• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ১৪ কার্তিক ১৪২৭, ১২ রবিউল ‍আউয়াল ১৪৪২

শিশু জন্মনিবন্ধন হার সন্তোষজনক নয়

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , সোমবার, ০৭ অক্টোবর ২০১৯

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, সার্বিকভাবে বাংলাদেশে জন্ম নিবন্ধনের হার প্রায় শতভাগ হলেও শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্মনিবন্ধনের হার এখনও সন্তোষজনক নয়। অথচ বিশ্বের উন্নত দেশসমূহে শিশুর জন্মের সঙ্গে সঙ্গেই জন্মনিবন্ধন করা হয়। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন অনুযায়ী আমাদের দেশেও শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধন ১০০ শতাংশ করতে হবে। এটা না করা হলে শিশুর জন্ম তারিখ পরিবর্তন করার সুযোগ থাকে। এরূপ অবস্থায় সমাজে বাল্যবিবাহ, অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর-কিশোরীদের শ্রমিক হিসেবে বিদেশ গমনের প্রবণতা বাড়বে, সার্বিকভাবে শিশুর অধিকার সুরক্ষা কঠিন হবে।

গতকাল রাজধানীর কাকরাইলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের অডিটোরিয়ামে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় আয়োজিত ‘জাতীয় জন্ম নিবন্ধন দিবস-২০১৯’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব রোকসানা কাদেরের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) শেখ মুজিবুর রহমান, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেল (অতিরিক্ত সচিব) মানিক লাল বনিক, ইউনিসেফ বাংলাদেশের ডেপুটি প্রতিনিধি মিস ভীরা মেনডনকা প্রমুখ।

মন্ত্রী বলেন, আধুনিক রাষ্ট্রের পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য সঠিক জনসংখ্যা ও জনসংখ্যার বয়সভিত্তিক বিভাজন জানা খুবই প্রয়োজন। তাৎক্ষণিকভাবে জনসংখ্যা জানার সর্বোত্তম পদ্ধতি সঠিকভাবে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সম্পাদন। বাংলাদেশে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড, ইউনিয়ন পরিষদ ও বিদেশে অবস্থিত ৫৫টি দূতাবাসসহ মোট ৫১০৭টি নিবন্ধক কার্যালয়ে অনলাইনে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র করা হয়েছে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে বয়সীদের জন্য। কিন্তু জন্মসনদ সবার জন্যই প্রয়োজন। জন্ম নিবন্ধন সনদে শিশুর যাবতীয় তথ্য সন্নিবেশিত থাকতে হবে। শিশুটির যখন ১৮ বছর পূর্ণ হবে তখন সে জাতীয় পরিচয়পত্র পাবে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকায় তার নাম উঠবে।

দিবসটি উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করা হয়। র‌্যালিটি সচিবালয় লিংক রোডের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে কাকরাইলের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালিতে বিপুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রী, স্কাউটস ও জনসাধারণ অংশগ্রহণ করে।