• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ১২ ফাল্গুন ১৪২৭ ১২ রজব ১৪৪২

দুবাই প্রবাসী আটকে পড়া বাংলাদেশিদের দ্রুত ফিরিয়ে আনুন

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৪ জুলাই ২০১৯

দুবাইয়ে বাংলাদেশসহ ভারত ও পাকিস্তানের প্রায় ৩০০ শ্রমিক মানবেতর জীবনযাপন করছেন। গত রোববার দেশটির সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিসার মেয়োদ শেষ হয়ে যাওয়া এসব কর্মীর নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান ভিসা নবায়নে অনীহা দেখানোয় খাবার আর স্বাস্থ্য সংকটে ভুগছেন তারা। এ অবস্থায় দুবাইয়ের দার আল বার সোসাইটি নামে একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠান এসব কর্মীকে সহায়তা দেয়া শুরু করেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এসব কর্মী জানিয়েছেন, প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে বেতন অনিয়নিমতভাবে দেয়া হচ্ছে। এর ফলে তাদের খাদ্য ও বাসস্থান সংকট দেখা দেয়। কেউ কেউ জানিয়েছেন, তারা তিন মাস আবার কেউ কেউ বলছেন পাঁচ মাস বা তার চেয়েও বেশি দিন বেতন পান না।

বিষয়টি অত্যন্ত অমানবিক। দুবাইয়ের মতো মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে বাংলাদেশিরা দালালের খপ্পরে পড়ে অথবা যাদের অধীনে কাজ করে তাদের নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরছেন অথবা সে দেশে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, পাসপোর্টও নিয়োগদাতার কাছে থেকে গেছে। নিযোগদাতা একের পর এক প্রতিশ্রুতি দিয়েই যাচ্ছে যে, দ্রুত পাওনা দিয়ে দেবেন। কিন্তু তারা কিছুই করেনি।

নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দালালদের আঁতাত থাকার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রথম কাজ হচ্ছে দুবাইয়ে মানবেতর অবস্থায় আটকে আছেন যে কয়জন শ্রমজীবী মানুষ তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা। তাদের পাওনা বেতন আদায় করা। বাংলাদেশের দূতাবাসের মাধ্যমে এ সমস্যা দুবাই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যার সুরাহা করা যেতে পারে। প্রয়োজনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ ব্যাপারে ভূমিকা পালন করতে হবে। ভিসার মেয়াদ শেষ, চাকরি নেই, ভিসা নবায়নও করা হচ্ছে না, বেতন রয়েছে পাওনা- এ পরিস্থিতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে যৌথভাবে কাজটি করতে হবে। আমাদের প্রত্যাশা, যারা তাদের শ্রম দিয়ে দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেন, তাদের সসম্মানে দেশে ফিরিয়ে আনা প্রশ্নে সরকার দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করবে।