• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২০, ১৬ কার্তিক ১৪২৭, ১৪ রবিউল ‍আউয়াল ১৪৪২

আদর্শবাদী নেতার প্রতিরূপ আমিনুল ইসলাম বাদশা

সালাম জুবায়ের

| ঢাকা , বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২০

image

রাজনীতির তিন প্রজন্মের সময়কালে- ব্রিটিশ, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে একজন আদর্শবাদী রাজনৈতিক নেতা ছিলেন আমিনুল ইসলাম বাদশা। ৪ আগস্ট ছিল তার ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী। এদিনে তাকে স্মরণ করি, একদিকে তার সহজ-সরল জীবনযাপনের জন্য, অন্যদিকে তার অকৃত্রিম মেহনতি মানুষের রাজনৈতিক আদর্শের জন্য। সাংবাদিক হিসেবে গণতন্ত্রী পার্টির বিভিন্ন এসাইনমেন্ট কাভার করতে গিয়ে আমিনুল ইসলাম বাদশার অনেক স্নেহ-আনুকূল্য পেয়েছি। তার প্রয়াণ দিবসে সেসব মনে হলেই তার প্রতি এক ধরনের শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে আসে।

একজন সাংবাদিক হিসেবে আমিনুল ইসলাম বাদশাকে বিশ্লেষণ করতে গেলে সবচেয়ে প্রথম যে অভিধায় তাকে অভিসিক্ত করতে হয়, তা হলো- আমিনুল ইসলাম বাদশা তার সময়ের একজন ত্রিকালদর্শী রাজনৈতিক নেতা ছিলেন। অতীতের রাজনৈতিক ঘটনালবলী থেকে শিক্ষা নিয়ে তিনি তার সময়ের ‘বর্তমান রাজনৈতিক আদর্শ’ ধারণ করেছিলেন। এই আদর্শ ধারণ করে তিনি তার চলমান অভিজ্ঞতা থেকে রাজনীতির ভবিষ্যৎকেও অনুধাবন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। ফলে তার রাজনৈতিক পথচলায় কোন আদর্শের ঘাটতি বা আদর্শহীনতা ছিল না। আর তার এই রাজনৈতিক আদর্শ ছিল চলমান সমাজ এবং খেটে খাওয়া শ্রমজীবী সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের চেতনা। আর সব শ্রেণী-পেশার মানুষের পূজিবাদী চিন্তা-চেতনা ও সামন্ততান্ত্রিক শোষণ-নির্যাতন থেকে মানবিক মুক্তি।

আমিনুল ইসলাম বাদশার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কালপর্ব ছিল তিনটি। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনকাল, স্বাধীন হয়েও বঞ্চনা ও শোষণের পাকিস্তান শাসনকাল এবং সবশেষে স্বাধীন বাংলাদেশকাল। রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি এই তিন শাসনকালের সব ঘটনাপর্ব রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় অবলোকন, পর্যবেক্ষণ এবং পর্যালোচনা করেই তার রাজনৈতিক আদর্শ ঠিক করেছিলেন। তিনি তার রাজনৈতিক জীবনের তিন শাসনকাল পর্বে রাজনৈতিক আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে নিজেকে সম্পৃক্ত এবং সক্রিয় অবস্থানের মধ্য দিয়ে যে অত্মঅনুভব এবং অভিজ্ঞতা অর্জনের সক্ষম হয়েছিলেন, বাংলাদেশে তার সমকালের অন্য রাজনীতিবিদদের অনেকের পক্ষেই সে সুযোগ ঘটেনি।

আমিনুল ইসলাম বাদশা একাধারে সামন্ততান্ত্রিক ব্রিটিশ বেনিয়া-শাসকদের ভারতবর্ষের মাটি থেকে বিতারণের জন্য আন্দোলন করেছেন। অবদান রেখেছেন পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে। কিন্তু বাঙালিদের প্রতি পাকিস্তানি বিজাতীয় শাসক- শোষকদের শোষণ-বঞ্চনার কারণে তার মতো আদর্শবাদী রাজনীতিকদের মোহভঙ্গ হয়ে ৪৭-এর দেশভাগের প্রথম বর্ষেই। ৪৮ সালে ভাষার প্রশ্নে আমিনুল ইসলাম বাদশা পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। তার ফলশ্রুতি তাকে কারাবরণ করতে হয়। এরপর পাকিস্তানবিরোধী একাধিক মৌলিক আন্দোলনে তার সক্রিয় অংশগ্রহণই শুধু নয়, নেতৃত্ব দেয়ার মধ্যদিয়ে তিনি পুরো পাকিস্তান যুগে এক ভিন্ন মাত্রায় নিজেকে প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার এই সক্ষম হওয়ার মতো ঘটনা তার সময়ের অন্য রাজনীতিকের জীবনে খুব একটা ঘটেনি।

এসব নিয়ে আমিনুল ইসলাম বাদশা সম্পর্কে কিছু বলার আগে তার রাজনৈতিক জীবনের দিকে একটু দৃষ্টিপাত করলে আমরা অনেক কথার সারবার্তা উপলব্ধি করতে পারব।

আমিনুল ইসলাম বাদশা ১৯৪৩ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলার সময় পাবনার গোপালচন্দ্র ইনস্টিটিউশনের ছাত্র ছিলেন। তখন সেলিনা বানু ও কমরেড প্রণতি কুমার রায়ের সঙ্গে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির রাজনীতির সংস্পর্শে আসেন এবং ছাত্র ফেডারেশনে যোগ দেন। সেটাই তার রাজনীতিতে প্রত্যক্ষ হাতেখড়ি। এ সময় তিনি ব্রিটিশ ভারতের স্বাধীনতা ও দুর্ভিক্ষ প্রতিরোধ আন্দোলনে অংশ নেন।

রাজশাহীর জননেতা আতাউর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৪৭ সালে ৪ নভেম্বর ঈশ্বরদীতে অনুষ্ঠিত যুব সম্মেলনে গণতান্ত্রিক যুবলীগ গঠিত হলে আমিনুল ইসলাম এতে অংশ নেন। ১৯৪৮ সালের প্রথম দিকে তিনি গণতান্ত্রিক যুবলীগ গঠনে ভূমিকা রাখেন এবং ১৯৫৩ সালে বন্দীমুক্তিসহ নিখিল ভারত মুসলিম লীগবিরোধী বিভিন্ন আন্দোলনে অংশ নেন। ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন পরিচালনায় পাবনা জেলা গণতান্ত্রিক কর্মী শিবিরের যুগ্ম-আহ্বায়ক নির্বাচিত হন। ১৯৫৭ সালে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর গঠিত ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ন্যাপে যোগ দেন এবং দলটির প্রার্থী হিসেবে ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১৯৭১ সালে পাবনা জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে গঠিত মুক্তিযুদ্ধের হাইকমান্ডের সদস্য হন। ওই বছর ১০ এপ্রিল পাকিস্তানি বাহিনী পাবনা জেলা দখল করলে তিনি কলকাতায় মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত করতে ভূমিকা পালন করেন। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রগতিশীল বিকল্প ধারা তৈরিতে ভূমিকা রাখেন।

তবে আমিনুল ইসলামের অন্যতম প্রধান কৃতিত্ব পাকিস্তানি আমলে ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ। পাকিস্তান সৃষ্টির এক বছর পর ১৯৪৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হলে আমিনুল এ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নির্বাচিত হন। ২৭ ফেব্রুয়ারি পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুসারে ১৯৪৮ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পাবনা শহরে হরতাল পালিত হয়। ওই হরতালে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে পাবনা শহরে ছাত্র-জনতার মিছিলে নেতৃত্ব দেন তিনি। ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করায় পুলিশ হরতাল কর্মসূচি থেকে আমিনুল ইসলাম বাদশাসহ ৬৪ জন আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করে। পরে আন্দোলনের মুখে ওই দিনই আদালত থেকে তিনিসহ সবাই মুক্তি পান। ২ মার্চ তিনি আবার গ্রেফতার হন ও ক’দিন পর ছাড়া পান। পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার তিন বছরের মাথায় সবচেয়ে নৃশংস হত্যাকা- ছিল রাজশাহী জেলের খাপড়া ওয়ার্ড গণহত্যা। সে খাপড়া ওয়ার্ডে রাজনৈতিক বন্দী ছিলেন আমিনুল ইসলাম।

রাজশাহী কারাগারে জেলবন্দী কমিউনিস্ট নেতা কর্মীদের সঙ্গে উপযুক্ত রাজবন্দীর মর্যাদা ও ভালো খাবারের দাবিতে জেলবন্দী রাজনৈতিক নেতারা অনশন শুরু করেন। ১৯৫০ সালের ২৪ এপ্রিল কারাগারের খাপড়া ওয়ার্ড থেকে আটজন রাজবন্দীকে কনডেমড সেল বা ফাঁসির আসামির নির্জন সেলে স্থানান্তর করার চেষ্টা করে কারাগার কর্তৃপক্ষ। এ সময় রাজনৈতিক বন্দীরা এর প্রতিবাদ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জেলার বিলের নির্দেশে একটি ঘরে আবদ্ধ করে বাইরে থেকে ৪০ জন বন্দীর উপর নির্মমভাবে গুলি চালায় কারারক্ষীরা। এর ফলে শহীদ হন মোট ৭ জন। বাকি বন্দীরা মারা না গেলেও মারাত্মকভাবে আহত হন। সে গুলিবর্ষণে আহত হয়েছিলেন আমিনুল ইসলাম বাদশা। তার পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছিল। সে গুলির চিহ্ন বাকী জীবন বয়ে বেরিয়েছেন তিনি। সে ঘটনায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসে পুলিশের অত্যাচার নির্যাতনের ভয়ে তিনি রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাননি, বরং তার নির্যাতনবিরোধী রাজনৈতিক চেতনা আরও শাণিত হয়েছিল। সেটা ছিল আমিনুল ইসলামের নিজের রাজনৈতিক বিজয়।

১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের প্রাদেশিক নির্বাচনে প্রচার অভিযান চালানোর সময় ২২ ফেব্রুয়ারি আমিনুল ইসলামকে গ্রেফতার করে কারাগারে নিক্ষেপ করে পাকিস্তানি পুলিশ। নির্বাচনে মুসলিম লীগকে পরাজিত করে যুক্তফ্রন্ট বিজয়ী হয়। যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের ফলে এক মাস কারাভোগের পর পর মুক্তি পান আমিনুল ইসলাম। এর দ্ইু মাস পর যুক্তফ্রন্ট নেতা শেরেবাংলা ফজলুল হকের নেতৃত্বে গঠিত পূর্ববাংলার প্রাদেশিক সরকার বাতিল করার সঙ্গে সঙ্গে আবার আমিনুল ইসলামকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

রাজনৈতিক নেতা হিসেবে আমিনুল ইসলামের আরও অনেক অর্জনের মধ্যে ৫৮ সালের আইয়ুব খানের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন, ৬৭ সালের ভুট্টাবিরোধী আন্দোলন এবং বাংলাদেশের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ- সব আন্দোলনে আমিনুল ইসলাম বাদশা ছিলেন সক্রিয় নেতা, আন্দোলনের অনুঘটক। ১৯৫৭ সালে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠন হলে তিনি সে দলে যোগ দেন।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পর্যায়ে পাবনায় গঠিত স্থানীয় সরকার পরিষদ ও হাইকমান্ডের তিনি ছিলেন অন্যতম সদস্য। ১০ এপ্রিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পাবনা পুনর্দখলের পর তিনি কলকাতা চলে যান। এবং মুক্তিযুদ্ধ সংগঠনে আত্মনিয়োগ করেন। এ সময় তিনি ভারত সরকারের সঙ্গে নবগঠিত স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের রাজনৈতিক যোগাযোগের পাশাপাশি করিমপুর ক্যাম্প পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশের সব প্রগতিশীল আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৮২-৯০ সাল পর্যন্ত তিনি সামরিক শাসনবিরোধী ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

সেই প্রগতিশীল রাজনৈতিক পথচলায় শেষ পর্যায়ে গণতন্ত্রী পার্টি গঠনের নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করেন আমিনুল ইসলাম বাদশা। তিনি গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতিম-লীর সদস্য ছিলেন। পাবনার বহু সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নাগরিক কমিটির সঙ্গে তিনি আমৃত্যু জড়িত ছিলেন। ১৯৯৮ সালের ৪ আগস্ট আমিনুল ইসলাম বাদশা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার ভাষা আন্দোলনে বিশেষ অবদানের জন্য ২০২০ সালে একুশে পদকে (মরণোত্তর) ভূষিত করেছেন পাবনার কৃতী সন্তান ভাষা সংগ্রামী ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আমিনুল ইসলাম বাদশাকে। এ সম্মান প্রকৃতঅর্থেই আমিনুল ইসলাম বাদশার প্রাপ্য ছিল অনেক আগেই। শেষ পর্যন্ত তিনি ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণের স্বীকৃতি পেয়েছেন। এটা তার সময়ে রাজনীতিকদের যেমন তেমনি প্রগতিশীল আন্দোলনের চেতনাধারী মানুষের প্রতিই সম্মান জানানো।

সুদীর্ঘকাল তিনি এদেশের মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করলেও সাংবাদিক হিসেবে তাকে পেয়েছি বাংলাদেশকালে নিবেদিতপ্রাণ একজন নেতা হিসেবে। অবশ্য তার রাজনীতির প্রথমকালে যারা তার সঙ্গে বা তিনি যাদের সঙ্গে রাজনীতির মাঠ চষে বেরিয়েছেন তারা তাকে দেখেছেন প্রায় সাড়ে ৫ দশক ধরে। ফলে তার সমকালের নেতাদের মধ্যে তার ছিল একটি ভিন্ন রকম অবস্থান।

এক অর্থে আমিনুল ইসলাম বাদশা এ উপহাদেশে একজন বিরল প্রাজ্ঞ রাজনৈতিক ছিলেন। সব আমলেই তিনি রাজনৈতিক নেতা-কর্মী হিসেবে এমন আদর্শবাদী ছিলেন যে, তার সমকালে এমন নেতা কালে-ভদ্রে দেখা মিলত। এ কথা এ কারণে বলা যে, তিনি সবকালে প্রায় সব প্রগতিশীল কর্মকা-ে নিজেকে যুক্ত করেছেন স্বপ্রণোদিত হয়ে আদর্শের তারণায়। এই স্বপ্রণোদিত হয়ে নিজের জীবনকে দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের সপে দেয়া এটা সবকালেই বিরল। আমিনুল ইসলাম সে পথেই পা বাড়িয়েছিলেন। তার সময়ে তিনি আত্মত্যাগের পথে সবাইকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন বললে অত্যুক্তি হবে না।

ব্রিটিশকালে সাম্যবাদী রাজনৈতিক আদর্শের কারণে ব্রিটিশবিরোধী, পাকিস্তানকালে শোষণ-বৈষম্যের কারণে পাকিস্তানবিরোধী গণতান্ত্রিক আদর্শবাদী এবং বাংলাদেশকালে শোষণহীন সমাজ কায়েমের জন্য সমাজতান্ত্রিক আদর্শের লাল ঝান্ডা ঊর্ধ্বে তুলে ধরা আদর্শের লড়াকু নেতা-কর্মী হিসেবে তিনি ইতিহাসের পাতায় রাজনৈতিক বীর হিসেবে সজীব থাকবেন। তাকে সবকালের মানুষ যেমন শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় সিক্ত করবেন তেমনি পরবর্তী প্রজন্মের নবীন রাজনীতিবিদরাও তার জীবন ও রাজনৈতিক আদর্শ থেকে অনেক কিছু জানতে শিখতে পারবেন।