• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ৯ কার্তিক ১৪২৭, ৭ রবিউল ‍আউয়াল ১৪৪২

সরকার এক একটি আইন দিয়ে সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণ করছে ফখরুল

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , রোববার, ১৫ মার্চ ২০২০

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার একেকটি আইন তৈরি করে সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণ করছে, যেন সরকারের বিরুদ্ধে কিছু লিখতে না পারেন। সবচেয়ে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, সংবাদপত্র এখন সংবাদকর্মীদের হাতে নেই, সংবাদপত্র তো এখন চলে গেছে ব্যবসায়ীদের হাতে।

গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বিএনপিপন্থি অংশের এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ডিইউজের একাংশের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদ, বিএফইউজের মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, ডিএইজের সাবেক নেতা এমএ আজিজ, আবদুস শহিদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ বক্তব্য দেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বেশিরভাগ মালিক নিজের ‘ব্যবসা রক্ষার জন্য’ সংবাদপত্র খোলেন বলে তাদের সরকারের ইচ্ছার বাইরে যাওয়ার কোন উপায় নেই। যে কারণে আমরা সেলফ সেন্সরশিপ দেখছি। সম্পাদক সাহেব নিজেই বলেন যে, এটা নেয়া যাবে না, দেয়া যাবে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমরা দেখছি যে, চাটুকারিতা এমন এক পর্যায় চলে গেছে বাংলাদেশ সেখানে দেখবেন যে, প্রফেশনাল চাটুকার যারা আছে, তারাও লজ্জা পায়। দিজ আর ফ্যাক্টস। এই বাস্তবতা হচ্ছে সবচেয়ে বড় বাস্তবতা।

তিনি বলেন, এখানে সাংবাদিকদের সত্যিকার অর্থে যে ভূমিকা জনগণ আশা করে, সেটা সবসময় কিন্তু সঠিকভাবে পালন করা সম্ভব হয় না। কারণ একটাই- এই দেশে এখন কোন গণতন্ত্র নেই, এই দেশে মানুষের এখন কোন অধিকার নেই। এই দেশ সম্পূর্ণভাবে একনায়কত্ববাদ, একটা ফ্যাসিবাদ পুরোপুরিভাবে দখল করে আছে। উল্টো চিত্রও আছে। আবার এই সাংবাদিক ভাইয়েরাই তারা যেখানেই সুযোগ পান, আসল চিত্রটা ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, খালেদা জিয়া অসুস্থ হলেও ‘মৌলিক মানবাধিকার’ বিবেচনায়ও তার মুক্তি হচ্ছে না। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেবের একটি মামলায় তাকে বেকসুর খালাস দিলেন জজ সাহেব। সেই জজ সাহেব পালিয়ে বেঁচে আছেন, দেশ ছেড়ে চলে যেতে হয়েছে তাকে। কেন তিনি সেই রায় দিলেন? পিরোজপুরের ঘটনা দেখেছেন যে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জজ সাহেবকে ট্রান্সফার করা হলো, আওয়ামী লীগের সভাপতিকে জামিন বাতিল করে কারগারে নিতে বলেছিলেন বলে। এই হচ্ছে বিচার বিভাগের অবস্থা। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই বলে।