• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২০, ১৩ সফর ১৪৪২, ১৬ আশ্বিন ১৪২৭

সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী তথ্যমন্ত্রী

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , সোমবার, ০৪ মে ২০২০

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকার গণমাধ্যমের অবাধ বিস্তৃতি এবং স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে বলেই গত ১১ বছরে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটেছে। গতকাল সচিবালয়ে নিজ দফতরে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে অনলাইনে দেয়া সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে দায়িত্বশীল গণমাধ্যম : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা যেমন প্রয়োজন একই সঙ্গে আমাদের সম্মিলিত দায়িত্বশীলতাও প্রয়োজন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রকে এগিয়ে নেয়া এবং বহুমাত্রিক সমাজ বিনির্মাণে মুক্ত, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সব সাংবাদিক এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সাংবাদিকরা এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে যারা যুক্ত আছেন তারা, এই বৈশ্বিক দুর্যোগ করোনো পরিস্থিতির মধ্যে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। তথ্যমন্ত্রী করোনায় মারা যাওয়া সাংবাদিকের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং যেসব সাংবাদিক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তারা যাতে দ্রুত আরোগ্য লাভ করেন, মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে সেই প্রার্থনা করেন।

এগারো বছরে সাড়ে ৮শ’ নতুন দৈনিক, এক হাজার সাপ্তাহিক : তথ্যমন্ত্রী এ সময় পরিসংখ্যান দিয়ে বলেন, আমাদের সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও অবাধ এবং মুক্ত গণমাধ্যমে বিশ্বাস করে। সেই কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর বাংলাদেশে গণমাধ্যমের ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটেছে। তিনি বলেন, ‘২০০৯ সালে দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা ছিল ৪৪৫টি, ২০২০ সালে এখন দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা ১২৯৪টি। ২০০৯ সালে সাপ্তাহিক পত্রিকার সংখ্যা ছিল ২০৮টি, এখন সেটি ১২০৮টি।

নতুন টিভি ৩৫টি, রেডিও অর্ধ শতাধিক : ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের পরিসংখ্যান তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী জানান, রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ২০০৯ সালে ছিল ২টি, এখন রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ৪টি। বেসরকারি টেলিভিশন ২০০৯ সালের শুরুতে ছিল ১০টি। আর এখন ৪৫টি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এফএম বেতার ২০০৯ সালে একটিও ছিল না। এখন ২৪টি এফএম বেতার কেন্দ্রের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগ সম্প্রচারে আছে। কমিউনিটি রেডিও ২০০৯ সালে একটিও ছিল না। এখন ৩২টি কমিউনিটি রেডিও অনুমোদন দেয়া আছে। এরমধ্যে অনেকগুলো সম্প্রচারে আছে। এই পরিসংখ্যানেই বলে যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকার গণমাধ্যমের অবাধ বিস্তৃতি এবং স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। সে কারণেই গত ১১ বছরে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটেছে।

রিজভীর বক্তব্য উদ্ভ্রান্তের প্রলাপ : বিএনপি নেতা রিজভী আহমেদের সাম্প্রতিক মন্তব্যের বিষয়েং সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি রিজভী আহমেদের বক্তব্য দেখেছি। তিনি অসুস্থ ছিলেন, আরোগ্য লাভ করেছেন। এজন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। তবে তিনি যেভাবে বক্তব্য রাখছেন, তা আমার কাছে উদ্ভ্রান্তের প্রলাপের মতো মনে হয়। এই মহাদুর্যোগের সময় রিজভী আহমেদসহ বিএনপি নেতারা ফটোসেশন এবং বিষোদগার ও মিথ্যাচারের রাজনীতি নিয়েই ব্যস্ত।

করোনা মোকাবিলায় বিশ্বসম্প্রদায়ের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী : তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতারা যাই বলুক না কেন, বিশ্ব করোনো পরিস্থিতির এই মহাদুর্যোগের সময় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দুর্যোগ মোকাবিলা করছেন, তা বিশ্বসম্প্রদায় কর্তৃক প্রশংসিত হয়েছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম, ফোর্বস ম্যাগাজিন এমনকি ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনও তার নেতৃত্বের প্রশংসা করেছে।