• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ৮ কার্তিক ১৪২৭, ৬ রবিউল ‍আউয়াল ১৪৪২

বাণী চিরন্তন : বঙ্গবন্ধু চিরন্তন

মিথুশিলাক মুরমু

| ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২০

বিবিসির জরিপে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে অভিহিত করা হলে, সেদিন গর্বে বুক ফুলে গিয়েছিল। আমাদের স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের উপহার দিয়েছেন, পেয়েছেন বিশ^বাসীর অভিনন্দন, অভিবাদন, প্রশংসা এবং শান্তি সৌভ্রাত্ববোধ আলোকবর্তিকার উপাধিও। স্বীকৃতিতে- শান্তি পুরস্কারেও ভূষিত হয়েছেন। তিনি জীবনভর অসম্প্রদায়িক চেতনা বিশ্বাস ও লালন করেছেন, বাঙালি জাতীয়তাবোধে বাংলা ভাষাভাষী ছাড়াও শত-সহস্র জাতিগোষ্ঠীকে একীভূত করতে সমর্থ হয়েছেন। বাংলার জনসাধারণ ভালোবেসে ‘বঙ্গবন্ধু’তে আখ্যায়িত করেছেন; সত্যিই তিনি জাতি-ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সবার পাশে দাঁড়াতে পেরেছিলেন। তার ভাষণগুলো, বাণীগুলো, বক্তব্যগুলো বিশ্ববাসীকে শান্তি, সম্প্রীতি, সৌভ্রাতৃত্ববোধের চেতনায় জাগ্রত ও পথ দেখাতে পারে। আওয়ামী লীগের ৭০ বছরের স্মরণে ৭০টি বাণী সংকলনের প্রয়াস চালিয়েছি। অগ্রসরমান পাঠকদের উদ্দেশ্যে নিবেদন করা হলো-

‘...আমি জালেমকে ঘৃণা করি, মানুষকে ভালোবাসি, আজকের সংগ্রাম জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের সংগ্রাম। এই সংগ্রাম শোষকের বিরুদ্ধে শোষিতের (ইত্তেফাক ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯)।

‘...শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে সফল করার পূর্বশর্ত। (ইত্তেফাক ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯)।

‘...জনগণের জন্য জনগণ কর্তৃক প্রণীত একটি শাসনতন্ত্রই আমাদের কাম্য (ইত্তেফাক ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯)।

‘...আমি আল্লাহর ওপর নির্ভর করি এবং আমি কোন ব্যক্তির ওপর নির্ভর করি না (ইত্তেফাক ৭ ডিসেম্বর, ১৯৭০)।

‘...অস্ত্রের দিন ফুরাইয়া গিয়াছে। এখন ভালোবাসা আর মহব্বতের দিন। (আজাদ ৪ জানুয়ারি, ১৯৭১)।

‘...ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতির সমৃদ্ধি ছাড়া কোন জাতিই উন্নতি করতে পারে না। (আজাদ ২৫ জানুয়ারি, ১৯৭১)।

‘...জয় বাংলা’ স্লোগানের মধ্যেই এ দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি নিহিত আছে (আজাদ ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১)।

‘...এই বাংলার হিন্দু-মুসলমান, বাঙালি-নন বেঙলি যারা আছে তারা আমাদের ভাই (ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ, ১৯৭১)।

‘...আমি বাঙালি, আমি মানুষ, আমি মুসলমান (রমনা রেসকোর্স, ঢাকা ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২; বাঙালির কণ্ঠ, আগামী প্রকাশনী, ঢাকা)।

‘...বাংলাদেশ একটি আদর্শ রাষ্ট্র হবে (রমনা রেসকোর্স, ঢাকা ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২; বাঙালির কণ্ঠ, আগামী প্রকাশনী, ঢাকা)।

‘...গণশিক্ষা ছাড়া অর্থনৈতিক সমস্যার সফল সমাধান সম্ভব নয়, গণশিক্ষা ছাড়া সমাজতন্ত্রের বাস্তবায়নও সম্ভব নয় (ইত্তেফাক ৩১ মার্চ, ১৯৭২)।

‘...বাংলার মাটি সোনার মাটি, বাংলার মানুষ সোনার মানুষ (ইত্তেফাক ৮ এপ্রিল, ১৯৭২)।

‘...ঘোড়দৌড় ও মদ খাওয়া জাতি দেশের কোন কল্যাণ সাধন করে না (সংবাদ ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২)।

‘...গণতন্ত্র মানে যা খুশি তা করা নয়, যা খুশি তা কাগজে লেখা নয়, উচ্ছৃঙ্খলতা নয়, লুটতরাজ করা নয় (সংবাদ ৭ মে, ১৯৭২)।

‘...শোষক ও সমাজবিরোধীদের স্থান বাংলাদেশে নেই (দৈনিক বাংলা ২৮ জুন, ১৯৭২)।

‘...কৃষক না বাঁচলে দেশ বাঁচবে না (দৈনিক বাংলা ২৮ জুন, ১৯৭২)।

‘... আত্মত্যাগ ছাড়া কোন জাতিই সমৃদ্ধি লাভ করতে পারে না (দৈনিক বাংলা ৬ জুলাই, ১৯৭২)।

‘... নিয়মানুবর্তিতা ছাড়া বিশেষ কোন জাতিই তাদের মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেনি (দৈনিক বাংলা ৬ জুলাই, ১৯৭২)।

‘...যে জাতি রক্ত দিতে শিখেছে, সেই জাতিকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারে না, সেই জতিকে কখনও কেউ পদানত করতে পারে না (বাংলাদেশ গণপরিষদ, ঢাকা, শনিবার, ৪ নভেম্বর ১৯৭২)।

‘...জাতীয়তাবাদ না হলে কোন জাতি এগিয়ে যেতে পারে না (বাংলাদেশ গণপরিষদ, ঢাকা, শনিবার, ৪ নভেম্বর ১৯৭২)।

‘ ...আমি বাংলাদেশের মানুষ, আমি একটা জাতি (বাংলাদেশ গণপরিষদ, ঢাকা, শনিবার, ৪ নভেম্বর ১৯৭২)।

‘...ভাষাই বলুন, শিক্ষাই বলুন, সভ্যতাই বলুন, আর কৃষ্টিই বলুন-সব কিছুর সঙ্গে একটা জিনিস রয়েছে। সেটা হলো অনুভূতি। এই অনুভূতি যদি না থাকে, তাহলে কোন জাতি বড় হতে পারে না (বাংলাদেশ গণপরিষদ, ঢাকা, শনিবার, ৪ নভেম্বর ১৯৭২)।

‘...সরকারি কর্মচারীদের মনোভাব পরিবর্তন করতে হবে যে, তারা শাসক নন-তারা সেবক (বাংলাদেশ গণপরিষদ, ঢাকা, শনিবার, ৪ নভেম্বর ১৯৭২)।

‘...অর্থনৈতিক মুক্তি ব্যতীত রাজনৈতিক স্বাধীনতার কোন অর্থ হয় না (ইত্তেফাক ২০ ডিসেম্বর, ১৯৭২)।

‘...আমি ৩০ লাখ শহীদ এবং স্বাধীনতার জন্য যাহারা সংগ্রাম করিয়াছেন তাহাদের জাতির পিতা। কিন্তু আমি দুর্নীতিবাজ ও দেশদ্রোহী ব্যক্তিদের জাতির পিতা হইতে ঘৃণা করি (ইত্তেফাক ২০ ডিসেম্বর, ১৯৭২)।

‘...একমাত্র বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থাই দ্রুত দেশগড়ার কাজে সহায়ক হতে পারে (বাংলার বাণী ১৬ মার্চ, ১৯৭৩)।

‘...শান্তির স্ট্র্যাটেজিতে অস্ত্র প্রতিযোগিতার পরিসমাপ্তি এবং সর্বাত্মক ও পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের ব্যবস্থা থাকিতে হইবে (ইত্তেফাক ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩)।

‘...রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের চারটি জিনিস প্রয়োজন এবং তা হচ্ছে নেতৃত্ব, ম্যানিফেস্টো বা আদর্শ, নিঃস্বার্থ কর্মী এবং সংগঠন (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশন, ঢাকা ১৮ জানুয়ারি, ১৯৭৪)।

‘...যাদের আদর্শ নাই, যাদের নীতি নাই, যারা দুর্নীতিবাজ, যারা দেশকে ভালোবাসে না, তারা যদি প্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়ে যায় তাতে প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয় না, প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী হয় (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশন, ঢাকা ১৮ জানুয়ারি, ১৯৭৪)।

‘...আন্দোলনের জন্য জনমত সৃষ্টি করতে হয়। আন্দোলনের জন্য আদর্শ থাকতে হয়। আন্দোলনের জন্য নিঃস্বার্থ কর্মী থাকতে হয়। ত্যাগী মানুষ থাকা দরকার (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশন, ঢাকা ১৮ জানুয়ারি, ১৯৭৪)।

‘...রাজনীতিতে যারা সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টি করে, যারা সাম্প্রদায়িকক, তারা হীন, নিচ; তাদের অন্তর ছোট। যে মানুষকে ভালোবাসে সে কোনদিন সাম্প্রদায়িক হতে পারে না (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশন, ঢাকা ১৮ জানুয়ারি, ১৯৭৪)।

‘...জনগণই সব সাহিত্য ও শিল্পের উৎস। জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কোনদিন কোন মহৎ সাহিত্য বা উন্নত শিল্পকর্ম সৃষ্টি হতে পারে না (দৈনিক বাংলা ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪)।

‘...ন্যায়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত শান্তিই দীর্ঘস্থায়ী হইতে পারে (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশন, ঢাকা ১৮ জানুয়ারি, ১৯৭৪)।

‘...শৃঙ্খলা ছাড়া কোন জাতি বড় হতে পারেনি (কুমিল্লা সেনানিবাস, ১১ জানুয়ারি ১৯৭৫)।

‘...আপনারা মানুষের সেবা করুন। মানুষের সেবার মতো শান্তি দুনিয়ায় আর কিছুতে হয় না (রাজারবাগ পুলিশ লাইন ১৬ জানুয়ারি, ১৯৭৫)।

‘...আমরা চাই একটা শোষণহীন সমাজ। আমরা চাই ইনসাফের রাজত্ব (রাজারবাগ পুলিশ লাইন ১৬ জানুয়ারি, ১৯৭৫)।

‘...আমি চাই আপনারা মানুষকে ভালোবাসুন। তাহলেই শান্তি আসবে (রাজারবাগ পুলিশ লাইন ১৬ জানুয়ারি, ১৯৭৫)।

‘... আমরা এমন পুলিশ গঠন করব, যে পুলিশ হবে মানুষের সেবক, শাসক নয় (রাজারবাগ পুলিশ লাইন ১৬ জানুয়ারি, ১৯৭৫)।

‘...আপনি যদি অধিকার ভোগ করতে চান, তবে অন্যের অধিকার রক্ষা করতে হয় (বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ, ২৫ জানুয়ারি, ১৯৭৫)।

‘...দুনিয়ায় কোনদিন পাপ আর পুণ্য পাশাপাশি চলতে পারে না। পুণ্য চলে একদিকে, পাপ চলে অন্যদিকে (বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ, ২৫ জানুয়ারি, ১৯৭৫)।

‘...বাংলাদেশ দুনিয়ায় এসেছে, বাংলাদেশ থাকবে, কেউ একে ধ্বংস করতে পারবে না (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ২৬ মার্চ, ১৯৭৫)।

‘...আমি বিশ্বাস করি না ক্ষমতা বন্দুকের নলে। আমি বিশ্বাস করি, ক্ষমতা বাংলার জনগণের কাছে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ২৬ মার্চ, ১৯৭৫)।

‘...রাজনৈতিক স্বাধীনতা ব্যর্থ হয়ে যায়, যদি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা না আসে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ২৬ মার্চ, ১৯৭৫)।

‘...সরকারি আইন করে কোনদিন দুর্নীতিবাজদের দমন করা সম্ভব নয়, জনগণের সমর্থন ছাড়া (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ২৬ মার্চ, ১৯৭৫)।

‘...আমি বলি আওয়ামী লীগ মানে তো জনগণ (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ২৬ মার্চ, ১৯৭৫)।

‘...আমি মানুষ। আমি মনুষ্যত্বকে ভালোবাসি (ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেডিভ ফ্রস্টের নেয়া সাক্ষাৎকার, ১৮ জানুয়ারি, ১৯৭২)।

‘...নেতার আদর্শ থাকতে হবে, নীতি থাকতে হবে। এই সব গুণ যার থাকে, সে-ই মাত্র নেতা হতে পারে (ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেডিভ ফ্রস্টের নেয়া সাক্ষাৎকার, ১৮ জানুয়ারি, ১৯৭২)।

‘...বাংলাদেশকে যারা মাতৃভূমি বলে স্বীকার করবে, তাদের আমি স্বাগত জানাব (ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেডিভ ফ্রস্টের নেওয়া সাক্ষাৎকার, ১৮ জানুয়ারি, ১৯৭২)।

‘...বাংলাদেশকেও অগ্রসর হতে হবে জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র এই চারিটি মূল সূত্র ধরে, বাংলাদেশের নিজস্ব পথ ধরে (১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২; মুজিববাদ বইয়ের লেখক খোন্দকার মোহাম্মদ ইলিয়াসের কতিপয় প্রশ্নের জবাবে বঙ্গবন্ধু)।

‘...শ্রেণী চেতনা বিকাশের পথে সাম্প্রদায়িকতাবাদ প্রধান অন্তরায় (‘...বাংলাদেশকেও অগ্রসর হতে হবে জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র এই চারিটি মূল সূত্র ধরে, বাংলাদেশের নিজস্ব পথ ধরে (১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২; মুজিববাদ বইয়ের লেখক খোন্দকার মোহাম্মদ ইলিয়াসের কতিপয় প্রশ্নের জবাবে বঙ্গবন্ধু)।

‘...শক্তির উৎস বন্দুকের নল নয়, শক্তির উৎস আমার জনগণ (১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২; মুজিববাদ বইয়ের লেখক খোন্দকার মোহাম্মদ ইলিয়াস-এর কতিপয় প্রশ্নের জবাবে বঙ্গবন্ধু)।

‘...অন্ধ কুসংস্কার ও অলৌকিক বিশ্বাসও বাঙালির দুঃখের আর একটা কারণ (অসমাপ্ত জীবনী- শেখ মুজিবুর রহমান; পৃষ্ঠা- ৪৮)।

‘... নেতারা যদি নেতৃত্ব দিতে ভুল করে, জনগণকে তার খেসারত দিতে হয় (অসমাপ্ত জীবনী- শেখ মুজিবুর রহমান; পৃষ্ঠা- ৪৮)।

‘...এটাই আমাদের দোষ। আমরা সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য যাতে বজায় থাকে তার চেষ্টাই করতে থাকলাম (অসমাপ্ত জীবনী- শেখ মুজিবুর রহমান; পৃষ্ঠা- ৮৮)।

‘... জনসাধারণ চলেছে পায়ে হেঁটে, আর আপনারা আদর্শ নিয়ে উড়োজাহাজে চলছেন। জনসাধারণ আপনাদের কথা বুঝতেও পারবে না, আর সঙ্গেও চলবে না (অসমাপ্ত জীবনী- শেখ মুজিবুর রহমান; পৃষ্ঠা- ১০৯)।

‘... এদেশে রাজনীতি করতে হলে ত্যাগের প্রয়োজন আছে (অসমাপ্ত জীবনী- শেখ মুজিবুর রহমান; পৃষ্ঠা- ১৩৪)।

‘...হিন্দুস্তানের হিন্দুরা অন্যায় করবে বলে আমরাও অন্যায় করব- এটা হতে পারে না (অসমাপ্ত জীবনী- শেখ মুজিবুর রহমান; পৃষ্ঠা- ১৭০)।

‘...আমি মানুষকে মানুষ হিসাবেই দেখি। রাজনীতিতে আমার কাছে মুসলমান, হিন্দু ও খ্রিস্টান বলে কিছু নাই। সবাই মানুষ (অসমাপ্ত জীবনী- শেখ মুজিবুর রহমান; পৃষ্ঠা- ১৯১)।

‘... দেশকে ও দেশের মানুষকে ভালোবাসি (অসমাপ্ত জীবনী- শেখ মুজিবুর রহমান; পৃষ্ঠা-২০৪)।

‘...শাসকরা যখন শোষক হয় অথবা শোষকদের সাহায্য করতে আরম্ভ করে তখন দেশের ও জনগণের মঙ্গল হওয়ার চেয়ে অমঙ্গলই বেশি হয় (অসমাপ্ত জীবনী- শেখ মুজিবুর রহমান; পৃষ্ঠা-২১০)।

‘...প্রকৃতির অকৃপণ সৌন্দর্যে আমাদের জন্ম, সৌন্দর্যই আমরা ভালোবাসি (অসমাপ্ত জীবনী-শেখ মুজিবুর রহমান; পৃষ্ঠা-২১৫)।

‘...সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করি এবং পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে বিশ্বাস করি না (অসমাপ্ত জীবনী-শেখ মুজিবুর রহমান; পৃষ্ঠা-২৩৪)।

‘...সুষ্ঠু নেতৃত্ব ও সুশৃঙ্খল প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন (অসমাপ্ত জীবনী- শেখ মুজিবুর রহমান; পৃষ্ঠা-২৩৭)।

‘...ম্যানিফেস্টো বা ঘোষণাপত্র না থাকলে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না (অসমাপ্ত জীবনী- শেখ মুজিবুর রহমান; পৃষ্ঠা-২৩৯)।

‘...বাঙালিরা রাজনীতির জ্ঞান রাখে এব রাজনৈতিক চেতনাশীল (অসমাপ্ত জীবনী- শেখ মুজিবুর রহমান; পৃষ্ঠা- ২৫৭)।

‘...আওয়ামী লীগ ও তার কর্মীরা যে কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িকতাকে ঘৃণা করে (অসমাপ্ত জীবনী- শেখ মুজিবুর রহমান; পৃষ্ঠা- ২৫৮)।

‘...যারা সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করে, তারা কোনোদিন কোনো রকমের সাম্প্রদায়িকতায় বিশ্বাস করতে পারে না (অসমাপ্ত জীবনী- শেখ মুজিবুর রহমান; পৃষ্ঠা- ২৫৮)।

‘...এই বাংলায় হিন্দু মুসলমান যারা আছে আমাদের ভাই, বাঙালি, অ-বাঙালি তাদের রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের উপর (৭ মার্চের ভাষণ, ১৯৭১।

‘...আমরা যখন মরতে শিখেছি, তখন কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবে না (৭ মার্চের ভাষণ, ১৯৭১।

‘... পবিত্র মাতৃভূমি থেকে শেষ শত্রুকে বিতাড়িত করুন (স্বাধীনতার ঘোষণা, ঢাকা ২৬ মার্চ ১৯৭১)।

  • ত্বকী হত্যা ও বিচারহীনতার সাত বছর

    হালিম আজাদ

    ৬ মার্চ ২০১৩ বিকেলে সুধীজন পাঠাগারে যাওয়ার পথে নারায়ণগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সড়ক থেকে মেধাবী কিশোর তানভীর মুহাম্মদ ত্বকীকে

  • মুজিব শতবর্ষ

    মুজিব শাসন আমল : ১৯৭২

    পাঁচদিনব্যাপী সফরের মাধ্যমে সোভিয়েত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পরিপূর্ণ সমঝোতা সৃষ্টির পর বঙ্গবন্ধু ঢাকা ফিরে এসেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা

  • গণমাধ্যমে বঙ্গবন্ধু

    বিনাবিচারে আটক অর্ডিন্যান্স বাতিল কর : সংগ্রামলব্ধ ব্যক্তি স্বাধীনতা অক্ষয় হোক সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানের বজ্রধ্বনি : স্বৈরাচারী প্রতিরোধের