• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

বেপোরোয়া মোটরবাইককে এখনই নিয়ন্ত্রণে আনুন

| ঢাকা , বুধবার, ২২ মে ২০১৯

দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের ৫৯ শতাংশ চালকেরই লাইসেন্স নেই অনেক মোটরসাইকেলের নেই রেজিস্ট্রেশন ও অন্যদিকে সড়ক দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহনের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে আছে মোটরসাইকেল।

ঢাকায় মোটরসাইকেলে বিভিন্ন কোম্পানি অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং সেবা শুরু করার পরই মোটরসাইকেলের সংখ্যা হঠাৎ দ্রুতহারে বাড়তে শুরু করে। বর্তমানে রাজধানীতে উবার, পাঠাও, ওভাই, স্যাম, চলো, ইজিয়ার, আমার বাইক, সহজ রাইডার্স, বাহন, আমার রাইড, ঢাকা রাইডার্স, ঢাকা মটরসসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ারের সুবিধা দিচ্ছে। রাইড শেয়ারিং কোম্পানিগুলোর বদৌলতে ক্রমবর্ধমান মোটরসাইকেল ঢাকার যানবাহন ব্যবস্থাপনাকে বিশৃঙ্খল করে তুলছে। বিআরটিএর হিসাব বলছে, গত মার্চ পর্যন্ত সারা দেশে নিবন্ধিত যানবাহনের সংখ্যা ৩৯ লাখের মতো। এর মধ্যে মোটরসাইকেল ২৫ লাখের বেশি। মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন আছে মাত্র সাড়ে ১০ লাখ। এ তথ্য অনুসারে দেশে প্রায় ১৫ লাখ মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন লাইসেন্সবিহীন চালকেরা।

বিআরটিএ যে হারে মোটরসাইকেল নিবন্ধন দিচ্ছে, সে হারে মানসম্মত পরীক্ষার মাধ্যমে লাইসেন্স দিতে পারছে না। এখন প্রশ্ন হলো- মোটরসাইকেলের বৃদ্ধি কি চলবেই নাকি তা নিরুৎসাহিত করা হবে- এ বিষয়ে বিআরটিএর কোন নীতি নেই। ফলে একটা ঝুঁকির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

বুয়েটের এক গবেষণায় দেখা গেছে, চার চাকার যানের চেয়ে দুই চাকার যানে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি ৩০ শতাংশ বেশি। গাড়ির ভেতরে যেমন চারদিক থেকে একটা নিরাপত্তা বলয় থাকে, মোটরবাইকে সেটা থাকে না। এ কারণে আরোহীদের পাশাপাশি পথচারীরাও দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে থাকেন। অধিকাংশ মোটরচালকই আইন মানেন না। বেশিরভাগ পয়েন্টেই আরোহীরা ট্রাফিক সিগন্যাল না মেনে ফাঁকফোকর দিয়ে চলছেন। অনেক মোটরসাইকেল আরোহী ফুটপাতের ওপর দিয়ে মোটরসাইকেল চালানো তাদের অধিকার বলে মনে করে। ঈদ বা কোন উৎসবে নবীন বা অদক্ষ চালকরা বেপরোয়া গতিতে মোটরবাইক চালিয়ে থাকে। তীব্র হর্ন দিয়ে দ্রুতগতিতে ফুটপাতের ওপর দিয়ে মোটরসাইকেল চলার দৃশ্য যেন স্বাভাবিক হয়ে গেছে। স্কুল, কলেজ, গুরুত্বপূর্ণ স্থান অতিরিক্ত বিকট শব্দের হর্ন দেয়া। অদক্ষ চালক, অবৈধ ওভারটেক, পুরনো যন্ত্রাংশ, মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে ড্রাইভ করতে থাকা প্রভৃতি কারণে দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।

পাবলিক চাহিদা যদি বিকল্পভাবে মেটানো না যায় তবে মোটরসাইকেল আরও বাড়বে। যেখানে গণপরিবহন পর্যাপ্ত না সেখানে রাইড শেয়ারিং কোম্পানিগুলো সুযোগ নিতেই পারে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, অল্পকিছু মানুষের সুবিধার জন্য মেগা প্রজেক্ট করা হয়। কিন্তু অধিকাংশ মানুষের যাতায়াতের জন্য কোন পলিসি গ্রহণ করা হয় না। যদি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বসে একটা বিকল্প তৈরি না করা যায় তবে আগামীতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে যাবে। অতিরিক্ত মোটরসাইকেল হওয়াতে সড়কে চাপ বাড়ছে। বেপরোয়াভাবে চলাচল করছে। ট্রাফিক আইন না মেনে ফুটপাথ ও উল্টোপথে চলাচল করছে। সুতরাং যত দ্রুত সম্ভব এর একটা সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।

  • ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি নয়

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি গ্রহণযোগ্য নয়। গত সোমবার