• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ৮ কার্তিক ১৪২৭, ৬ রবিউল ‍আউয়াল ১৪৪২

মুজিব শতবর্ষ

মুজিব শাসন আমল : ১৯৭২

| ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২০

৬ মার্চ

রাশিয়া বাংলাদেশকে নিজ পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করবে

পাঁচদিনব্যাপী সফরের মাধ্যমে সোভিয়েত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পরিপূর্ণ সমঝোতা সৃষ্টির পর বঙ্গবন্ধু ঢাকা ফিরে এসেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে রাশিয়া যেভাবে সাহায্য করেছে এক্ষণে বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে দাঁড় করে দেয়ার ব্যাপারেও একইভাবে সাহায্য সহযোগিতা করে যাওয়ার জন্য সোভিয়েত নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুকে আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানা গেছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ায় যে ধরনের সম্বর্ধনা পেয়েছেন এবং সোভিয়েত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর যে আলোচনা হয়েছে তার থেকেও এই ধারণাই বদ্ধমূল হয়। আলোচনার সঙ্গে ঘনিষ্ট মহল থেকে বলা হয়েছে, উভয় পক্ষই সতর্কভাবে অগ্রসর হন। কিন্তু শিগগিরই উষ্ণ অন্তরঙ্গতা ফিরে আসে আর পরিপূর্ণ ঐকান্তিকতা ও খোলাখুলি পরিবেশে আলোচনা চলতে থাকে। ক্রেমলিনের ভোজ সভায় কোসিগিনের বক্তব্যও এর। সত্যতা প্রমাণ করে। কোসিগিন বলেন যে, আলোচনার ফলে উভয় দেশের মধ্যে পূর্ণ সহযোগিতা সোপান তৈরি করবে বলে তিনি নিঃসন্দেহ। সোভিয়েত নেতৃবৃন্দ ও বঙ্গবন্ধুর মধ্যে যে, পূর্ণ। পারস্পরিক আস্থা ও হৃদ্যতা সৃষ্টি হয় তা ব্রেজনেভের সঙ্গে তার আলোচনাতেও দেখা যায়। এই আলোচনা তিন ঘণ্টা স্থায়ী হয়। কোসিগিন তার ব্যস্ততাপূর্ণ দৈনন্দিন কর্মসূচি থেকে সময় করে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে লেনিনগ্রাদ পর্যন্ত গমন করেন এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানাবার জন্য তার কৃষিমন্ত্রীকে তাসখন্দ প্রেরণ করেন। কূটনৈতিক মহল এটাকে অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন। লেনিনগ্রাদে কোসিগিন বঙ্গবন্ধুর বিদায়ের পূর্বে আবার তার সঙ্গে ২০ মিনিট কাল আলোচনা করেন। এছাড়া সোভিয়েত নেতৃবৃন্দ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ কর্তৃক গৃহীত ৪টি মূলনীতিরও উচ্চ প্রশংসা করেছেন।

সুতার অভাবে ৯ লাখ তাঁতি বেকার

সুতা ও রাসায়নিক দ্রব্যের অভাবে বাংলাদেশের প্রায় দশ লাখ তাতি ও অন্যান্য শ্রমিক বর্তমানে বসে রয়েছেন। প্রায় তিন লক্ষ হস্তচালিত তাঁতে এরা কার্যরত ছিলেন। সুতা ও রাসায়নিক দ্রব্য এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প-প্রকল্পগুলো পাকিস্তানবাহিনী সম্পূর্ণ ধ্বংস করে গেছে। যোগাযোগ ব্যবস্থাও তারা ধ্বংস করে গেছে। ঢাকায় প্রাপ্ত সরকারি রিপোর্টে প্রকাশ, খুচরা যন্ত্রপাতি ও কাঁচামালের অভাব, আর্থিক সংকট ও স্থানীয় সমস্যার ফলে দেশের হ্যান্ডলুম শিল্পের শতকরা ৭৫ ভাগ বন্ধ হয়ে রয়েছে। হ্যান্ডলুম শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় নয় লাখ। রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয় যে, কুটির শিল্প পুনঃ চালু এবং শিল্প প্রকল্পসমূহের জন্য খুচরা যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল আমদানির প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না হলে দেশে যথাযত পুনর্বাসন হতে পারে না।

পরিবহন সংকট সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সাহায্য প্রার্থনা ৫ হাজার ট্রাক ও ৩০টি ফেরি দরকার

সরকার সারাদেশে প্রতি মাসে কমপক্ষে ৭ লাখ টন রিলিফ ও পুনর্বাসন সামগ্রী জরুরি ভিত্তিতে পরিবহনের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের কাছে বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের সুপারিশ করেছেন বলে জানা গেছে। দেশের পরিবহন পরিস্থিতি সম্পর্কিত এক সরকারি রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, এই সঙ্কটের মোকাবিলা করার জন্য অবিলম্বে প্রায় ৫ হাজার ট্রাক আর ৩০টি ফেরি বোটের দরকার হবে। সরকারি পরিবহন ব্যবস্থা ও জাতিসংঘের ভাড়া করা জাহাজ নিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশে মাত্র ২ লাখ ৬০ হাজার টন রিলিফ ও পুনর্বাসন সামগ্রী বহনের ক্ষমতা আছে। এতে করে। ৪ লাখ ৪০ হাজার টন মাল বহনের ক্ষমতা ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। গত ১৯৭০ সালে চট্টগ্রাম ও চালনা থেকে রেল, সড়ক ও নদীপথে মাল টানার ক্ষমতা ছিল ২ লাখ ৭ হাজার টন। কিন্তু স্বাধীনতার পর জরুরি রিলিফ টানার প্রয়োজনে এই পরিমাণ বাড়ালেও মাল টানার ক্ষমতা জাতিসংঘের ব্যবস্থাসহ মাত্র ২ লাখ ৬০ হাজার টনে পড়ে আছে। এই অবস্থায় কোলকাতা বন্দর আর ভারতীয় রেলওয়ের পরিবহন ক্ষমতা কিছু পরিমাণে ব্যবহার করা যেতে পারে কিন্তু তাতেও দেখা যায়, আরও ৩ লাখ ২০ হাজার টন। মাল পরিবহনের চাহিদায় ঘাটতি থেকে যায়। সরকারি রিপোর্টে বলা হয়, জাতিসংঘ যে জাহাজগুলো ভাড়া করেছেন প্রতি মাসে তার বহন ক্ষমতা ১ লাখ ২০ হাজার টন। এজন্য মাসে ভাড়া আসে ৫ লাখ। ৩০ হাজার ডলার। সবচেয়ে বড় কথা, এই ক্ষমতা খুবই অপ্রতুল এবং জাহাজগুলির ভবিষ্যতও খুবই। অনিশ্চিত। এগুলির ভাড়ার চুক্তি যদি বাতিল হয়ে যায় তাহলে অবস্থাই বা কি দাঁড়াবে?

সরকারি মহলের মতে এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য আসন্য বিষয়ের মধ্যে অবিলম্বে ৫ হাজার ট্রাক ও ৩০টি ফেরি বোট আমদানি করতে হবে।

উজবেকিস্তানে শেখ মুজিব

তাসখন্দ। বাংলাদেশের জনগণের মুক্তি সংগ্রামে সাহায্য করায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান সোভিয়েত সরকার ও সোভিয়েত ইউনিয়নের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বিশেষ জোরের সঙ্গে বলেন যে, রাশিয়ার সমাজতন্ত্রী বিপ্লবে অক্টোবর মাসের সাফল্যই বাংলাদেলের জনগণকে মুক্তি সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করে। তিনি বলেন যে, মহান অক্টোবরের দৃষ্টান্তই বাংলাদেশের মানুষকে তাদের উদ্বেগজনক সংগ্রামে উৎসাহিত করেছিল, আর তার ফলে বাংলাদেশের জনগণ প্রতিক্রিয়াশীল শক্তির বিরুদ্ধে বিরাট জয়লাভ করে।

তিনি বলেন যে, বাংলাদেশের মানুষ প্রতিবেশী ভারত তথা শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর কাছ থেকে অমূল্য সাহায্য পেলেও, সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো মহা শক্তিশালী কেউ না থাকলে এমন সম্ভব হতো না। সরকারিভাবে সোভিয়েত ইউনিয়ন সফরে এসে শেখ মুজিবুর রহমান আজ উজবেকিস্তানে চিত্তাকর্ষকস্থানসমূহ পরিদর্শন করেন।

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে শ্রমজীবীরা হাঁপিয়ে উঠেছে

কুমিল্লা। শহরের বাজারসমূহে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য গগনচুম্বী হয়ে উঠেছে। ফলে শ্রমজীবী ও নিম্নবেতনভুক্ত কর্মচারী হাঁপিয়ে উঠেছে। বর্তমানে স্থানীয় বাজারে সরিষার তৈল প্রতি সের ৭ টাকা থেকে ৮ টাকা, কেরোসিন এক টাকা, ডালডা ৭.৫০ টাকা, লবণ ৩৭ পয়সা, মরিচ ৬ টাকা, হলুদ দেশি ৪.৫০ টাকা, মসুর ২.২৫ টাকা, খেসারী ১.৩৭ টাকা, মটর দুই টাকা, সিং মাছ প্রতি সের ৪ টাকা, মাগুর মাছ ৫ টাকা, শুকনা মাছ ৭ টাকা, গোল আলু ৬২ পয়সা, বড় টমেটো ৬২ পয়সা, কালো বেগুন ৭৫ পয়সা, গোমাংশ ৩.৫০ টাকা থেকে ৪ টাকা, খাশি ৫ টাকা থেকে ৬ টাকা, চিনি ৪ টাকা, গুড় ২.৫০ টাকা, পেয়াজ ১ টাকা, রসুন ২টাকা, সুপারী ১০ টাকা, পান প্রতি ১৮ গন্ডা ৫ টাকা থেকে ৬ টাকা, চাউল প্রতিমণ ৪৮ টাকা থেকে ৫০ টাকা, আঁটা প্রতিমণ ৪০ টাকা। কিশোরগঞ্জ মহকুমার পাকুন্দিয়া কটিয়াদী এলাকায় বিভিন্ন হাটবাজারে ধান-চালসহ বিভিন্ন নিত্যব্যবহার্য জিনিসপত্রের মূল্য বৃদ্ধিতে ক্রেতা সাধারণ হাঁপিয়ে উঠেছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে এখানকার বিভিন্ন হাটবাজারে ধান চালের মূল্য দিন দিন ঊর্ধ্বগামী রয়েছে। বর্তমানে এখানে প্রতিমণ ধান ত্রিশ টাকা হতে বত্রিশ টাকা, চাল প্রতিমণ আটচল্লিশ টাকা হতে বায়ান্ন টাকায় বিক্রয় হচ্ছে।”

৭ মার্চ

রাশিয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব আবদুস সামাদ আজাদ মঙ্গলবার প্রকাশ করেন যে, সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের বন্যা নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনায় সাহায্য করবে। তিনি মন্তব্য করেন যে, বঙ্গবন্ধুর রাশিয়া সফরের ফলে দু’দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নয়া অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার দফতরে এক সাংবদিক সম্মেলনে সোভিয়েত ইউনিয়ন সফরের ফলশ্রুতি ব্যাখ্যা করছিলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রকাশ করেন যে, রাশিয়া সফরকালে বঙ্গবন্ধুকে শুধু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বিপ্লবের প্রতীক হিসেবে সর্বত্র সর্বোচ্চ সম্মান দেয়া হয়েছে। জনাব আজাদ বলেন যে, বঙ্গবন্ধুর রাশিয়া সফরকালে সেখানকার নেতাদের সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে এবং সে আলোচনাও হয়েছে অত্যন্ত সফল। তিনি বলেন যে, সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। সুতরাং এ সম্পর্ক যে স্থায়ী হবে তাতে সন্দেহ নেই।

তিনি জানান যে, আলোচনার সময় দ্বিপক্ষীয় ব্যাপারে ব্যাপক মতৈক্যই শুধু প্রতিষ্ঠিত হয়নি, আত র্জাতিক সমস্যার বিশ্লেষণও দু’দেশের মতামত একইভাবেই প্রকাশ হয়েছে। তিনি বলেন যে, আমরা আমাদের এ সম্পর্ক আরও গভীর করার দৃঢ় আস্থা পোষণ করতে পারি। এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান যে, বঙ্গবন্ধুর সফরকালে বাংলাদেশের বন্যা নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নটিও গুরুত্ব সহকারে আলোচিত হয়েছে এবং রাশিয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পে সাহায্য দান করতে স্বীকৃত হয়েছে। তবে তিনি জানান যে, সাহায্য পাওয়ার আগে আমাদের সামগ্রিক পরিকল্পনা নিয়ে মিত্র রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে আলাপ করতে হবে। কেননা সবকটি নদীর উৎসই ভারতে। তিনি প্রকাশ করেন যে, ইতোমধ্যেই ভারতের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনা শুরু হয়েছে। বাসস এর পরিবেশিত খবরে বলা হয় যে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব আবদুস সামাদ আজাদ আজ বলেন যে, সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশে চালু প্রকল্পের জন্যে ৩ কোটি ৮০ লক্ষ রুবল সাহায্য দানে সম্মত হয়েছে। আজ অপরাহ্নে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি প্রসঙ্গতঃ বলেন যে, উক্ত অর্থের সুদের হার শতকরা দু ভাগ হবে। - তিনি বলেন, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ এ ব্যাপারে সম্মত হয়েছে যে, সাবেক পাকিস্তানে সোভিয়েত ঋণের অংশ এই অঞ্চলে বিনিয়োগ করা হয়েছে, বাংলাদেশ কেবলমাত্র সেটাই পরিশোধ করবে। তিনি আরও বলেন, সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে আরও ৫০ লক্ষ রুবলের দ্রব্যসামগ্রীও সরবরাহ করবে। এছাড়া তারা আমাদেরকে এক হাজার টন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি জাহাজ, ১০টি ট্রলার ও ভ্রাম্যমাণ ওয়ার্কশপসহ পঞ্চাশটি রেল ইঞ্জিন ৩০ হাজার টন চাল ও পাঁচ হাজার টন ভোজ্যতৈল দেবে। জনাব আবদুস সামাদ বলেন যে, যুদ্ধ বিদ্ধস্ত অর্থনীতির পুনর্গঠনের জন্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে ব্যাপক হারে সাহায্য দানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।”

সূত্র : দিনলিপি, বঙ্গবন্ধুর শাসন সময়, ১৯৭২

  • ত্বকী হত্যা ও বিচারহীনতার সাত বছর

    হালিম আজাদ

    ৬ মার্চ ২০১৩ বিকেলে সুধীজন পাঠাগারে যাওয়ার পথে নারায়ণগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সড়ক থেকে মেধাবী কিশোর তানভীর মুহাম্মদ ত্বকীকে

  • বাণী চিরন্তন : বঙ্গবন্ধু চিরন্তন

    মিথুশিলাক মুরমু

    বিবিসির জরিপে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে অভিহিত করা হলে, সেদিন গর্বে বুক

  • গণমাধ্যমে বঙ্গবন্ধু

    বিনাবিচারে আটক অর্ডিন্যান্স বাতিল কর : সংগ্রামলব্ধ ব্যক্তি স্বাধীনতা অক্ষয় হোক সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানের বজ্রধ্বনি : স্বৈরাচারী প্রতিরোধের