• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৭ রবিউস সানি ১৪৪২

সীমান্তে ৭৩টি বিওপি নির্মাণ করবে বিজিবি

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

সীমান্তে ৭৩টি নতুন আধুনিক কম্পোজিট বিওপি (বর্ডার আউট পোস্ট) নির্মাণ করবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গতকাল এ বিষয়ে একনেকের সভায় অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ২০টি জেলার ৪০টি উপজেলার সীমান্তে এসব বিওপি নির্মাণ করা হবে।

বিজিবি জানায়, ইতোপূর্বে ১৩৪টি বিওপি (বর্ডার আউট পোস্ট) নির্মিত হয়েছে। নতুন ৭৩টি আধুনিক বিওপি নির্মাণের ফলে সীমান্তে জনবল বৃদ্ধি, বিওপিতে কর্মরত বিজিবি সদস্যদের বাসস্থান সেবা উন্নতকরণ, ভৌত সুবিধা এবং কাঠামোগত নিরাপত্তা জোরদার করা সম্ভব হবে। এতে বিজিবি’র অপারেশনাল সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধিসহ সৈনিক মনোবলের উপরে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করবে ।

বিজিবি সদর দফতর জানায়, প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় ও নিদের্শনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিজিবি’র অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধি ও দেশের সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সীমান্তে ৭৩টি নতুন আধুনিক কম্পোজিট বিওপি নির্মাণ করবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে খ্যাত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এখন বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতীক। দুর্গম পার্বত্য অঞ্চল, নদী সীমান্তসহ সমগ্র বাংলাদেশের স্থল সীমান্ত জুড়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থেকে সততা, নিষ্ঠা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত মহান দায়িত্ব ও কর্তব্য নিরবচ্ছিন্নভাবে পালন করে আসছে। সীমান্তে জনবল বৃদ্ধি, বিওপিতে কর্মরত বিজিবি সদস্যদের বাসস্থান সেবা উন্নতকরণ, ভৌত সুবিধা এবং কাঠামোগত নিরাপত্তা জোরদারকরণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী এই বাহিনীর ধারাবাহিক উন্নয়নে বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল একনেকের সভায় আরও ৭৩টি নতুন কম্পোজিট বিওপি নির্মাণের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সদয় অনুমোদন প্রদান করেছেন। এজন্য বিজিবি পরিবারের পক্ষ থেকে মহাপরিচালক প্রধানমন্ত্রীকে অশেষ ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। এটা বিজিবি’র তথা দেশের ধারাবাহিক উন্নয়নের মাইল ফলক হিসেবে চিরদিন স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

সূত্র জানায়, গতকাল জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের প্রস্তাবিত ২৩৩ কোটি টাকার এ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। ২০২২ সালের মধ্যে এসব বিওপি নির্মাণ শেষ করার কথা রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ, ভারত ও মায়ানমারের মধ্যে আন্তর্জাতিক সীমান্ত সুরক্ষা, বর্ডার অবজারভেশন পোস্টের (বিওপি) মাধ্যমে চোরাচালান বিরোধী অপারেশন পরিচালনা, মানবপাচার এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বজায় রাখা সম্ভব হবে বলে জানানো হয়। এছাড়াও ৭৩টি বিওপি’তে দুই হাজার ২৭৬ জন সৈনিকের সুরক্ষিত বাসস্থান নিশ্চিত হবে এবং অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়বে। প্রকল্পটির আওতায় দেশের সীমান্ত পাহারায় সার্বক্ষণিক নিয়োজিত বিজিবি সেনাদের জন্য অধিকতর নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর আবাসন সুবিধা দেয়াসহ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সরঞ্জামাদির নিরাপত্তা সুরক্ষার মাধ্যমে তাদের সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন ও সেবার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে।