• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৯ রবিউস সানি ১৪৪১

‘শেখ হাসিনা ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানে কাজ করছেন’

সংবাদ :
  • কূটনৈতিক বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০১৯

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘ নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সদর দফতরে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) শতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত উচ্চ পর্যায়ের সভায় তিনি একথা বলেন। মোমেন বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির বর্তমান ধাপে প্রধানমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য সবার জন্য সম্মানজনক কাজ নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে জনগণের ক্ষমতায়ন আরও শক্তিশালী করা।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি মারিয়া ফার্নান্দা এস্পিনোসা গার্সেজ আইএলওর শতবর্ষ উপলক্ষে ‘কাজের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক বিশেষায়িত এই সভা আহ্বান করেন। বিশেষায়িত এই সভায় জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এবং আইএলও এর মহাপরিচালক গাই রাইডার বক্তব্য দেন। এতে সদস্য দেশগুলোর মন্ত্রী, রাষ্ট্রদূত, প্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক ট্রেড ইউনিয়নের ও মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বিশ্বে সামাজিক ন্যায়বিচার সৃষ্টির ক্ষেত্রে আইএলওর ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। আইএলওর শতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতিসংঘ আয়োজিত অনুষ্ঠানটি গত ১০ এপ্রিল শুরু হয়ে ১১ এপ্রিল শেষ হয়।

মাসুদ বিন মোমেন বলেন, বাংলাদেশ এখন স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পথে। গুরুত্বপূর্ণ এ সময়ে জনগণকে ক্ষমতায়িত করা এবং সমতা ও সামগ্রিকতা নিশ্চিত করার মুখ্য নিয়ামক হিসেবে সবার জন্য সম্মানজনক কাজ নিশ্চিতে জোর দিয়েছে শেখ হাসিনার সরকার।’

বাংলাদেশের শ্রম আইনের মূলনীতি তুলে ধরে মোমেন বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শোষণ ও বৈষম্যমুক্ত এবং সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যা আমাদের জাতীয় শ্রমনীতিতে প্রতিফলিত হয়েছে। কাজের অনানুষ্ঠানিকতা হ্রাস, ভালো মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই আমরা আমাদের উন্নয়ন পরিকল্পনা, নীতি ও পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ১০ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ১০০ নতুন বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার কাজে হাত নিয়েছে। পাশাপাশি সরকার এসএমই খাতকেও উৎসাহিত করছে, যাতে বিশেষ করে নারী ও যুবকদের জন্য সম্মানজনক কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়।