• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ২৮ চৈত্র ১৪২৭ ২৭ শাবান ১৪৪২

সাম্প্রদায়িক অপশক্তি সরকারি দল ও প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে অবস্থান করছে নির্মূল কমিটি

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , সোমবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২১

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি লেখক সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির বলেছেন, ‘এখনও ’৭১-এর ঘাতক দালাল মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক অপশক্তি এবং তাদের রাজনৈতিক ও আদর্শিক উত্তরসূরিরা সরকারি দলসহ বিভিন্ন দলে এবং প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে অবস্থান করছে, যাদের দ্রুত চিহ্নিত করে অপসারণ না করলে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের যাবতীয় অর্জন ধ্বংস হয়ে যাবে।’

গতকাল মিরপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে এক ওয়েবিনারে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা কামাল আহমেদ মজুমদার। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছেন মিরপুর রণাঙ্গনের অন্যতম অধিনায়ক মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) হেলাল মোর্শেদ খান বীরবিক্রম, নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, নির্মূল কমিটির সহ-সভাপতি শহীদজায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ ’৭১-এর সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন হাবীব, বিশিষ্ট চলচ্চিত্রনির্মাতা নাট্যব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন ইউসুফ, ‘মুক্তিযুদ্ধের শেষ রণাঙ্গন মিরপুর : জহির রায়হান অন্তর্ধান রহস্যভেদ’ গ্রন্থের লেখক সাংবাদিক জুলফিকার আলি মানিক, মিরপুর শহীদ চলচ্চিত্র নির্মাতা ও কথাশিল্পী জহির রায়হানের পুত্র অনল রায়হান, মিরপুর শহীদ সাংবাদিক আবু তালেবের পুত্র খন্দকার আবুল আহসান, আমরা নতুন প্রজন্ম-এর আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম কিরণ ও নির্মূল কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী মুকুল।

শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘’৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর সারাদেশে পাকিস্তানি হানাদার ৯০ হাজারেরও বেশি সদস্য আত্মসমর্পণ করলেও এদের কয়েকজন এবং মিরপুরের ঘাতক রাজাকার, আলবদররা আত্মসমর্পণ করেনি। জামায়াতে ইসলামীর ঘাতক আলবদর বাহিনীর সদস্যরা কোথাও আত্মসমর্পণ করেনি। জনরোষ থেকে আত্মরক্ষার জন্য তারা বিষধর সাপের মতো গর্তে লুকিয়ে ছিল। গোপনে তারা পাকিস্তানের হয়ে বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের অন্তর্ঘাত চালিয়েছে এবং বিভিন্ন দলে অনুপ্রবেশ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে।’ তিনি বলেন, ‘নির্মূল কমিটি দীর্ঘকাল যাবত মিরপুরের বিশাল বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণের দাবি জানাচ্ছে। এসব বধ্যভূমিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের অবাঙালি দোসরদের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিবরণ ’৭২- জাতীয় গণমাধ্যমসমূহে প্রকাশিত হয়েছে। মিরপুরের অধিকাংশ বধ্যভূমি বেদখল হয়ে গেছে। এগুলো দখলমুক্ত করে জল্লাদখানা বধ্যভূমির মতো সংরক্ষণ করার জন্য আমরা মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।’