• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ২৮ চৈত্র ১৪২৭ ২৭ শাবান ১৪৪২

সারাদেশে মাসব্যাপী নাট্যোৎসবের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

সংবাদ :
  • বাসস

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০

image

গতকাল গণভবন থেকে সারাদেশে মাসব্যাপী নাট্যোৎসবের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী

খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক চর্চা দেশের উন্নয়নে অপরিহার্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা যত বেশি এর চর্চা করব ততই তরুণ ও যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রাখতে সক্ষম হব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশকে আরও উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই এবং আমি মনে করি আমাদের তরুণ ও যুবসমাজকে খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক চর্চায় অধিক হারে সম্পৃক্ত করতে পারাটা এই লক্ষ্য অর্জনে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল গণভবন থেকে সারাদেশে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের মাসব্যাপী নাট্যোৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন।

মাদক, সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদ একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায় উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সংস্কৃতির বিকাশ একটি জাতির বৈশিষ্ট্য, যা আমাদের ধরে রাখতে হবে এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলে সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্য দিয়েই কিন্তু একটি জাতির স্বকীয়তা তুলে ধরা, প্রকাশ ও প্রচার করা যায়।’

বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় প্রায় ৪শ’ নাট্যদলের অংশগ্রহণে সারাদেশের ৬৪ জেলায় এই মাসব্যাপী ‘জাতীয় নাট্যোৎসব-২০২০’র আয়োজন করেছে।

মুজিববর্ষের প্রাক্কালে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের এই মাসবাপী নাট্যোৎসবকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আখ্যায়িত করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি মনে করি এর মধ্য দিয়ে আমরা বক্তৃতা করে যা বলতে না পারব বা যতটা মানুষের কাছে পৌঁছতে পারব, তার চেয়ে অনেক বেশি আপনারা সংস্কৃতিকর্মীরা এই নাট্যোৎসবের মধ্য দিয়ে পৌঁছতে পারবেন।’ তিনি এ সময় শিক্ষা জীবনে ‘নুরুলদিনের সারাজীবন’ এবং ‘নীলদর্পণ নাটক’ এসে মঞ্চে দেখার স্মৃতিচারণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দুই-তিনবারই দেখেছি। আর যতবার দেখেছি আমি চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।’

তিনি বলেন, ‘নীল দর্পণ’ নাটকের মধ্য দিয়ে জমিদাররা যে কিভাবে প্রজাদের নির্যাতন করতো তা তুলে ধরা হয়।’

এর আগে ঢাকা, সিলেট, রংপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রামের শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘নুরুলদিনের সারাজীবন’ সহ বেশ কয়েকটি সংক্ষিপ্ত নাটক উপভোগ করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। বাংলাদেশ গ্রপ থিয়েটার ফেডারেশনের সভাপতি এবং শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলীসহ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও গণভবন প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন।