• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০১৯, ৭ চৈত্র ১৪২৫, ১৩ রজব ১৪৪০

প্রগতিশীল লেখক সংঘের সম্মেলন

সাহিত্যের কাজ সামাজিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে মানুষকে প্রতিবাদী করা

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , শনিবার, ১৬ মার্চ ২০১৯

image

জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘের শোভাযাত্রা -সংবাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, সাহিত্যের কাজ হচ্ছে সমাজের বাস্তবতাকে সামনে নিয়ে আসা। সবধরনের সামাজিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন এবং প্রতিবাদী করা। আমাদের লেখকদের এ দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসতে হবে। গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র মিলনায়তনে বাংলাদেশ প্রগতিশীল লেখক সংঘের জাতীয় সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ব-উপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে সম্মেলন উদ্ধোধন করেন কবি মোহাম্মদ রফিক। সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে ত্রিপুরা থেকে কবি সঙ্গীতা দেওয়ানজী ও ছত্তিশগড় থেকে কবি-সাংবাদিক নাথমল শর্মা অংশগ্রহণ করেন। উদ্বোধনী আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রগতিশীল লেখক সংঘের কবি গোলাম কিবরীয়া পিনুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত টিপু, কবি অভিনু কিবরিয়াসহ জেলা থেকে আগত প্রতিনিধিগণ।

অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমাদের লেখকদের সংঘবদ্ধ হতে হবে। সংঘবদ্ধ না হলে মানুষের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব নয়। এমনকি লেখকদের দার্শনিকতা থাকতে হবে। তবে লেখা এবং লেখক এক নয়, কারণ তার সাহিত্যসৃষ্টিই তাকে অতিক্রম করে, যেমন সাহিত্যিক বানজাক একজন প্রতিক্রিয়াশীল মানুষ ছিলেন, কিন্তু তার লেখা প্রগতির পক্ষে ছিল।

চত্তিশগড়ের কবি নাথমল শর্মা বলেন, যে মানুষ অন্য মানুষের দুঃখ বোঝে না সে সাহিত্য বোঝে না। কারণ ক্যাপিটালিজম এখন করপোরেট কালচারের ওপর ভর করে আছে। আর সেই করপোরেট কালচার রাষ্ট্র এবং সমাজকে তোয়াক্কা করে না। এই কালচার সবকিছু গ্রাস করে ফেলেছে।

ত্রিপুরার কবি সঙ্গীতা দেওয়ানজি বলেন, আমাদের দুই বাংলার ভাষা, সংস্কৃতি এবং নদী এক। আমরা এপার বাংলা থেকে মসজিদের ও মন্দিরের সুর শুনতে পাই, তাহলে কাঁটাতার দিয়ে আমাদের অন্তরের ভাষার সীমানা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তাই বলতে হয়, বাংলা আপনার যেমন আমারও তেমন।