• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৯ আশ্বিন ১৪২৬, ২৪ মহররম ১৪৪১

জ্ঞানের আলোয় উদ্ভাসিত বাংলাদেশ গড়তে

সৃজনশীল বই ও সমৃদ্ধ গণগ্রন্থাগারের বিকল্প নেই

সংবাদ :
  • সাংস্কৃতিক বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , বুধবার, ২২ মে ২০১৯

image

গতকাল বাংলা একাডেমিতে ‘আলোঘর’ প্রকাশনার গণগ্রন্থাগারে বই প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তারা -সংবাদ

‘জ্ঞানের আলোয় উদ্ভাসিত বাংলাদেশ’ গড়তে মানসম্পন্ন সৃজনশীল বই প্রকাশ ও সমৃদ্ধ গণগ্রন্থাগারের বিকল্প নেই। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে বই পড়ায় উৎসাহিত করতে গণগ্রন্থাগারের ভূমিকা অনস্বীকার্য। গতকাল বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ ফর সোশাল এডভান্সমেন্ট (দিশা)’র সামাজিক উদ্যোগ ‘আলোঘর’ কর্তৃক দেশের ২৮টি জেলার ৩৮টি গণগ্রন্থাগারে বই অনুদান অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য ফেরদৌসী ইসলাম জেসী, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান ও সিডিএফ’র নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুল আউয়াল। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, দিশা পরিচালিত আলোঘর’র এ উদ্যোগটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা পাঠাগারসমূহকে বই প্রদানসহ নানামুখী কার্যক্রমে সংযুক্ত রাখার যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা একটি মাইলফলক। এটাকে আমি ব্যক্তিগতভাবে সাধুবাদ জানাই।

দিশার প্রধান নির্বাহী মো. সহিদ উল্লাহ স্বাগত বক্তব্যে আলোঘরের বিস্তারিত কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, বই প্রকাশ করে ঘরে সংরক্ষিত রেখে জ্ঞানের বিকাশ ঘটবে না, বরং বই চারিদিকে ছড়িয়ে দিতে হবে। দেশের সব গণগ্রন্থাগারকে সচল রাখতে তিনি বই প্রদানের এ কার্যক্রমটি শুরু করেন বলে জানান।

আতিউর রহমান বলেন, দিশার কর্ণধার মো. সহিদ উল্লাহ বই পড়া ও পড়ানোর যে উদ্যোগটি নিয়েছেন সেটাকে রীতিমতো আন্দোলন বলা চলে। যে আন্দোলনে আমাদের সবার জড়িত থাকা জরুরি।

কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী দিশার এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, জ্ঞান বিকাশে বইয়ের বিকল্প নেই। তিনি এ কার্যক্রমটির সফলতা ও ধারাবাহিকতা প্রত্যাশা করে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

জ্ঞানের আলো ছড়ানোর জন্য দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চলমান গ্রন্থাগার সমূহ যে মূল্যবান অবদান রাখছে তার সঙ্গে একাত্মতা ও সহযোগিতা করার জন্যই আলোঘর কার্যক্রমের পক্ষ থেকে দেশের ২৮টি জেলার ৩৮টি গণগ্রন্থাগারসমূহে বই প্রদান করা হয়। ২০০৪ সাল থেকে আলোঘর তথা গণগ্রন্থাগার সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে। মূলত ‘আলোঘর’ এর মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের বইমুখী করে তাদের মাদকাশক্তি, সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধ প্রবণতা থেকে মুক্ত রাখা। ২০১৪ সাল হতে পাঠকদের চাহিদা অনুসারে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি লেখকের সৃজনশীল ও মানসম্মত বই প্রকাশ করে আসছে আলোঘর।

বর্তমানে দেশের ৪টি জেলা (ঢাকা, কুমিল্লা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ) এর মোট ৬টি স্থানে আলোঘর কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। আলোঘরকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সেবা প্রদানের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন গণগ্রন্থাগারসমূহের সমন্বয়ে ‘লাইব্রেরি সেবাকার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে প্রতিবছর দেশের চলমান গণগ্রন্থাগারসমূহে সৃজনশীল বই অনুদানের উদ্যোগ হাতে নেয় আলোঘর।