• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ১২ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৮ জমাউস সানি ১৪৪০

আহমদ শরীফ

| ঢাকা , রবিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

image

জন্ম : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯২১, সূচক্রদণ্ডী পটিয়া, চট্টগ্রাম

মৃত্যু : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯

আহমদ শরীফ খ্যাতিমান বাংলাদেশি ভাষাবিদ এবং বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে আবির্ভূত বাংলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতি পরিমন্ডলের অন্যতম প্রতিভূ। তার বাবা আবদুল আজিজ ও মা মিরাজ খাতুন। চট্টগ্রামের মুসলমানদের মধ্যে প্রথম এন্ট্রান্স পাস করা এবং বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তি বলে খ্যাত আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ ছিলেন তার চাচা। জন্মের পর হতে আহমদ শরীফ এই চাচার কাছে পুত্রস্নেহে লালিত-পালিত হয়েছেন। অনেকের কাছেই তিনি সাহিত্যবিশারদের ছেলে হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।

আহমদ শরীফ ১৯৪৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ২য় বিভাগে চতুর্থ স্থান অধিকার করে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬৭ সালে পি.এইচ-ডি ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম রিসার্চ অ্যাসিটেন্ট হিসেবে যোগ দেন। এই চাকরির শর্ত ছিল এই যে, তিনি আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদের বিশাল পুঁথির সম্ভার বিনামূল্যে বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়ে দিবেন এবং তার বিনিময়ে ঐ পুঁথি দেখভালের জন্য তাকে নিয়োগ করা হবে।

আহমদ শরীফ বড় হয়ে উঠেছিলেন আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদের দুর্লভ অমূল্য পুঁথির ভান্ডার ও সাময়িক পত্রপত্রিকার সম্ভারের মধ্যে। তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় তিনি ব্যয় করেছেন মধ্যযুগের সাহিত্য ও সামাজিক ইতিহাস রচনার জন্য যা ইতিহাসের এক অন্যতম দলিল। বিশ্লেষণাত্মক তথ্য, তত্ত্ব ও যুক্তিসমৃদ্ধ দীর্ঘ ভূমিকার মাধ্যমে তিনি মধ্যযুগের সমাজে ও সংস্কৃতির ইতিহাস বাংলা ভাষাভাষী মানুষকে দিয়ে গেছেন যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অমর গাঁথা হয়ে থাকবে।

তার লিখিত গ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক। তার প্রথম সম্পাদিত গ্রন্থ লায়লী মজনু ১৯৫৭ খৃস্টাব্দে প্রকাশ করেন। স্বদেশ অন্বেষা, মধ্যযুগের সাহিত্য সমাজ ও সংস্কৃতির রূপ, বাংলার সুফি সাহিত্য, বাঙালির চিন্তা-চেতনার বিবর্তন ধারা, বাংলার বিপ্লবী পটভূমি, এ শতকে আমাদের জীবনধারার রূপরেখা, নির্বাচিত প্রবন্ধ, প্রত্যয় ও প্রত্যাশা ইত্যাদি তার উল্লেখেযোগ্য গ্রন্থ। ইন্টারনেট