• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ৪ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬, ২১ রবিউল আওয়াল ১৪৪১

রাজনীতির পথে প্রান্তে

অভিযান বেশি দেরি হয়ে গেছে তবু জাতির স্বার্থে তা অব্যাহত রাখতে হবে

ফকীর আবদুর রাজ্জাক

| ঢাকা , শনিবার, ০৯ নভেম্বর ২০১৯

কয়েক দিন আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং অন্য কয়েকজন বলেছিলেন- দলের বিভিন্ন স্তরে পাঁচ শতাধিক লোক অনুপ্রবেশ করেছে। মাত্র কয়েক দিন আগে বোধ হয় সর্বশেষ দলের সভানেত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেড় হাজারের মতো অনুপ্রবেশ করেছে। বোঝা যাচ্ছে এ সবই আন্দাজ বা কল্পনা করে বলা। বাস্তবে বিভিন্ন দল থেকে কতজন ক্ষমতাসীন দলের প্রবেশ করেছে তার প্রকৃত হিসাব নেই। এ ব্যাপারে দলের শীর্ষ বা মধ্যম স্তরের নেতারা জরিপ করে হিসাব করে দেখেননি আসলে বিভিন্ন স্তরে কতজন প্রবেশ করেছে। আবার এ হিসাবও বোধ হয় নেই- কোন কোন স্তরে কোন কোন নেতা দলভারি বা গ্রুপভারি করার উদ্দেশ্যে বিএনপি-জামায়াত এমনকি ফ্রিডম পার্টি থেকে কতজন নেতাকর্মীকে দলে ঢুকিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়েছেন। কয়েক দিন আগে পত্রিকাতেই নাম-পরিচয় দিয়ে কিছু খবর প্রকাশ পেয়েছে, তাতে রোমহর্ষক বিস্মিত হওয়ার মতো কিছু নাম-পরিচয়ের অন্য দলের নেতাদের নাম পাওয়া গেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার আসামি এখন আওয়ামী লীগের নেতা। দলের কোন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতাই বলেননি- যারা গ্রুপ ভারি করার জন্যে ওইসব বিতর্কিত লোকদের দলে ঢুকিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়েছেন, তাদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। যদি তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেয়া হয় তাহলে দলভারি করে প্রতাপশালী হওয়ার জন্য তারা আবারও বিতর্কিতদের দলে ঢোকাবে। তাই সমস্যার মূলে আঘাত হানতে হবে। তবেই সফল হতে পারে জঞ্জাল পরিষ্কারের এ উদ্যোগ।

যেদিন লিখতে বসেছি সেদিন ৩ নভেম্বর। জেলহত্যা দিবস। আর আমার এ লেখাটি প্রকাশ পাবে ৯ নভেম্বর। তাই ৩ নভেম্বরের জেলহত্যা দিবসের স্মৃতি নিয়ে লেখা হলো না। জাতীয় চার নেতাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ইতিহাসের পৈচাশিক হত্যাকাণ্ড সেদিন ঘটিয়েছিল খন্দকার মোশতাক আহমদ বা তার অবৈধ সরকার। ’৭৫-এর ১৫ আগস্টের বর্বর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা, তারপর থেকে ৩ নভেম্বর জেলহত্যা এবং ক্যু-পাল্টা ক্যু, জিয়ার ক্ষমতায় আরোহণ এ সমস্ত ঘটনার স্মৃতি বুকে ধারণ করে আমরা যারা এখনও বেঁচে আছি তারা জানি কি বর্বর-পৈশাচিক শাসন পরিচালনা করেছিল মোশতাক ও জিয়াউর রহমান। মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের অনুপস্থিতিতে যারা নেতৃত্ব, পরিকল্পনা ও দূরদৃষ্টি দিয়ে সেদিন স্বাধীনতাযুদ্ধ পরিচালনা করে গোটা জাতির গর্বের নেতায় পরিণত হয়েছিলেন- সেই সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামারুজ্জামানকে কারাবন্দি অবস্থায় খোন্দকার মোশতাক খুনি কতিপয় সৈন্য ঢাকা জেলখানায় পাঠিয়ে দিয়ে পৃথিবীর নৃশংসতার ইতিহাস ম্লান করে দিয়ে বর্বর কায়দায় হত্যা করেছিল ওই চার জাতীয় নেতাকে। যাতে বঙ্গবন্ধুর পরে যারা দেশের নেতৃত্ব গ্রহণ করার বা যোগ্য প্রতিবাদ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে তাদের পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়া। কিন্তু ভাগ্যের কী পরিহাস, ক্ষমতার তিন মাসের মাথায় মোশতাককেই চরম অপমান মাথায় নিয়ে ক্ষমতা ছেড়ে যেতে হয়। যাই হোক, ৩ নভেম্বরের সেই জেলহত্যার শহীদ জাতীয় নেতার প্রতি পরম শ্রদ্ধা জানিয়ে আজকের লেখাটি এগিয়ে নিয়ে যাই।

এ কথা সবাই স্বীকার করবেন যে, শুদ্ধি অভিযান অনেক আগেই করা দল ও দেশের স্বার্থে জরুরি ছিল- আওয়ামী তা করতে নেমেছে এখন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযানের বেলায়ও এই কথা সত্য। এখন সামগ্রিক আবর্জনায় দেশ ও দল ঘিরে ফেলেছে। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা প্রায় দুঃসাধ্য ব্যাপার। অতীতের কোন সরকারই এমন কোন অভিযান শুরুই করেনি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কেবলমাত্র হুমকি দিয়ে পদক্ষেপ নিতে উদ্যত হয়েছিলেন, তখনই স্বার্থান্বেষী মহল তাকে হত্যা করেছিল। জিয়া-এরশাদ অভিযান দূরের কথা তারা তাদের শাসনামলে সন্ত্রাস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি এমনকি জঙ্গিবাদকেও রাষ্ট্রীয় সমর্থন দিয়ে লালন করেছিলেন। আজ যখন সত্যি সত্যি শেখ হাসিনা ও তার সরকার অভিযান শুরু করেছেন- বাস্তবে তা অনেক বিলম্ব হয়ে গেছে। সুচারু ও দক্ষতার সাথে সরকার দেশের উন্নয়ন সঠিক পথে এগিয়ে নেয়ার জন্যে প্রধানমন্ত্রীকে যত বেশি সময় দিতে হয় তাতে তার পক্ষে কি সম্ভব হবে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে একটা যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার মতো সময়ক্ষেপণ করা? খুবই জটিল কাজ। তাছাড়া দলীয় অপশক্তি, দুর্নীতি এবং বাইরের ক্যাসিনো, জুয়া, দখলবাজ ও সর্বস্তরে দুর্নীতিবাজরা এমন জমজমাটভাবে বিস্তার লাভ করেছে যে, একটা সরকারের পুরো মেয়াদেও তা দমন করা দুঃসাধ্য ব্যাপার। অনুপ্রবেশের প্রসঙ্গ যদি বলি তা আরো ভয়াবহ। যত ধরনের আসামি, দশ-বিশটা মামলায় পলাতক, নিজের অসৎপথে উপার্জিত অর্থ-সম্পদ রক্ষা করা, যেনতেনভাবে ক্ষমতাসীনদের কাছাকাছি থাকা, আশীর্বাদ জোগাড় করার প্রভৃতি ধরনের লোকের সংখ্যা দেশে কম নেই। তারা কেবলমাত্র নিজেদের আড়াল করে ভালো মানুষ সেজে সরকারি দলের বিভিন্ন স্তরে ঢুকে পড়েছে। এখন তাদের অনেকে নেতা, বড় বড় পদ-পদবিও দখল করে নিয়েছে। পর পর তিন মেয়াদ ক্ষমতায় থাকার সুযোগ নিয়েই সমাজের দুর্বৃত্ত ধরনের লোকের আখড়া হয়ে উঠেছে আওয়ামী লীগ। অথচ দূরদর্শী কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যদি সজাগ থাকতেন এবং অনুপ্রবেশের পথে বড় ধরনের বাধা হয়ে দাঁড়াতেন তাহলে এমন অবস্থার সৃষ্টি হতো না। দলের একশ্রেণীর ক্ষমতালোভী নেতা নিজ দল ভারি করার জন্যে বেশুমার অনুপ্রবেশ ঘটাতে পারতো না।

সম্প্রতি অন্তত দুইটি জাতীয় দৈনিক একটা করে তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকায় গুটিকয়েক নাম-পরিচয় রয়েছে। সামগ্রিক হিসাব নয়। পত্রিকাও স্বীকার করেছে এর বাইরে আরো অনেক রয়েছে যার তথ্য এখনও তারা হাতে পায়নি। আমরা জানি একটি গণরাজনৈতিক দলে বিভিন্ন পর্যায়ে থেকে অনুপ্রবেশ ঘটে। সেটা অস্বাভাবিক নয় কিন্তু যারা প্রবেশ করেছে তাদের অতীত না সাম্প্রতিক পরিচয় না জেনে, বাধ্যবাধকতা না রেখে দলে বরণ করা নিশ্চয়ই দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং আত্মঘাতী কাজ। যেমন ঢাকায় একজন কমিশনার সম্প্রতি গ্রেফতার হয়েছেন তার ভয়াবহ দুর্নীতির কারণে। তিনি ক্ষমতাসীন দলের নেতা, যিনি শিবির-ফ্রিডম পার্টির ক্যাডার হিসেবে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধানমন্ডির বাড়িতে সশস্ত্র আক্রমণ করেছিলেন। পুলিশের খাতার আসামি হিসেবে দীর্ঘদিন পলাতক থেকে এরশাদ-খালেদা জিয়ার বদৌলতে আস্তে আস্তে সমাজে ঠাঁই করে নেয়। পরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে সুযোগ বুঝে দলেও ঢুকে পড়ে এবং ঢাকা উত্তরের সিটি কাউন্সিলর হন। পত্রিকায় প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, নুরুল ইসলাম নামে এক লোক বাগমারা উপজেলার এখন দলীয় সদস্য, মোল্লা আলতাফ হোসেন বাগমারা উপজেলার শিবির সভাপতি, এখন তিনি আওয়ামী লীগের ওই উপজেলার শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক। এসএম হায়দার আলী ফ্রিডম পার্টির খুলনা বিভাগীয় প্রধান, এখন তিনি খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। আব্দুল মতিন মাস্টার গোদাগাড়ি উপজেলার বিএনপি সভাপতি, এখন তিনি কাঁকনহাটে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি। এভাবে আরো অনেক নাম রয়েছে যারা আওয়ামী লীগের নেতা হয়ে বসেছেন। তালিকা বড় করে লেখাটির কলেবর বাড়াতে চাই না। বাস্তবতা হলো জামায়াত, শিবির, বিএনপি, ফ্রিডম পার্টি ইত্যাদি থেকে ইউনিয়ন-জেলা এমনকি কেন্দ্র পর্যন্ত বহু অনভিপ্রেত লোক দলে ঢুকে পড়ে রীতিমতো পদ-পদবি নিয়ে পাকাপোক্তভাবে গেঁড়ে বসেছেন। আওয়ামী লীগে কি নেতাকর্মীর এতই অভাব পড়েছিল যে ওই ধরনের বিতর্কিত, খুনি, সন্ত্রাসী, আসামিদের দলে টেনে নিতে হয়েছে।

দেশের রাজনীতি সচেতন মানুষ মাত্রেই জানেন আওয়ামী লীগের আসল কর্মীরা কোণঠাসা হতে হতে এখন প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে। দু’একজন যদি থাকেনও তারাও দলের পেছনের সারিতে স্থান পেয়েছে। এভাবে হারিয়ে গেছেন বহু নেতা-কর্মী। এখন তো মস্তান বাহিনীর বিপুল অর্থ ও ক্ষমতার দাপট না থাকলে কোন পর্যায়েই দলের নেতা হওয়া সম্ভব নয়। আর এগুলো কী- যার ফল সমাজে, অফিস কাচারিতে কোন দামই নেই। অর্থাৎ শুধু দল নয় সমাজটাও এমনই রোগে আক্রান্ত। শেখ হাসিনা যখন প্রথম মেয়াদে ক্ষমতায় এলেন তখনই বলেছিলাম দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করা উচিত। তখন বিএনপির শত শত নেতাকর্মী দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত। কারণ কেবলই তাদের ক্ষমতা হাতছাড়া হয়েছে। এরপর ২০০১-২০০৬ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার পর্যন্ত তারা আরেকবার ব্যাপক দুর্নীতি করার সুযোগ পেয়েছিল। ২০০৮ সালে যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলো তখন থেকে পুরো দুই মেয়াদই অসংখ্যবার কলাম লিখে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর তাগিদ দিয়েছি। তৃতীয়বার যখন আবার ক্ষমতায় এলো, তখন থেকে এখন পর্যন্ত বারবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছি- দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠিন ও আপসহীন অভিযান চালানো এখন জরুরি। নইলে দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত দেশ ও সরকার- সময় পেরিয়ে গেলে হাত দিয়েও কোন লাভ হবে না। কথায় বলে ‘সময়ের এক ফোঁড় আর অসময়ের দশ ফোঁড়।’ অপ্রিয় হলেও এটাই সত্য যে, দুর্নীতিবাজদের কব্জায় যখন দেশ, সমাজ, সরকারি দল চলে যায় তখন অভিযানের ফলাফল খুব বেশি আশাপ্রদ হয় না।

এখন ওই অশুভ শক্তি অনেক বেশি শক্তিশালী। কেননা তাদের হাতে বিপুল অর্থ-সম্পদ রয়েছে। কয়েক দিন আগে সকল জাতীয় দৈনিকে একটা বড় সাইজের বিজ্ঞাপন ছাপা হয়েছে। জি কে ঠিকাদারের নামে বিজ্ঞাপন। এটা জি কে শামীমের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। জি কে শামীম যুবলীগের এক ভূঁইফোড় নেতা, এখন দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে। বিজ্ঞাপনটি পড়ে যা বোঝা গেলো তাতে তাকে জেলে রাখা সম্ভব হবে না। কারণ তার ঠিকাদারি কোম্পানির কাছে সরকারের বড় বড় কমপক্ষে বিশটি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। ব্যাংক হিসাব বন্ধ করে রেখে বা তাকে জেলে আটকে রাখালে সরকারেরই শত শত কোটি টাকার কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। অর্থাৎ এসব ভূঁইফোড় নেতাদের কাছে সরকারি কাজ এতই রয়েছে যে, তাদের ঘাড়ে হাত দেয়া কঠিন। দিলে সরকার বা দেশের ক্ষতি। সরকার নিশ্চয়ই চাইবে না তাদের চলমান উন্নয়ন কাজ বন্ধ করতে। কি হবে তাহলে রাঘববোয়াল দুর্নীতিবাজদের?

দলের দুর্নীতিবাজরা যখন শক্তিশালী ও বেপরোয়া হয়ে উঠে তখন সমাজ-প্রশাসন সর্বত্র দুর্নীতির রাজত্ব কায়েম হয় দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। আমাদের অবস্থা যে তেমন হয়েছে তার প্রমাণ প্রধানমন্ত্রীর দুঃসাহসিক অভিযান শুরু করার প্রথম পর্যায়েই উলঙ্গ হয়ে পড়েছে। দেশের সাধারণ মানুষ তো কল্পনাই করতে পারে না, এমনকি যারা রাজনীতি সচেতন শিক্ষিত মানুষ তাদেরও কল্পনার বাইরে ফুটে উঠেছে দুর্নীতির ভয়ংকর চিত্র। যদি এই অভিযান শক্তি ও সাহস নিয়ে সারা দেশে দল ও প্রশাসনে চালানো হয় তাহলে জাতিকে লজ্জায় মুখ ঢাকতে হবে। তবু দেশবাসীর সাথে আমরাও চাই দুর্নীতিবিরোধী অভিযান অব্যাহত গতিতে চলতে থাকুক। এখন বোধ হয় পিছিয়ে আসারও আর সুযোগ নেই। তাহলে জনগণ বুঝে যাবে সরকার আর থামাতে চায় না। তাহলে নগ্ন-উলঙ্গ চেহারাই জাতির সামনে বেরিয়ে আসবে। তাই যে কোন মূল্যে সমাজকে ভবিষ্যতের জন্য স্বচ্ছ চেহারাতেই জাতির সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করতে হবে।

[লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট]