• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ৮ ফল্গুন ১৪২৬, ২৬ জমাদিউল সানি ১৪৪১

টোল আদায়ের আগে মহাসড়কগুলোর বেহাল দশা দূর করুন

| ঢাকা , বুধবার, ০২ অক্টোবর ২০১৯

দেশের চার মহাসড়কে টোল আদায়ের সরকারি সিদ্ধান্ত কার্যকর করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে। এগুলো হলÑ ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-রংপুর জাতীয় মহাসড়ক। ধাপে ধাপে দেশের সকল ছয় লেন ও আট লেনের মহাসড়কেও টোল বসবে। ইতিমধ্যেই সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলীকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা মহাসড়কগুলোর কোন কোন জায়গায় কয় ধাপে কী পরিমাণে টোল আদায় করা হবে, সেসব বিষয়ে কাজ করছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টোল থেকে আদায়কৃত অর্থ সড়ক-মহাসড়কের সংস্কার, রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় করা হবে। প্রশ্ন হচ্ছেÑ আদৌ কি তাই করা হবে, নাকি সড়কগুলো যেমন রয়েছে তেমনই থাকবে। টোল যে আদায় করা হবে সহাসড়কে সে ব্যাপারে আমরা দ্বিমত পোষণ করছি না। আমরা এটা সমর্থন করছি এবং এর পক্ষেও আমাদের মত রয়েছে। কিন্তু সমস্যাটা হলোÑ দেশের মহাসড়কগুলো খানাখন্দে ভরা, ভাঙাচোরা এবং চলাচলের অনুপযোগী। সড়কের বেহাল দশার কারণে মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আবার মহাসড়কগুলোর এ বেহাল দশার কারণে ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা। ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা হয়েছে ঠিকই কিন্তু তারপরও দেখা গেছে, এই চার লেনের মহাসড়কের অনেক স্থানে রাস্তা দেবে গেছে অথবা ভেঙে গেছে। বোঝা যায় যে, এসব মহাসড়কে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও মহাসড়কে টোল আদায় করা হবে। বিশ্বের যেসব দেশে টোল আদায় করা হয়, সেসব দেশের মহাসড়কগুলো উন্নতমানের এবং সেগুলোতে খানাখন্দও নেই, ভাঙাচোরাও নেই; আর যাত্রীদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হয় না। যেটা আমাদের দেশে রয়েছে।

আমাদের কথা হচ্ছে, দেশের মহাসড়কগুলোতে যে সমস্যাগুলো বিদ্যমান সেগুলো আগে দূর করতে হবে। খানাখন্দ, ভাঙাচোরা, দেবে যাওয়া সড়কগুলো সঠিকভাবে সংস্কার করতে হবে। অর্থাৎ সড়কগুলোর মানোন্নয়ন এবং নিরাপদ ও নিরুপদ্রব চলাচলের উপযোগী করতে হবে। এসব সড়কে ভালো এবং মানসম্পন্ন উপকরণ ব্যবহার করতে হবে; যাতে এগুলো টেকসই হয়। এতে যাত্রী ভোগান্তিও কমবে সড়ক দুর্ঘটনাও কমবে। এগুলো নিশ্চিত করে তারপর টোল আদায়ের বিষয়টি কার্যকর করতে হবে।