• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ৯ কার্তিক ১৪২৭, ৭ রবিউল ‍আউয়াল ১৪৪২

সংবাদপত্র শিল্পের সমস্যা সমাধানে এফবিসিসিআইয়ের সহযোগিতা চেয়েছে নোয়াব

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৯

image

গতকাল এফবিসিসিআই কার্যালয়ে বৈঠক শেষে এফবিসিসিআই ও নোয়াব নেতারা -সংবাদ

সংবাদপত্র শিল্পের উন্নয়ন ও এই শিল্পের সংকট আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের জন্য এফবিসিসিআইয়ের কাছে সহযোগিতা চেয়েছে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন (নোয়াব)। গতকাল এফবিসিসিআই কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম ও সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এই আহ্বান জানায় নোয়াব।

বৈঠকে নোয়াবের সভাপতি এবং দৈনিক প্রথম আলো প্রকাশক ও সম্পাদক মতিউর রহমান, সমকাল প্রকাশক এ কে আজাদ, ডেইলি স্টার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহ্ফুজ আনাম, সংবাদ সম্পাদক ও প্রকাশক আলতামাশ কবির মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, ভোরের কাগজের মুদ্রাকর তারিক সুজাত ও বণিক বার্তার সম্পাদক ও প্রকাশক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। এফবিসিসিআইয়ের পক্ষে সংগঠনের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, এফবিসিসিআই সহসভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, হাসিনা নেওয়াজ এবং দিলীপ কুমার আগারওয়ালা, এফবিসিসিআই পরিচালক মুনির হোসেন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

মতিউর রহমান বলেন, বর্তমানে সংবাদপত্র শিল্প অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে কঠিন সময় পার করছে। এটি সেবা শিল্প হওয়া সত্ত্বেও এর করপোরেট ট্যাক্স ৩৫%, যা এই শিল্পের অগ্রগতির জন্য একটি বড় বাধা। এ অবস্থায় টিকে থাকতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে এই শিল্পকে। অধিকাংশ সংবাদপত্রকেই ভর্তুকি দিয়ে চালাতে হচ্ছে বলেও জানান নোয়াব সভাপতি।

নোয়াব সভাপতি বলেন, নতুন ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের কারণে সংবাদপত্র শিল্প চাপের মধ্যে পড়েছে। এই শিল্পের আয় বাড়ানো, করপোরেট ট্যাক্স কমিয়ে ১০ শতাংশ করাসহ শিল্পের উন্নয়নের জন্য সরকারের সঙ্গে নোয়াবের যোগাযোগ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করে দেয়ার আহ্বান জানান নোয়াব সভাপতি। সরকার যাতে এই শিল্পকে বন্ধু হিসেবে ভাবে সেই প্রত্যাশা করেন নোয়াব নেতারা। শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, সরকারের সঙ্গে সংবাদপত্র শিল্পের কোন মালিকদের যদি দূরত্ব থাকে সেটি এফবিসিসিআইয়ের ম্যান্ডেট বহির্ভূত। যেহেতু ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ার শুরু থেকে এফবিসিসিআইয়ের সম্পৃক্ততা ছিল না তাই এই বিষয়টির করণীয় মূল্যায়ন করা যেতে পারে। তবে, এই শিল্পের অর্থনৈতিক স্বার্থে যেমন- ভ্যাল্যু চেইনের কাঠামো ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়ে নোয়াবের সঙ্গে যৌথভাবে পর্যালোচনা করা যেতে পারে।