• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২০, ২২ চৈত্র ১৪২৬, ১০ শাবান ১৪৪১

বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি

| ঢাকা , রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২০

দেশের মানুষের জীবনযাপনের খরচ দিন দিন বাড়ছে। এমনিতে গত কয়েক মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রধান পণ্যগুলোর দামও বেড়েছে। চালের দাম বাড়ানো হয়েছে কয়েক দফায়। বেড়েছে চিনি, ভোজ্যতেল, ডাল, পিয়াজ ও রসুনের দাম। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতিও হঠাৎ লাফ দিয়েছে। সব মিলিয়ে মধ্যম ও নিম্নআয়ের মানুষ যখন সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে, তখনই বিদ্যুৎ ও ঢাকা ওয়াসার পানির দাম বাড়ল। বর্তমানে করোনাভাইরাসের কারণে দেশের পুরো অর্থনীতি প্রায় স্থবির। চীন থেকে কাঁচামাল না আসায় বেশ কিছু শিল্পোদ্যোক্তারা হাত গুটিয়ে আছেন। এ পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও পানির মূল্যবৃদ্ধি অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সহনীয় মাত্রা ছাড়িয়ে যাবে শিল্পের উৎপাদন খরচ। অর্থনীতিবিদরা বলছে, ‘বিদ্যুৎ ও পানি এ দুটি খাতই অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত। দুর্নীতি বন্ধ না করে সাধারণ মানুষের ওপর ব্যায়ের বোঝা চাপানো যৌক্তিক নয়’।

দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে পানি ও বিদ্যুতের চাহিদানুপাতে উৎপাদন এবং যুক্তিসঙ্গত দামে বিতরণের বিকল্প নেই। কিন্তু লোকসান কমাতে অনিয়ম-দুর্নীতি-লুটপাট বন্ধে কঠোর পদক্ষেপের পরিবর্তে বার বার অযৌক্তিক দাম বৃদ্ধির দিকে হাঁটলে নাগরিক জীবনে এর চরম নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কলকারখানা, কৃষিসহ উৎপাদনমুখী সব শিল্পে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে। এতে সাধারণ মানুষ আরো বেকায়দায় পড়বে, যা একটি গণতান্ত্রিক দেশে কাম্য হতে পারে না। সবদিক পর্যালোচনা করে পানি ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা উচিত বলে আমরা মনে করি।

রাশিদুল ইসলাম

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়