• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২০, ০১ শ্রাবণ ১৪২৭, ২৩ জিলকদ ১৪৪১

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে শর্ট মিড ও লংটার্ম নীতিমালা গ্রহণ করতে হবে

এলজিআরডিমন্ত্রী

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , রোববার, ০৭ এপ্রিল ২০১৯

image

গুলিস্তানের মহানগর নাট্যমঞ্চে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ এর মহাসমাবেশে অতিথিরা -সংবাদ

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে শর্ট টাইম, মিড টাইম এবং লং টাইম নীতিমালা গ্রহণ করতে হবে। গাড়ি এবং চালকের ফিটনেস অবশ্যই চেক করতে হবে। চালকদের অবশ্যই প্রশিক্ষিত হতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনা অনেক কারণে হয়। কারণগুলো খুঁজে বের করে সমাধান করতে পারলেই আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী (এলজিআরডি) মো. তাজুল ইসলাম।

গতকাল রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে নিরাপদ সড়ক চাই (নিচসা) এর অষ্টম মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সংগঠনের চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের সভাপতিত্বে মহাসমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। এতে সারাদেশের ১২০টি শাখার নিরাপদ সড়ক চাই’র সদস্যরা অংশ নেন।

সড়ক দুর্ঘটনাকে এক নম্বর চ্যালেঞ্জ হিসেবে সরকারকে গ্রহণ করতে হবে বলে জানিয়ে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) প্রধান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, সড়কের ওপর চাপ কমাতে হবে। এজন্য রেলপথ ও নৌপথকে গুরুত্ব দিতে হবে। আধুনিকায়ন করতে হবে। তাহলে সড়কে মৃত্যুর সংখ্যা অনেক কমে যাবে। ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, একজন চালককে প্রশিক্ষণ দিতে মাত্র ১১০০ টাক খরচ হয়। তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করতে পারলে সড়কে প্রাণহানি অনেক কমে যাবে। অনেক লাইসেন্সপ্রাপ্ত চালকও জানে না কোন রাস্তায় কতো স্পিডে গাড়ি চালাতে হবে। আমাদের আন্দোলন কোন চালকের বিরুদ্ধে নয়। আমাদের আন্দোলন সড়ক দুর্ঘটনার বিরুদ্ধে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সড়কের বিষয়ে অনেক আন্তরিক। তিনি দেশকে এগিয়ে নিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারকে সড়ক দুর্ঘটনাকে এক নম্বর চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের সবার পছন্দের নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি নিরাপদ সড়কের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তবে আজ নিরাপদ সড়কের পাশাপাশি নিরাপদ শহর গড়ে তুলতে হবে। নিরাপদ সড়ক এবং নিরাপদ শহর গড়ে তুলতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ইলিয়াস কাঞ্চন ২৬ বছর ধরে নিরাপদ সড়কের জন্য কাজ করছেন। আমাদের সবাইকে একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করে কাজ করতে হবে। বাস মালিকদের চালক নিয়োগের সময় তার লাইসেন্স চেক করতে হবে। পথচারীদের সচেতন হতে হবে। পাবলিক এবং প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে যানবাহন ব্যবস্থা পরিচালনা করতে হবে। পাঠ্যবইয়ের দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সড়কে সচেতনতার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তাহলেই আমরা আমাদের সড়কগুলো নিরাপদ করতে পারবো।