভাষা আমি আগলে রাখি লালিত স্নেহে

ধারণ করি

পরান জুড়ে।

তিরোধানপর্ব

এমরান হাসান

পালক ছিলো পালকের মোহে একা।

অথচ আমি পালকের গান শুনতে চেয়েছিলাম তোমার কাছে।

ভোরের আকাশ, ভোরের শুদ্ধতা কাঁপিয়েছো তুমি।

করতলে বেলীফুলের নাচ, ঝড়া পাহাড়ী জলের ঘ্রাণ

শুঁকেই এতোটা প্রহর কেটেছে তোমার।

কতোদিন দেখিনি ঐ সব ভোর

কতোদিন পড়া হয় না, তোমাকে।

কতোদিন পাপ কিংবা পুণ্যের হিসেব

মেলাতে মেলাতে চলে যাই জারুলতলা।

তোমাকে দেখি না কতোদিন!

প্রতি সন্ধ্যা, প্রতি রাত, প্রতি সকাল কাটে আমার

কতদিন তোমাকে ছুঁতে পারিনি

যেরকম নির্লজ্জ মেঘ ছুঁয়ে যায় মাটির প্রচ্ছদ

  • নাগরিকদের মৌল লিবার্টি

    বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর

    newsimage

    আমরা নানা সমস্যার মধ্যে জীবনযাপন করেও গণতন্ত্রের দিকে অগ্রসর হচ্ছি; অন্যদিকে আমাদের

  • গণমানুষের স্মৃতিতে একাত্তর

    সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

    newsimage

    একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক কিছু ইতিমধ্যেই লেখা হয়েছে, আরো লেখা হবে, লেখার

  • বাঙালি সংস্কৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশের সৃষ্টি

    শামসুজ্জামান খান

    বাঙালির হাজার বছরের স্বপ্ন ও আশা-আকাক্সক্ষার বাস্তবায়ন ঘটেছে ঐতিহাসিক-অবিস্মরণীয় ১৯৭১ সালে। ইতিহাসে

  • মানবতার জয়

    মুহম্মদ সবুর

    newsimage

    বহু ত্যাগ তিতিক্ষা এবং নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত হয় বাঙালির

  • ছায়াহীন কায়া

    আবুল কাসেম

    newsimage

    ফরাসি সাহিত্যে দু’জনই উচ্চ শিক্ষা নিয়েছেন। হিথরো বিমানবন্দর লাউঞ্জে পরিচয়। ফরাসি ভাষায়

  • একাত্তরের আত্মকথন

    দেবাহুতি চক্রবর্তী

    newsimage

    ব্যক্তি-বিশেষের জীবনে পাঁচ দশক এক দীর্ঘ সময়। সুখ দুঃখের সাথে জড়িত অনেক

  • স্মৃতির ফসিল

    শামসুজ্জামান হীরা

    newsimage

    চুয়াল্লিশ বছর- মহাকালের বিবেচনায় সময়ের অতিক্ষুদ্র তরঙ্গমাত্র, সন্দেহ নেই- কিন্তু মহাবিশ্বের আণুবীক্ষণিক