• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১০ কার্তিক ১৪২৭, ৮ রবিউল ‍আউয়াল ১৪৪২

লোকজনের নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে চলা নিশ্চিত করবেন সেনারা

সংবাদ :
  • চট্টগ্রাম ব্যুরো

| ঢাকা , বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২০

জরুরি প্রয়োজনে লোকজন যাতে নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে চলাফেরা করে- সেটা নিশ্চিত করবে সেনাবাহিনী। গতকাল করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রস্তুতি নিতে শীর্ষ প্রশাসনের সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠককালে এ তথ্য জানানো হয়। চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে সেনাবাহিনী ২৪ পদাতিক ডিভিশনের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহরিয়ার, ৩৪ স্পেশাল ওয়ার্কার্সের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তানভীর, কুমিল্লার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজিম, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার মাহবুবর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক ডাক্তার হাসান শাহরিয়ার কবীরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে প্রশাসন এবং সেনাবাহিনীর মাঠ পর্যায়ের কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়।

বৈঠকে, ৫-৭ জনের অধিক সংখ্যক ব্যক্তি জড়ো হওয়া ঠেকাতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে মাঠে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. ইলিয়াস হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, কোন জায়গায় অধিক লোক যাতে জড়ো হতে না পারে, ৫-৭ জনের বেশি লোক যাতে জড়ো না হয় এবং জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া লোকজন যাতে নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে চলাফেরা করে- সেটা নিশ্চিত করবে সেনাবাহিনী। ‘ইন অ্যাইড টু সিভিল পাওয়ার’ অনুসারে সেনাবাহিনী যে কাজগুলো করবে, সেই কর্মপরিকল্পনা সভায় নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সভায় চট্টগ্রামের পাঁচটি স্থান প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের জন্য নির্ধারণ করেছে জেলা প্রশাসন। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন বলেন, সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় এবং কিভাবে কাজ করব, সেটার কৌশল নির্ধারণের জন্য বসেছিলামে। কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। তারা প্যাট্রলিং করবে। যেহেতু শহরে পাবলিকের মুভমেন্ট আছে, তারা অবশ্যই প্যাট্রলিং করবে। কোন জায়গায় বেশি লোক যেন জড়ো হতে না পারে, ৫-৭ জন যেন জড়ো হতে না পারে, নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে যেন চলাফেরা করে এবং কাছাকাছি যেন আসতে না পারে, সেটা মূলত সেনাবাহিনী নিশ্চিত করবে।

সেনাবাহিনীকে বলা হয়েছে, হোম কোয়ারেন্টিনে যারা আছে, অনেকেই আদেশ মানছে না। আমরা অভিযান চালাচ্ছি। ৪০-৫০ জনকে সাজা দিয়েছি। এরপরও অনেকেই হোম কোয়ারেন্টিনে থাকছে না। এই হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিতের কাজে সেনাবাহিনী সহযোগিতা করবে। যারা হোম কোয়ারেন্টিন মানবে না, তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে নিয়ে যেতে হবে। সেক্ষেত্রে সেনাবাহিনী আমাদের সহযোগিতা করবে। পরবর্তী সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগী পাওয়া গেলে তাদের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও সেনাবাহিনী আমাদের সহযোগিতা করবে।

ব্যারাকের বাইরে চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কোথায় হবে, জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক বলেন, এটা তারা আজ মাঠের পরিস্থিতি যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেবেন। কয়টা ক্যাম্প হবে বা কোথায় হবে, তাদের রিকয়ারমেন্ট অনুযায়ী সিদ্ধান্ত হবে।