• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮ মহররম ১৪৪২, ০৯ আশ্বিন ১৪২৭

মন্ত্রীরা অসহায় : যুব-ছাত্রলীগ নেতারা দুঃসাহসী

রণেশ মৈত্র

| ঢাকা , সোমবার, ০৭ অক্টোবর ২০১৯

আকস্মিকভাবেই অভিযানটি শুরু হলো। দুর্নীতিবিরোধী অভিযান দিয়েই শুরু কিন্তু তাতেই থেমে থাকেনি। সীমাবদ্ধ থাকেনি দুর্নীতি, টেন্ডারবাজির মধ্যেই এবং তা-ও আবার শাসকদল ও তার অঙ্গ বা সহযোগী সংগঠনগুলির রীতিমতো প্রভাবশালী নেতাদের বিরুদ্ধেই। তাদের ব্যবসাস্থল, তাদের পরিচালিত নানা ক্লাব তল্লাশি হলো। বেরিয়ে পড়ল কোটি কোটি টাকার বান্ডিল, ডলারের বান্ডিল, মদের বোতল, দেশি-বিদেশি নানা অস্ত্র। তবে আজ (২৫ সেপ্টেম্বর) ভাব দেখে মনে হচ্ছে অভিযান যেন অনেকটাই থিতিয়ে পড়েছে কেউকেটারা আর গ্রেফতার হচ্ছেন না।

এ ব্যাপারে, প্রধানমন্ত্রী আপাতত দেশে না থাকায়, প্রতিদিন দলীয় সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক-সেতু দফতরের মন্ত্রী রোজই হাঁকছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ তাই অভিযান চলবে। অপরাধীরা হুঁশিয়ার।’

আমরা দেখছি এ বিষয়টিই দু’সপ্তাহ ধরে ‘টক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত’। আবার বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ্য করা গেল, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একজন প্রধান উপদেষ্টা বলে উঠলেন, গ্রেফতারকৃত অপরাধীরা কেউই খাঁটি আওয়ামী লীগের ননÑ তারা এসেছেন বিএনপি-জামায়াত থেকে। বিস্ময় জাগে, উপদেষ্টা মহোদয় কি ভেবেচিন্তে কথাগুলো বলেছেন? আবার সড়কমন্ত্রী ও দলীয় সাধারণ সম্পাদক বারংবার বলছেন, হাইব্রিড আওয়ামী লীগার দলটি ভর্তি হয়ে গেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি ধরেছেন, তাই কোন অপরাধীই পার পাবেন না। এতে অবশ্য আশার সঞ্চার হয় এবং আদতেই সব অপরাধী গ্রেফতার হোক উপুক্ত শাস্তি পাক এটা সবারই কাম্য।

কিন্তু শাসক দল যখন যারাই গ্রেফতার হয়, তখনই তাদের মূল আওয়ামী লীগার না বলে জামায়াত-বিএনপি থেকে অনুপ্রবেশকারী বলে চিহ্নিত করার চেষ্টায় উন্মাদ হয়ে ওঠেন। তখন মানুষ বিস্মিত না হয়ে পারে না মানুষ মনে মনে ক্ষুব্ধও হয়ে ওঠেন কারণ যারা গ্রেফতার হচ্ছেন তাদের পরিচালিত ক্লাব, অফিস ও বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার করছে এবং দেখছে কাদের সাংগঠনিক পদমর্যাদার কেন্দ্রীয় বা জেলা কমিটির সহ-সভাপতি বা যুগ্ম সম্পাদক- তখন কি এ প্রশ্ন তোলা কি অযৌক্তিক হবে যে দেখেশুনে বুঝেসুঝেই তো তাদের দলে টেনে আনা হয়েছে, দলীয় পদ-মর্যাদাও দেয়া হয়েছে এবং কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা অবৈধভাবে উপার্জনের সুযোগও করে দেয়া হয়েছে। যদি খাঁটি আওয়ামী লীগার তারা না হন তবে ওই পদমর্যাদাও তাদেরকে যারা দিলেন, যারা তার আগে তাদেরকে দলে টেনে আনলেন তারাও কি খাঁটি আওয়ামী লীগার নন?

আরও হাস্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যখন সরকারি পদস্থ ব্যক্তিরা ক্যাসিনো আমদানি হয় জিয়ার আমলে বা ক্যাসিনো জুয়া চালু করেন তারেক... এ জাতীয় কথা বলেন। দায়িত্বশীল পদে অধিষ্ঠিত থেকেই কেউ কেউ এ জাতীয় কথা বলছেন।

মানুষকে কেউ যেন বোকা না ভাবেন। জিয়ার মৃত্যু ঘটেছে ১৯৮০-৮১ সালে- প্রায় ৪০ বছর আগে। তারেকও এক যুগ হলো দেশে নেই বিদেশবাসী। বিএনপি ক্ষমতা হারিয়েছে বহু দিন আগে। আওয়ামী লীগ, পঁচাত্তরের পর এবার দিয়ে চার দফায় ক্ষমতায় এসে অবাধে দেশ শাসন করছে। দৃশ্যমান কোন শক্তিশালী বিরোধী দলের অস্তিত্ব সংসদের ভেতরেও নেই বাইরেও নেই যে, তারা ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু করলে বাধা দিত। তবু অভিযান এত দেরিতে শুরু হলো কেন সে প্রশ্ন তোলা অত্যন্ত স্বাভাবিক।

বস্তুত দলমত নির্বিশেষে এ অভিযানকে সবাই স্বাগত জানিয়েছেন দেশবাসী অত্যন্ত খুশি। কিন্তু তারা চান সমগ্র দেশব্যাপী দ্রুত জোরদার অভিযান চালানো হোক। সব অপরাধীকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে সব অপরাধীর কঠোরতম শাস্তির ব্যবস্থা হোক।

আমরা এও লক্ষ্য করছি, একটি মহল ইতোমধ্যেই ক্যাসিনো বৈধ করার পক্ষে মতামত প্রকাশ করতে শুরু করেছেন অবশ্য সরকারি উচ্চমহল থেকে তার বিরোধী বক্তব্যও এসেছে। কিন্তু যখন শত শত কোটি অসৎপথে উপার্জিত টাকা নানাস্থান থেকে উদ্ধার হচ্ছে তখন ক্যাসিনোর পক্ষে মত প্রকাশ উদ্দেশ্যমূলক বলেই মনে হয়। যারা তা চাইছেন তারা নিঃসন্দেহ জুয়া, মদ, দুর্নীতির পক্ষেই সাফাই গাইছে।

রাঘববোয়ালরা কেউই এখনও ধরা পড়েনি। যে শক্তিশালী মহল প্রত্যক্ষভাবে দোষী, তাদের একাংশের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে বটে কিন্তু তাদের গ্রেফতার প্রক্রিয়া সম্পর্কে মানুষ অবহিত নন।

মানুষ দেখেছে আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির এক সাম্প্রতিক সভায় যখন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের দুই নেতা সম্পর্কে উষ্মা প্রকাশ করলেন, তখনই মাত্র ওই দুই ছাত্রনেতাকে পদ থেকে সরানো হলো। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ টেন্ডারবাজির, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে আইনগত আর কোন পদক্ষেপ আজও গৃহীত হয়নি। ওই সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাদের বিরুদ্ধেই টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজিসহ আরও অভিযোগ রয়েছেÑ রয়েছে আরও বহু অপরাধের অভিযোগও সারা দেশে। কিন্তু কোন ব্যবস্থা তাদের বিরুদ্ধে অতীতেও গৃহীত হয় নি আজও হচ্ছে না। তা না করলে এ অভিযান কদাপি পুরোপুরি সফল হবে না। ঠিক একই অভিযোগ যুবলীগের বিরুদ্ধেও। ঢাকাতে মাত্র ওই কয়জন নয় আরও শত শত আছে যারা হয়তো সাময়িকভাবে কিছুটা গা-ঢাকা দিয়েছে কোন প্রভাবশালীর আশ্রয়ে। কেউ কেউ যে দেশত্যাগের চেষ্টাতেও আছে সংবাদপত্রে এমন খবরও দেখেছি।

প্রশ্ন জাগে, এরা এতদিন কেন গ্রেফাতার হলো না? কিভাবে তারা নির্বিবাদে বছরের পর বছর ধরে নিশ্চিন্তে নিরাপদে এই জঘন্য অপরাধগুলি করে যেতে পারলো? পুলিশ নিশ্চয়ই জানত- জানত সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও। রাজনৈতিক মুরুব্বিদেরও বিষয়টি অজানা থাকার কথা নয়। তবু এতদিন ব্যবস্থা গৃহীত হচ্ছিল না কেন? আর কারা কারা এসব কর্মকা-ের বেনিফিশিয়ারি? তাদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক। নইলে ওই চক্র এই অভিযানকে একেবারেই গতিহীন করে দিতে পারে। দ্রুতই সরকার সেদিকে নজর দেবে বলে সবার প্রত্যাশা।

ইতোমধ্যে জানা গেল, জাতিসংঘে হাজারও কর্তব্য সততার মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভিযানটি বন্ধ না করে বরং তাকে জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন। আদেশটি গুরুত্ব সহকারে এবং অক্ষরে অক্ষরে পালিত হোক। একই সঙ্গে কিছু সংখ্যক পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং মন্ত্রী, এমপিসহ যেসব রাজনৈতিক নেতা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছেন। তাদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।

এখানে দলমত নির্বিশেষেই ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। এরশাদের দল জাতীয় পার্টি এবং অন্যান্য বিরোধী দলের কারও যদি সম্পৃক্ততার সন্ধান পাওয়া যায়, দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। কারণ এমন অভিযান বছর বছর চালানো যাবে না। তাই এবারের অভিযানকে সর্বোতভাবে সফল করে তুলতে হবে।

প্রশ্ন উঠেছে যে, রাজনীতিই দেশটাকে ধ্বংস করে দিল রাজনীতি মানেই দুর্নীতিবাজ, লম্পট ও পেশিশক্তির ধারক। মানুষও একথা অনেকটা বিশ্বাস করে ফেলেছে। কারণ তাদের দীর্ঘদিনের করুণ অভিজ্ঞতাও তাই বলে। সর্বত্রই দেখা যায় ক্ষমতাসীন রাজনীতিকরাই মূলত দুর্নীতিবাজ অথবা দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষক। কোটি কোটি টাকা যেন তাদের কাছে নস্যি। এই অভিজ্ঞতা থেকেই মানুষ ওই মতলবি কথাকেও বিশ্বাস করতে বাধ্য হচ্ছে।

তাই রাজনীতির ময়দান থেকে কালো টাকাধারী, দুর্নীতিবাজ, অস্ত্রধারী প্রভৃতিকে নির্দয়ভাবে রাজনীতির অঙ্গন থেকে বিতারিত করে সৎ, দেশপ্রেমিক, নীতিনিষ্ঠ রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাই যাতে রাজনীতিতে প্রাধান্য পান, সর্বতোভাবে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। এটা করতে না পারলে নতুন নতুন দুর্নীতিবাজ, অসৎ, অস্ত্রধারী এ পবিত্র অঙ্গনকে আবার দখল করে নেবে, সন্দেহ নেই।

দেশে সুষ্ঠু দেশপ্রেমিক আদর্শনিষ্ঠ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নিষ্ঠার সঙ্গে বিশ্বাসী একটি শক্তিশালী বিরোধী দল যাতে বিকশিত হতে পারে তার সহায়ক সব পরিবেশ রচনা করতে পারে। রাষ্ট্রকে ভাবতে হবে গণতন্ত্রে শক্তিশালী বিরোধী দলের প্রয়োজন অনস্বীকার্য। সেই বিরোধী দল যদি দক্ষিণপন্থি বা প্রতিক্রিয়াশীল হয় তাহলে তা দেশের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়। তাই প্রগতিশীল দলকে বা দলগুলিকে শক্তিশালী অবস্থানে আনা বাংলাদেশে সুষ্ঠু রাজনীতির জন্য অপরিহার্য। বস্তুত আমাদের সবার উপলব্ধি করা প্রয়োজন রাজনীতি দেশ ও জনগণের স্বার্থে অপরিহার্য। গণতন্ত্রের জন্য একাধিক দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দলেরও প্রয়োজন। একই সঙ্গে সুষ্ঠু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিয়মমাফিক অনুষ্ঠানের স্বার্থে একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ এবং অবিতর্কিত নির্বাচন কমিশন, নির্বাচনে প্রকৃত দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক নেতাদের মনোনয়ন (অর্থবিত্তে নয় আদর্শে ও নীতিতে শক্তিশালী), নির্বাচনে টাকা, ধর্ম, আঞ্চলিকতা ও অস্ত্রের ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা, রাজনৈতিক দলগুলো ও নেতানেত্রীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধামূলক সম্পর্ক, সংকীর্ণ দলীয় চিন্তা পরিহার এগুলো অপরিহার্য হয়ে পড়েছে রাজনীতির অঙ্গন থেকে সব আবর্জনা পরিষ্কার করার স্বার্থে।

মহান মুক্তিযুদ্ধের অর্ধশতবার্ষিকী আসন্ন। তার আগেই আমরা একটি পরিচ্ছন্ন, দুর্নীতি, সন্ত্রাসমুক্ত, সাম্প্রদায়িকমুক্ত রাজনৈতিক অঙ্গন গড়ে তুলতে পারলে তবেই হবে ওই অর্ধশতবার্ষিকী উদযাপন সার্থক ও অর্থবহ হবে।

এতক্ষণ যা বললাম তা আমাদের পচাগলা অবস্থা থেকে রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে পুনরুদ্ধারের স্বার্থে। মনে রাখা প্রয়োজন যে মহান জাতীয় নেতৃত্ব আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে, স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়কে সম্ভব করে তুলেছিল তারা হলেনÑ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, কমরেড মনি সিংহ, অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমেদ, তাজউদ্দীন আহমদ, মনোরঞ্জন ধর, ক্যাপ্টেন মনছুর আলী প্রমুখ। এরা কেউই দলবাজি, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, অস্ত্রবাজি করেননি বা সেগুলোকে সামান্যতম প্রশ্রয় দেননি। প্রতি মুহূর্তে এ কথাগুলো স্মরণে রাখা প্রয়োজন।

সর্বোপরি, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত বৈপ্লবিক ব্যবস্থায় আনা অত্যন্ত জরুরি। সার্টিফিকেট ভিত্তিক নয়- জ্ঞানভিত্তিক, বিজ্ঞানভিত্তিক, সাম্প্রদায়িকতামুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষাঙ্গনকে সর্বপ্রযতেœ দ্রুত গড়ে তুলতে হবে নতুবা চলমান দুর্নীতিবিরোধী অভিযান আপাতত যদি সার্থক হয়ও তাকে স্থায়ী করা যাবে না। কারণ আমাদের একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক বিপর্যয় বোধ করতে হবে দেশ ও জনগণের সার্বিক কল্যাণের স্বার্থেই।

এগুলো আরও প্রয়োজন আমাদের অর্জিত করুণ অভিজ্ঞতার কারণেই।

চলমান অভিযান নিয়েও নিঃসন্দেহে বলা যায়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলবেন তারপরে হয়ে- এমনটা কেন? দুদক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চুপ থাকলেন কেন এতকাল? তারা সক্রিয় ও দায়িত্বশীল হলে কি এসব অপরাধীরা এত কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা অবৈধভাবে অর্জনের, এভাবে ক্যাসিনো চালাতে বা মদ-মাদকের আস্তানা গড়তে পারত? ছাত্রলীগে যদি গণতন্ত্র থাকত তবে কি তাদের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এত বড় অপরাধ করতে পারত? যুবলীগেরও যদি অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র থাকত বা মূল সংগঠন আওয়ামী লীগ যদি তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সার্বিক তদারক করত তবে ওই সংগঠনগুলোর এতটা পচন ধরতে পারত? সর্বদা সর্বত্র জবাবদিহিতার প্রয়োজন নইলে পরিণতি কি দাঁড়ায় তা স্পষ্ট হলো। এবারে সবাই শিক্ষা নেবেন-এমন আশা করা অসঙ্গত হবে কি?

[লেখক : সাংবাদিকতায় একুশে পদকপ্রাপ্ত]