• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ২৯ আশ্বিন ১৪২৬, ১৪ সফর ১৪৪১

ইতিহাসের কান্না আমাদের কানে পৌঁছুবে কি

সংবাদ :
  • শামছুজ্জামান সেলিম

| ঢাকা , বুধবার, ০৯ অক্টোবর ২০১৯

সুদূর অতীত থেকে কান্না নিয়ে অনেক কথা প্রচলিত আছে। অতীতের যুদ্ধবাজরা, যারা তলোয়ার হাতে পৃথিবী দাপিয়ে বেড়াত সবকিছু লুটে নেয়ার নেশায়, তাদের কাছে মু-চ্ছেদ করা পৌরুষত্বের গর্ব বলে বিবেচ্য হতো। তাদের ভাষায় পুরুষের ‘চোখে জল’ বা কান্না বীরত্বের সম্মানকে ধূলিসাৎ করে দেয়। এ ‘সিদ্ধান্ত’ প্রকৃতির নিজস্ব গতি প্রকৃতির সঙ্গে যায় না, খাপ খায় না। একে একটা গোষ্ঠীর প্রবৃত্তির বিকৃত লালসার প্রকাশ বলে বিবেচনা করা যায়। এতে কান্না বিলোপ হয়নি, অবদমিত হয়েছে। তবে কান্না প্রকাশের ধরণ বা রূপ বেঁধে দেয়া অবাস্তব।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধের কথাই যদি বিবেচনা করি তাহলে ত্রিশ লাখ শহীদের শোকাহত পরিবারের কান্নার ধরন এবং প্রকাশ এক রকম ছিল না। আমরা এ কান্নাকে ‘মুক্তিযুদ্ধের কান্না’ বলতে পারি- যা আমাদের জাতির হৃদয়ে গভীর ক্ষত হিসেবে রয়ে গেছে। এই ক্ষতের যন্ত্রণা সব সময় চেতনাকে জাগ্রত রাখে এবং একই সঙ্গে ভীষণ কষ্ট দেয়। যখন এ চেতনা অপমানিত হয়, ‘শিরোশ্ছেদ গোষ্ঠীর’ লোভের ‘টুলস’ হিসেবে ব্যবহৃত হতে থাকে তখন একটা ‘সামষ্টিক কান্না’ নিশ্চয়ই জাতির হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটায়। এই কান্নার শব্দ সব সময়ে কী শোনা যায়? নীরবতার অতলে নিশ্চয়ই আর্তনাদ থাকে। এ আর্তনাদ এবং শব্দ শোনার একটা পৃথক কান লাগে। এ কান্না তো ‘ইতিহাসের কান্না।’

প্রায় পঞ্চাশ বছর পরে বাঙালি জাতি আজ ‘এক নতুন ফেনোমেননের’ মুখোমুখি। ‘মু-চ্ছেদ’ গোষ্ঠীরা তৃণমূল থেকে সর্বোচ্চ স্তরে মহা উল্লাসের কেতন উড়িয়ে দাপিয়ে চলেছে। রাষ্ট্র এবং সরকারকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছে নির্ভয়ে (সত্যিই কি তাই!)।

শব্দগুলো নতুন নয়, শুনছে হঠাৎ করে, যেমন- ক্যাসিনো, জুয়া, চাঁদাবাজি, মদ, নারী, অবৈধ অস্ত্র, বৈধ অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার, ভয়াবহ দখলবাজি, চা দোকানদার হাজার কোটি টাকার মালিক হওয়া, একদিনে হাজার কোটি টাকা আয় করা (!) ইত্যাদি। ভাবখানা যেন এসবই নতুন কোন আবিষ্কার! একই সময়ে অন্য একটি মহল থেকে বলা হচ্ছে এটা নাকি উত্তরণকালীন সময়ের বহির্প্রকাশ। পুঁজিবাদ উঁচু স্তরে গেলে এ সবই নাকি স্বাভাবিক! আমাদের দেশের পুঁজিবাদ নাকি ‘পিউবিক্যাল পিরিয়ড‘ অতিক্রম করছে!! এটা নাকি জাতির ‘উন্নয়নকালীন‘ সময়ের কিছু ‘নেগেটিভ’ প্রকাশ!!!

যারা মানব সভ্যতার অগ্রযাত্রা নিয়ে চর্চা করেন তারা অবশ্যই জানেন ইউরোপের শিল্প বিপ্লবের অন্তর্নিহিত ঘটনা, যাকে ইতিহাসও বলা যায়। এ ইতিহাস পুঁজিবাদের পুঁজি সঞ্চয়ের ইতিহাস। পুঁজিবাদের পুঁজি সঞ্চয়ের একটা মাপকাঠি আছে, যে মাপকাঠির স্তর পর্যন্ত না পৌঁছুলে শিল্প কলকারখানা স্থাপন করা সম্ভব ছিল না। শুধু নিরীহ দোকানদারি করে ওই পুঁজি সঞ্চয় ছিল অসম্ভব।

আমেরিকা আবিষ্কারের পর জাহাজের খোল ভর্তি করে সোনা এবং ফার আনা হতো আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে। এসব পৌঁছাত ইউরোপের বাজারে। যারা মানচিত্র সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল তারা একটু মনোযোগ দিলেই দেখতে পাবেন, আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূল ঘেঁষে কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড থেকে সোজা পূর্বদিকে পাড়ি জমালে পুর্তগালের বন্দর। নিউফাউন্ডল্যান্ড এবং লিসবনের মধ্যে একটা সরল রেখা টানা হলে ওই রেখার ঠিক মধ্যবিন্দু থেকে একটু ডানে হেলে উত্তর দিকে তাকালেই লন্ডন বন্দর দেখা যাবে। এ ‘মধ্যবিন্দুটিই’ ছিল ব্রিটিশদের ‘কপাল’ খুলে দেয়ার স্টেশন। এ ‘মধ্যবিন্দুতে’ ব্রিটিশ জলদস্যু ড্রেক এবং কুক সাহেব ওতপেতে থাকতেন। নিউফাউন্ডল্যান্ড থেকে আসা সোনা এবং ফার বোঝাই জাহাজগুলো দখল করে সোজা লন্ডন বন্দরে গিয়ে ভিড়িয়ে দিতেন। এভাবে ডাকাতির মাধ্যমে লুটকরা বিশাল সম্পদ জমা হয়েছিলো ব্রিটেনে। এ লুটের পুঁজি দিয়েই তো ঘটেছিল ‘শিল্প বিল্পব’। ‘পুঁজি সঞ্চিত’ হয়েছিল ডাকাতি এবং লুট করে। ব্রিটেনের মহারানী ড্রেক এবং কুক সাহেবকে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর অ্যাডমিরাল করেছিলেন।

আদিম পুঁজি সঞ্চয়ের আর একটি হৃদয়বিদারক অধ্যায় রয়েছে। আটলান্টিকের পূর্ব পাড়ে, আফ্রিকার পশ্চিম উপকূলে জাহাজ ভিড়িয়ে সাদা চামড়ার জলদস্যুরা আফ্রিকার কালো মানুষদের গলায় লোহার বালা পরিয়ে কুকুরের মতো করে শেকল বেঁধে জাহাজের খোল ভর্তি করত। এ কালো মানুষদের ইউরোপ আমেরিকায় নিয়ে দাস হিসেবে বিক্রি করত এ দস্যুরা। এ দাস ব্যবসাও ছিল আদিম পুঁজি সঞ্চয়ের অন্যতম উপায়।

আমেরিকা আবিষ্কারের পর ইউরোপের জেলগুলো খালি করে ক্রিমিন্যালদের আমেরিকায় পাঠানো হয়েছিল। এ ক্রিমিনালরা আদিবাসী রেডদের নির্বিচারে হত্যা করে সোনা আর ফার লুটে নেয় এবং এ ক্রিমিনালরাই পরে পুঁজিপতি বা ‘মহান বুর্জোয়া (!)’ বনে যান। পুঁজিবাদী সমাজ এবং ‘মহান (!)’ পুঁজিপতিদের জন্মের ইতিহাসতো এমনই। এই শ্রেণী পুঁজি সঞ্চয়ের জন্যে এ হেন অপরাধ নেই যা করতে পারে না।

বিংশ শতাব্দীতে আমেরিকার কালো মানুষদের লড়াই করে মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি আদায় করে নিতে হয়েছে। মার্টিন লুথার কিং যখন ‘আই ড্রিম...’ বলে তার আবেগঘন ঐতিহাসিক বক্তৃতা শুরু করেছিলেন তখনই তাকে ‘ক্লু ক্ল্যাক্স ক্যানের’ (সাদা চামড়া বাহিনী) স্নাইপার গুলি করে হত্যা করে। ষষ্ঠদশ শতাব্দীর মতো বিংশ শতাব্দীতে ‘মহান’ পুঁজিপতি সাহেবদের নিজস্ব খুনে বাহিনী অটুট ছিল এবং আজও আছে। লুটপাট, জবরদখল, সন্ত্রাস, খুন, ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, নারীকে ভোগ্যপণ্য ভাবা, দস্যুবৃত্তি এসবই ‘সভ্য (!)’ পুঁজিবাদী সংস্কৃতির মৌলিক স্তম্ভের অন্যতম।

বিজয়ী বাঙালি জাতি ’৭১ সালে পুঁজিবাদের কাছে আত্মসমর্পণ করেনি। রাষ্ট্রের মূলনীতির মধ্যে তাই যুক্ত হয়েছিল সমাজতন্ত্র। ইতিহাস তো ইচ্ছে হলেই সব পশ্চাৎপদতা ছুড়ে ফেলার ক্ষমতা কাউকে দেয়নি। গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, বাঙালি জাতীয়তাবাদ ছিল আমাদের আদর্শিক প্রেরণা, যা চেতানাকে সজীব রাখবে। আর সমাজতন্ত্র ছিল জাতির সার্বিক মুক্তির পথ। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, জাতির কর্ণধাররা সে পথে এগোতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। মধ্য পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যাকরে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই শুরু হয়ে গেল একশ’ আশি ডিগ্রি উল্টো পথে হাঁটা। শাসক শ্রেণী ঘোষণা করল বাংলাদেশ হাঁটবে তথাকথিত ‘মুক্তবাজার অর্থনীতির’ পথ ধরে।

গত শতকের সত্তরের দশকের মধ্যভাগ থেকে নব্বইয়ের দশকের সূচনা পর্ব পর্যন্ত শাসক শ্রেণী বিশ্বব্যাঙ্ক এবং আইএমএফের তদারকিতে রাষ্ট্রীয় খাত লুট করে ব্যক্তি পুঁজির বিকাশ ঘটাতে সবকিছু করে। প্রায় শূন্য অবস্থা থেকে এ সময়ে পুঁজিপতি শ্রেণীর আর্বিভাব ঘটল বাংলাদেশে। এদের চরিত্রের নিরঙ্কুশ অবয়ব হলো ‘লুটেরা’।

নব্বইয়ের দশকের মধ্যভাগে আওয়ামী লীগ একুশ বছর পর ক্ষমতায় এসে ‘নিওলিবারেল অর্থনীতিকে’ বহাল রাখার ঘোষণা দিল। আওয়ামী লীগ তাদের নীতি থেকে সমাজতন্ত্রকে ছেঁটে দিল। এর ফলে রাষ্ট্র এবং সরকারের ওপর লুটেরা ধনিক শ্রেণীর নিয়ন্ত্রন অটুট থেকে গেল।

১৯৯৬ থেকে ২০১৯-এর মধ্যে ২০০৯ থেকে টানা ১০ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন টানা তিন পর্বে। শেখ হাসিনার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা চ্যালেঞ্জ করার মতো কোন রাজনৈতিক শক্তি এ মুহূর্তে বাংলাদেশে নেই। লুটেরা ধনিক শ্রেণীর জন্যে এ আবহাওয়া খুবই অনুকূল এবং উর্বর।

লুটেরা ধনকি শ্রেণীর শ্রেণী বৈশিষ্ঠ্য হলো- ১. এদের কোন দেশ প্রেম নেই, ২. দেশ ও মানুষের প্রতি এদের কোন দায়বদ্ধতা নেই, ৩. টাকার পাহাড় গড়া ছাড়া ওরা অন্য কিছু ভাবতে পারে না, ৪. নিজের স্বার্থ রক্ষায় এদের আনুগত্য পাল্টাতে এক মুহূর্ত সময় লাগে না, ৫. নিজের সম্পদ রক্ষা ও লুটের জন্যে মানুষ খুন করা ওদের সংস্কৃতির অঙ্গ, ৬. জাতীয় সম্পদ এবং অর্থ বিদেশে পাচার করা ওদের ‘জিনগত’ স্বভাব ইত্যাদি। পৃথিবীর সর্বত্রই লুটেরা শ্রেণী মোটা দাগে এ বৈশিষ্ঠ্যগুলোই ধারণ করে আছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের লুটেরা ধনিক শ্রেণীর সবচেয়ে বেপরোয়া গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কিছু পদক্ষেপ নেয়া শুরু করেছেন। এ প্রচেষ্টা সফল হোক সবাই তা চায়। কিন্তু কতদূর পর্যন্ত তিনি যেতে পারবেন! কারণ কিছু ব্যক্তিকে শাসন করলেই সব সমাধান হয়ে যাবে- বিষয়টা এ রকম নয়। যে পথ ধরে লুটেরা শ্রেণী লাফিয়ে চলে সেই পথ ধ্বংস না করা হলে ওরা ঢেউয়ের মতো একের পর এক আসতেই থাকবে। বিপদ মাথার উপরে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়ে যাবে। শেখ হাসিনা বলেছেন ‘ওয়ান-ইলেভেন’ যাতে না হয় তার জন্যে তিনি আগাম ব্যবস্থা নিচ্ছেন (এ বক্তব্যে অবশ্য ‘ওয়ান-ইলেভেনের’ যৌক্তিকতা মেনে নেয়া হয়)। ফকরুদ্দিন-মইনুদ্দিনের শাসন কালে দুর্নীতি লুপাটের বিরুদ্ধে যেটুকু ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল পরে তা অব্যাহত থাকেনি বা বহাল রাখা যায়নি। কেন বহাল রাখা গেল না বা দুর্নীতি দমন প্রক্রিয়া পরিত্যক্ত হলো, এ প্রশ্নের নিচে লুকিয়ে আছে ‘হাজার কোটি টাকা’ দামের উত্তর। ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু লুটেরা, সন্ত্রাসী, যারা প্রকাশ্য দিবালোকে মানুষ খুন করত, অস্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়াত, তাদের দমন করতে সামরিক বাহিনী নামিয়ে ছিলেন। তিনি সফল হননি।

আমাদের মতো যারা পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে এ দেশের রাজনীতিতে সক্রিয় আছেন তারা নিশ্চয়ই ‘প্রকৃত সত্যটি’ উপলব্ধি করতে পারছেন। প্রকৃত সত্য হলো, বাংলাদেশের আজকের সংকট শুধু সুশাসনের অভাব থেকে আসেনি। সংকট লুকিয়ে আছে ‘ব্যবস্থার’ মধ্যে বা রাষ্ট্র পরিচালনার ‘নীতির’ মধ্যে। আপনি ডাকাতকে ডাকাতি করার অবাধ অধিকার দিয়ে (নিওলিবারেল অর্থনীতি) পুলিশকে বলবেন ধর-মারো, এ দ্বৈত নীতি ‘মুক্তিযুদ্ধের রাষ্ট্রে’ চলতে পারে না। মুক্তিযুদ্ধের হৃদয়ের রক্তক্ষরণ এখানেই ঘটে চলেছে প্রতিদিন। ‘সংবিধানে’ লিখে রাখবেন ‘সমাজতন্ত্র’ আর একবারও উচ্চারণ করবেন না, ‘ভাসুরের(!)’ নাম নিতে পারবেন না, এ দ্বিমুখী নীতি যে একসঙ্গে যায় না তা আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে বাস্তবতা।

মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ এবং তার চেতনা অসহায়ভাবে পরিত্যক্ত হয়ে আছে শাসক শ্রেণীর উভয় ঘরানার ঘরে-যাকে শুরুতেই ‘স্যাটায়ার’ করে বলতে চেয়েছি ‘ইতিহাসের কান্না’ বলে। বধিরদের কানে এই ‘কান্না’ সহসা পৌঁছুবে বলে মনে হয় না। যারা এ কান্না শুনতে পায়, এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ করতে চায়- ‘একাত্তরের মতো’, তারা তো সোজা হয়ে দাঁড়াতেই পারছেন না! শেষ দুঃখটা নিজ হৃদয়ের গভীরে এখানেই গুমরে মরছে। যে দিন আমরা একদল তরুণ ‘ট্রেনিংয়ে’ যাব তার আগের দিন কলকাতা পার্টি অফিসে কমরেড মণি সিংহ আমাদের উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন। সঙ্গে মতিয়া চৌধুরীও ছিলেন। কমরেড মণি সিংহ তার বক্তৃতা শেষে স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে খুব জোরের সঙ্গে বলেছিলেন, ‘কমরেড, হয় জয়- না হয় মৃত্যু’। ‘জয়’ তো আমরা পেয়েছিলাম, তা ছিল ক্ষণিকের ‘জয়’। এখন যে বেঁচে আছি তা কাপুরুষের মৃত্যুর চেয়েও নিকৃষ্ট।

০৭.১০.২০১৯

  • তারা অমানবিক মেধাবী!

    অনেকেই বলেন, বুয়েটে শুধু মেধাবীরাই ভর্তির সুযোগ পেয়ে থাকেন। জানি না, তারা কোন পরিসংখ্যানে এমন কথা বলেন! আর মেধাবী